বিশ্বনাথ ছে

সাহিতাম ১৮বি. ম্বামাচরণ ছে স্রাট, কলিকাত্কা-৭০০,৭৩-

হত জ্রক্াশ্া ২তন্বহ আ্াববিণা £ ২৯ ৩০ ৬৩০৪

শ্রবনশ্শক ব্যাহত শআন্বকুমার স্বাহ্র - ২৮াবি, স্যামভলণ তঙ্ছ স্ট্রাটে বকণজ্াকনতভা-4২-১০১০১-২৩

আক-প্রচ্ছদ অনন্ত চলর আহছেতেল লগহহশ্শলাত্ন হক তল তিন্নি ৬৯৮৮০ স্বশ তালা যো স্ত্রশিটে কাতলা রততি ৯০১০১০৯২৯

জী বীলাজ্কুমাহল হবাম্য ভহান সন ২৯১৩৩৬-এগ* আন্জ্ঞালাম্সাে স্ট্রীট ব্কাঁকম্বকি তি

ভূমিক!

শরংচন্দ্রের জীবন ছিলো বড় বৈচিত্র্যময় প্রথম জীবনটা তাঁর আতবাহত হয়োছলো বেপরোয়া-ছশ্রছাড়া'ভবঘ;রের মতো অনাহারে, অর্ধাহারে, আনদ্রায় দিনের পর দিন কাটিয়োছিলেন 'তানি। গ্রামে গ্রামে ঘ্‌রে যোৌঁড়য়েছেন, কাঁধে গামছা ফেলে যাঁরা ভদ্রলোক গ্রামবাসী, তাঁরা কূকূর লোলয়ে আঁড়য়েছেন তাঁকে আর যারা প্রীত দিয়েছে, বাড়তে এনে আহার দিয়েছে, তারা গ্রামের হাড়ী-বাশ্দথ-দ;লে ছাড়া আর কেউ নয়। গ্রাম থেকে গ্লামাস্তরে, পথ থেকে পথাস্তরে ঘুরে বোঁড়য়েছেন শরৎচন্দ্র এমাঁন করেই জলে উঠেছে তাঁর আভজ্ঞতার শিখা সঙ্র্যাসীর দলে ঢকে কখনো হয়েছেন নবান সম্্যাসী, ঘুরেছেন তাদের সঙ্গে ভারতের নানাস্থানে। চাকরির জন্য যৌবনে নিরদ্দেশের পথে পাঁড় !দয়ে হাঁজর হলেন বময়ি। সেখানেও তাঁর গ্রামে-গ্রামে, নথরে-শহরে ঘোরার বরাম ছিল না। কতোমানহষের মনের ছাব যে 'তাঁন দেখেছেন, উপলা্ধ করেছেন, তার আর হসাব নেই। এমন করে দেখার, বোঝার চোখ আর মন ছিলো বলেই দিন একজন প্রকৃত-িল্পী হয়ে উঠতে পেরোছলেন। হয়েছিলেন জারা সাত্যকারের রস-্রম্টা

জাঁবনের পায়ে চলা পথে বহ? মানুষকে তিনি শুধু চোখ দিষেদেতানি। প্রাণ দিয়ে দেখেছেন মি ভু ভাতার দণে। এই দেখা দেখে যে সব করেছেন তাঁর সাহত্যে, সেগযাল যেমন জীবস্ত তেমান প্রাণস্প্শ তাঁর প্রাতাটি লেখার প্রাতাট ত্র যেন প্রাণের দরদের রঙে বাচাতিত। সেইজনাই শরৎচন্দ্র বাঙালীর প্রাণের মান্ধ। তান মানুষের মনের অধ্দয়মহলের চৌকাঙ্টের বাইয়ে দঁড়য়ে থেকে কোনোঁদন কোনো কিছ; উপলাদ্ব করার চেষ্টা করেনা, যা দেখেছেন, বা ধূষেছেন, তা একেবারে প্রাণের কাছাকাছি, মনের পাশাপাশি এঁসে। সমাজের হিত্ন্র কশাঘাতে যারা আহত আয রসতান্ত হয়েছে খাঁর বা, তাদের জন্যেই শরখচন্টের দয়দ ছিলো সধচেয়ে ধেগী তাই তান দক্তকণ্ঠে বলতে পেরৌছলেন, “সংরারে বারা শব! দিলে, পেলে না কিছুই, যারা দূর্বল, উৎপর্ণাডুঁত, মানুধ হয়েও মান;ষ যাদের চোখের জলে ফধনো হিতেব নিলে না, নিরুপায় দ:ঃখময় জীধনে বারী কৌমৌন ভেবেই পেলে না সপ্ত

থেকেও কেন তাদের কিছনতেই আধিকার নেই- এদের কাছেও কি আমার ধণ কম; এদের বেদনাই দিলে আমার মুখ খুলে, এরাই পাঠালে আমাকে মানুষের কাছে মানুষের নালিশ জানাতে তাদের প্রতি কতো' দেখোঁছ আঁবচার, কতো দেখেছি কৃবিচার, কতো দেখোছ 'নার্ধিচায়ে দুঃসহ সযাবচার | তাই আমার কারবার শুধু এদেরই নিয়ে ।' -সত্যানত্য দরদশ-কথাশিক্পাঁ শরংচচ্দের সবচেয়ে বড় পাঁরচয় তাঁর এই কথা কশটর মধোই পাওয়া যাবে।

যা দেখেছেন, যা পেয়েছেন, জীবনের সেই সব আঁভজ্ঞতার সণয় দিয়ে সাহত্য বচনা করে শরৎচন্দ্র সম্মান-খ্যাঁত-প্রাতপা্ত যতো গপেয়োছিলেন, নন্দা-দ;নমি-নিয(তিনও তার চেয়ে কিছ কম সহ্য করেনান। আজকের দনে ভাবতে অবাক লাগে, সাহত্য রচনার জন্য তাঁকে সমাজচু/ত হতে হয়েছিল, [নিজেরই গ্রামে “একঘরে' হয়োছলেন, মিথ্যা মামলার আসামীও হতে হয়োছিলো তাঁকে আমাদের এই বাৎলাদেশেই মাত্র পণ্টাশ-পণ্টাল্ বছর আগে শরংচন্দ্রের যুগে নীতিবাগশীশের দল তাঁর লেখাকে 'অ্লীল' বলে আভীাঁহত করে পড়তে নিষেধ করোছলেন। “চারন্রহীন' রচনা করে স্র্টাকেই সৌঁদন “চারন্রহীন শরৎ চাটুজো” আখ্যা নিতে হয়োছলো অথচ, সে তুলনায় বিচার করলে আজকের বাংলা সাহিত্য অশ্লীলতার কোন “সোপানে গিয়ে হাজির হয়েছে ভেবে বাঁস্মত না হয়ে পারা যায় না!

শরৎচল্টুই একমান্র মানুষ, যাঁর দাহ্য জীবন একসাথে একাকার করে মাঁলয়ে 'মাঁশিয়ে পাঠক সনাক্ত তাঁকে একট কিংবদস্তীর নায়ক বরে তুলেছেন। এটা সম্ভব হয়েছে শরৎচণ্রষ্াঙালখর ৫ৈধনার কেন্দ্রে আপন বাণীর স্পশ* দিতে পেরোছলেন বলে তাঁর নিভে“জাল আস্তারকতা দরদের জন্য। কিন্তু একজন লেখক বা শিঞ্পীর অন্তরালে একজন ঘরোয়া মানুষও থাকে শরৎচন্দের মধ্যের সেই ঘরোয়া মাননযাঁটর পারচয় বহন করে আনলো এই 'শরং-স্মৃতি' গৎকলনাঁট। শরংচন্দ্রকে কাছে থেকে দেখেছেন, পাশাপাশি কাঁটয়েছেন এমন অনেক মানুষ-জনের লেখা এখানে পাওয়া বাবে। চেনা যাবে ঘরোয়া মানব শরংচন্দ্রের ছাবাটি। তাঁর সংখ-দ)ঃখ- ব্যথা-বেদনার কাঁহনী, কি, খেয়াল-খযাঁশ-মান-আভিমানের ছবি এই সৎকলনের লেখাগনীলর মধ্যে পাওয়া যাবে শরৎচন্দ্র ষে একজন মহৎ কথাশিল্পণই ছিলেন না কেবল, মানুষ হিদাবেও ছিলেন অত্যান্ত বিরাট-হদুয়, স্নেহশখল, দয়াল;--এ পাঁরচয় এই সংকলনের বহ; লেখার মধ্যেই রয়েছে

পুরো শরৎচন্দ্র মান্যাটর মহান পরিচয় যাতে জানা যায় সেইজনাই নানা পন্ন-পা্িকা গ্রজ্থ থেকে লেখা সংগ্রহ করে একসাথে এই 'শরং-স্মৃতি'র মধ্যে রেখে গেলাম এই সংকলনের অত্যন্ত মূল্যবান কয়েকটি লেখা শরংচন্দ্ের ছবিগ্যাল সুসাহাত্যক বিখ্যাত সাহিত্য.কমী শ্রীবিশ, ম্‌খোপাধ্যায় আমাকে দিয়েছেন শুধয আজ বলে নয়, এর আগের বহু কাজে উৎসাহ দিয়ে, সস্নেহ পরামর্শ-উপদেশ দিয়ে তান আমাকে ধন্য করেছেন। তাঁকে তাই কৃতজ্ঞতা জানানো আমার সাজে না। রবীন্দ্রনাথ প্রমথ চৌধরীর লেখার জন্য 'বিন্বভারতী” এবং শরংচন্দ্রের চিঠি পাণ্ডীলীপর এক-পচ্ঠার জন্য শ্রীঅমলকূমার চট্টোপাধ্যায় শ্রীছবি ম্‌খোপাধ্যায়কে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই প্রসঙ্গত বলি, শ্রীছাব মুখোপাধ্যায় সম্প্রাতি একাট পাতিকায় 'সাহিতোর অন্তরালে শরৎচন্দ্র নামে যে ধারাবাহিক রচনাটি লিখেছেন, এটির জন্যও তিনি আমার কাছে আঁভনল্দিত হলেন। শরৎ-জীবনের বহ; না-জানা তথ্য এই লেখায় উদ্ঘাটিত হয়েছে। লেখাট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলে শরং-জিজ্ঞাস্‌ বাঙালী পাঠক অত্যন্ত উপকৃত হযেন।

-বিধ্বনাথ দে

বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত স্মৃতি" পধায়ে আমাদের অন্যান্য বই

শীরামকষ্ণ সম্মতি ১০*০০ বিদ্যাসাগর স্মাতি ১০ *০ মধুস্দন স্মাতি ১০ ০০ বিবেকানন্দ স্মতি ১০ ০০ নিবেদিতা স্মাতি ১০:০০ গ্রীঅরবিন্দ স্ম্বতি ১০ ** সুভাষ স্মতি ১০ ০০ নজরুল স্মৃতি ১০ ০০ রৰীজ্্র বিচিত্রা ১০০০ মানিক বিচিত্রা ১০-০০ সুকান্ত বিচিত্রা ১০ নজরুল-কথা ১২ **

উৎসর্গ শরৎচজ্দরের রাজনৈতিক জীবনের সঙ দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শতবাধিকীর শদ্ধাঞ্জলি

হস্তালাখিত পাপ্ডলিপি £ রব'ন্দুনাথ ঠাকুর £ শরৎচচ্দ্ু সুভাবচন্দ্র বসুর বাণী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শ্রদ্ধা নিবেদন শরৎচন্দ্র চাঠ অক্ষয়কুমার সরকারকে লাখত শরৎচন্দ্র চাঠ £ মণশক্দ্রুনাথ রায়কে লাখিত শরৎচন্দ্র “দেহঘরের স্মৃতি'র এক প্‌জ্ঠা

জশীবন সাহত্য

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর £ শরৎচন্দ্র 2১

প্রমথ চৌধুরণ 2 শরৎচন্দ্র

দখনেশচন্দ্রু সেন 2 শরৎ-প্রাতভা 2 ৪৮

বাঁপনচন্দ্র পাল 2 যুগ-প্রকাশক শরৎচন্দ্র £ ১৯০

শবৎচন্দ্র বস; £ শরৎচন্দ্র £ ৪০

সুভাষচন্দ্র বস; 2 স্বদেশপ্রোমক শরৎচন্দ্র 88২

রাধাকমল মুখোপাধ্যায় £ শরৎচচ্দ্রের মানাবকতা 2 &9 নরেশচল্দ্ু সেনগবপ্ত £ শরৎচন্দ্ু 2 ৩৯

হরেক মুখোপাধ্যায় £ শরৎচল্দের কাশীনাথ £ ৩৫ সত্যেন্দুচন্দ্র মিত্র একজন খাঁটি মানুষ £ ৪৫

সনৎকুমার রায়চৌধুরী £ দরদশ শরৎচন্দ্র ৪১

নাঁলনীরঞ্জন সরকার 2 শরৎ-্প্রতিভা 2 ৩৯

তুলসণচন্দ্র গোস্বামী £ মানুষ শরৎচন্দ্র 8৪৭

ধূজশণটপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় £ আমার দূস্টিতে শরতচন্দু £ ৬০ ্বিজেস্দ্রনাথ দত্ত মুজ্লী 2 দেবানন্দপরে শরৎচল্দু 2 ১৬৬ আশন্তোষ ভটাচার্য 2 শরৎচল্দু মুসলমান সমাজ 2 ২৮৫ মূরলশধর বস? 2 “সব্যসাচী” 2 ৬৭

প্রবোধ চট্টোপাধ্যায় £ ঘরের মানুষ শতচল্্ 2 ৯০০

নন্দগোপাল সেনগনশ্ত £ শরৎচন্দ্র 2 ৩২ ভবানী মুখোপাধ্যায় £ শরৎ-সাহিত্য 2 &৮ গোপালচন্দ্র রায় 2 শরৎচন্দু চরকা 2 ২০9০

ছাঁব মুখোপাধ্যায় £ সাঁহত্যের অস্তরালে শরৎচন্দ্র £ ২৭৩ নল্দদুলাল চক্রবর্তাঁ £ অনস্ভ যাত্রা £ ২৯৬

স্মৃতিকথা

কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় £ শরৎ কথা £ ৭০ জলধর সেন £ মহাপ্রাণ শরৎচন্দ্র ২৬৮

রুপা দেব £ শরৎবাব 2 ২৭৮ সংরেন্দ্রনাথ মৈত্র £ শরৎ-স্মৃতি 2 ২৭ খগেন্দ্রনাথ মিত্র £ শরৎ-স্মৃতিকথা 2 ৪৯ হাঁরচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় 2 ট£করো কথা ৪১৪৬ কাঁলদাস রায় 2 ক্ষমাশীল শরৎচন্দ্র ২৯০ উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় 2 বিশেষ একাট দিন £ ১১৫ সংরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় 2 একদিনের কথা £ ২৫৪ হেমেল্দ্রনাথ দাশগনস্ত 2 গ্রামের ভদ্রতা” 2 ২৩৩ সৌরশন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় £ নাট ছোটো গজপ £ ৯৬০ সুধাীরচন্দ্র সরকার 2 শরৎচন্দ্র "চরিত্রহীন" 2 ১৯৪ হেমেন্দ্রকুমার রায় 2 যমহনা-আপিনে শরৎচন্দ্র £ ২৬৪ নরেন্দ্র দেব £ মানষ শরৎচন্দ্র 2 ২৩৪ অসমঞ্জ মুখোপাধ্যায় 2 একাঁটি আভিনল্দন-সভা £ ২২৫ 1দলশপক্মার রায় 2 প্রণাম £ ৭৮ 1বভৃভতিভূষণ ভর্র £ শরৎদা $ & নরুপমা দেবী £ আমাদের শরৎদাদা 2১৯ রাধারাণখ দেবী $ শরৎ-সহযমা $ ৯২ শ্িরজাকনহমার বস; £ শরধচন্দ্রের সঙ্গে শিবপুরে 2 ৯৩৪ যাঁমনখকান্ত লোম £ শরৎচন্দ্র সঙ্গে ১৭৫ যোগেম্দুনাধ সরকার $ রন্বপ্রবাসে শরৎচন্দ্র ১১১৯৭ ছিরণন্দ্ুনাথ সরকার 2 ভ্রচ্মাদেশে শরতচদু 8 ১৪৯ বোখেশচল্দ্র মজুমতরে $ কম'কজনিবনের রান 2 ১৬৮

নালনাীকাস্ত সরকার £ শরৎচন্দ্র রসিকতা ১৬৪ বিশ্বপাত চোধরখ £ শরৎ-প্রসঙ্গ £ ১১২

সরোজরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় £ শরৎ-কথা 2 ১২২ বলাইচাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায় £ শরৎ-স্মৃতি £ ১৩৯ আঁবনাশচল্দ্র ঘোষাল £ শরৎচন্দ্রের টঃকরো কথা £ ২৭৯ হারদাস শাম্ত্রী 2 একটি প্রশ্নের উত্তরে £ ২৫০ সোমেন্দ্রনাথ পঙ্গোপাধ্যায় £ মনে পড়ে 2 ২০৩ পাঁচুগোপাল মুখোপাধ্যায় 2 সযহাতপৃজা 2 ৬৩ হীরেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় £ চচ্দ্রু অতন্দ্র নভে 2 ৯৬ চরণদাস ঘোষ 2 দরদী শরৎচন্দ্র ২৪৬

সরেন্দ্রনাথ মাল্লা £ বমরি একাঁটি ঘটনা £ ২৪৯ কাননাবহারশ মুখোপাধ্যায় £ শরৎ-স্ম:তি-মাল্য ১০৪

পথ ১৮ ধারা ওমিবিদীন (পধিবি এখনি, মীটি তাত 5 গথি তু গাাসিনে। মমেত 9টি খিক নিবে ঠা্রি (ঢের ধারা ধা রতি? & পু তে

১1517 "১37৪ পু শর্ট

গর্বিত এনে? পাঠ -3 পেজ | দেও" তো র৭/ এপ পচাত আঅর্গনি ২৮ গিরি টি _95৮৮দ হর

২৩/১/৩৮-

শাল অন্ত যায় গঁ ভাদ্র বাপ

তাপসী বিজন? ভোগা ব্লিহ” গপিভীর্বা একদা বঠভাগডিত প্রবছুতলেহা ১০) শততন্ঠা কেহ োনিজেছি। ১/যািড-ও520- সরতচেন্ছোরা ডিজি তা ওহ মতা বিত্ত | জিস্য বসান ছু " পাস তি 975৮ হা্ভিতীনত 1 আবাভি সহসাত 7 2১ তিনি এখনি রবি) সস এদেশ ির্া এভিউদিটি্ হীযিিজপর্ভিততা পরলেন ডি ভেলা ভিতা জনি) * এলি হিপ লহ ' ঠ)725-) সিএ 2 পিজা 26--)৫ 473৮০) 2 এপতিসিত এ্পান্িলো দেল রক রগ সপার্চ পেলে চটির মানু হিপগতো উহপথা 97১ পঠিত 0৮ 57727 পুণ্চা হই গছ দাজানিনি পি টি তি গা £8৮০*1 তাল 6721 3 পগার্িিত উ্রাতি উহ পুতি 205 গাঙে ৮৬৭ / টিং 47567 ঠহুন্ড ঠা পিসি 2০6 গে গাঠিা লিজ াডেদুত 9 ৫, ৮87৮ চা পসও দিশ-/ দির এলে ৯5 ০পতৃ- হঠতে ২৮)/42দ পুন |

[ শরংচল্দের অনন্ত বায়ার পর শ্যামাপ্রসাদের শ্রদ্ধা নিষেদন ]

সাত বেড গাপিত্রিস লোগো

1%%416%ু পপর হারে নিবি টিজার্সি

নিহত 17646 কো হপরিখ খেলছি 0 নিগিনিন কস

আগার পরনে ছিলনা তাকে লিগে (7৮4৮ বেবি গণ সপর্থি এপুচিপু 1 ভশাণদাতৌ আরা ছদোধি' কসো্িও দাস 0

কচি তে উলপ্যাস (৮৮ পথ্য কতা খাটে, ধরছি অন্থি নিত 4 (৮৮ পর টা পনরকা চলবে” উপল কিতা কেজান ারাসমোঠি এথিতোতে ইন? এন কেপ পাপা ৪৫ পাবীতিপি 1 জা পর্নো উস কোরে আর্চনত করিত ভিত পের লালা তির নি করা 58 দারা গতি সে |

আলি বড এেকাগালা | পামুক্ড | আটার দর্ঘচে পৌখোরদি নি কট সিরা দাশ হেত? রহ না নিতো 1, ০০০৩ (রো দিলি রি পি উথিট্রল উল দেখ নর ৮, বাটা

কবডে গলে হীছি টুল এঞেহাছি এছিন কেতে শত হত এন্রেও নেলি পরশ্িলি 8% টা উহা চো পর মু দিতি গেলনা, 8$ বুল নে কথা লোম আছে লো শা - তাও থিয়া৫ু খা টেকি রি একি পচে ধ্রঠৈ বাহ ইন প্র এনে] পু দুল লী উনোপাহইিিনপ | মাধ ০০. £ি নিসা বছর $/নখ্রণ্য পর্ব লে)

(কিন ছেল £? 0৭ সর্প নে ্র্রে

পান ভাপালোশ

4. রি... রি. জি

এনাঠি | পচ হর সে পেখ্ু |

গাু্নতি | টাির্টিসিঘা জানালা %5 দত

এখটিনিতি কাঠি শি

পপির বহি করধাকাকে | কতা চাট লামা (রাও গত বলতেন | এপি “পি ইপসননি | হোসি এনে (ওাই্ন | কিপি। বিরত লিপকেন। আদার অপি্ধো ছিওিবাটিও

উতর | পা 9

9

[ অক্ষয়কুমার সরকারকে লিখিত শরৎচন্দ্র একখানি চিঠি ] শ. শ্ব--২

সাগঠি বেট পগিশোপ পণ

৮৮/০লি র্

সেটি প্রন চা

€চ7)। ৮৭) £৮ গোগাৰ চিঠি থা সর্পত জি

চপ . বিগ ৫৮৯৮৮ দির গত এত বাচকচপ। 4525 আরশ পপি ইহার 5 মোহ 2৭ 0741 1৮ উর্ধি আনি এসিগ্ণ আধ তর খে ছুপি হত ঠাপ 8৮6০ (বি হোজার | কী হত 0 নিত উঠ িরি ভি সে 970৮5 ৩৬৪ মি তিক এনে সা (98 2/৮পশ পরুশটের আপিন ১৮9 এরঘির সে |

নেই ১১৫৭ হিতে ৩৭ পা আগর কিস শিং খাকাকের পু সে পরি ২]৯ মিঃ মেযোতিি ৬৮7৮ সার? শী বিছা তো

ঞ্ পুিবিগ আগতে সনি নীট তি পাটি কপে লেখা 75 কারাহিশিন নিএলম ভব, ডি এপাহি0 কট পলি বদলি শিরিযটেপগ সাসিবািশে চর সেডি &৫ (মতি) 9 2 পিছত পিস্দাহিবি | খিচর্টি হত এগার মো? 0

নর্থ ঈদ ৪9, ঘন ছি কাধে চো সানী 1 991979, হীরার কানু সিএ পচা পচ বাতনা তেছির আপি

এতে ১৫৫০৩ পনি পুচ হাসে 811 রসি গ্াইটিল আপা কেক এলেন 2 উস পি হাচি | আসি (সিডি তি তে ০৮ পা ৯9 পরত | 28 আশি অধরিসিগে | অষ্টাতিল কটি শি এাগিত। গুতো 1

"

| ঃসাপক9 ঠ৫%হ৭ এনা ীলপর্থ পাস 8 লির্লি গছ,

হেতনািউবপতিঠ

সাসাস, চিরে জেনে &৮৮

পীরিতঠকেডি পিঠে জেটি ৫৫৮ হ৯কউ? 1 এজ পা ৫2৮৭) সিন এটি 540 পাডিজ পর্সাে আর্জি সহীরে। এন আবির পারিবে 01 অক কাশ ০225 নিভি দেতৈর নেতা সবি মানেই গ্পরক প্টচি 2 ৫৭ এর 9 হখে পঠোতি ) এপস প্রানি শা (রন পিউ প্হ পৰি বক ঘরে ্েটত 2টি গেছ হার পা এখন ভর ভল্টে (পপি, উপর 1 বত 2 গস কাসিগ পাঠজি পিচোরগৰ (সেটি এত ছি এত ঈগাের বান শেইি বয়েজ এেসোছি 8: সহসপনে কিট কিবা বস, মিজি একারিন | অপাসাই ইশ ধান উখাসি 50 জজ আজ্লে তি করাও গুনে পি কাপ পরও খাবা 8 এসষটিলিদ ওপার ছি খাি লি জি | ০খঘপর | নপদিপকি | তপতি 0 ২৮ জো বলা ২৯৬

হ্রীশান ৮5 (শসা

1 শরত্চন্জের.ন্মেহভাজন, বেহালার*তৎকালীন জমিদার মনীশ্রনাথ রায়কে :লিখিত-ছ"থানি চিঠি"

থা টিসি

বাতি সহ পির এনা ৩৫ শা লাইন ঠাছলত - পিকে বিনা পাদিস্িসপ ভে 80 আর্টিতা এটি

পুরি িপক্সি হিরা চি ছ০৭ কন্িশেচ পটু ভশোছা্টি কবি 2/বকুষ্টা কি পতাগত্চত ০০ গাছের ) মি নু ঞ& তে এসি [57 রঙ ৯7 জিতে রোর্ীল তরিতা আা্পি 0 সক উন্িআখরর্ছ এক শেতে তেন & 1 5) ] লি :

হী হক ঠাস লি রখ ন্োতেরে , তপতি রিটা উস পুলে এজ €াখগাক হুযে এতে পেসার «জে পাতি তে চরে শরভিগা ০১৫ চ. ব্ডিরেও বশবোক পান্থ কে শি0িয। আর বত হিলের শি কে? আলি এনে এর শি

ডে কিছ কেলপ হত প্র তরি কলস ইহা) আসি এল বর মিলিত ভজেবিজ এসব রী পা 8.

রঃ লে হিতে তি 4৫ উড ওজেক৯ কা ভিত বদর সেটি রাগ তা মায় এউিগাডিবা (পল আহ জে মো যো হীতেযাািতা তর হেএছ উচ্চ জারী ২৩ হু রেশ বশাগো, ভান রঃ - নি এসি কও পউরতর এই হাতে পি হা লহছ্রদও ইজ নি শর মে চি? লি দিতি উখাগাজোগ | টেপা বলিনি এসেছেন সতত ০০ খ্্ু র্‌ 90 বুজে ধত সাত ৫লহপহ এশা প্র 0 থাভজিরশহ | বসা নি & হবুজিত পতি হিপভিত শি রে, টি রি রঃ

রিকি টা একি জি ৯৯১ এলে তাদাপধর লামা কব সতী লালে পপ্ঙ্র এপি শক) আজ পি তাতাই বক এল চা হিতেএি হেত শুই পেতে এস্ছলীহে পচ্থায়ে এর কেই ওই বাচিওচিট বাসের বিতিপি নিছে কেক ফালু কাতেহে ঠা বধ লা সপন এছ) 23 চু চটপটি

শি লি পি নিত ছি শনি”, ২১ ১০ & গু

প্

[ শরখ্চন্দের “দেহঘরেক্স স্থতি-পাগুলিপিক় এক পু

খারৎচন্্ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

*আমার আয়ুকালেব মধ্যে বাংলাসাহিত্যে পরে পরে তিনটে পর্ব দেখা দিয়েছে আমি যখন আসরের জীজিমট।র একধারে জায়গা ক'রে নিয়েছিলুম, তখন কবির উচ্চ আসনে ছিলেন হেমচন্দ্র নবীনচন্দ্র, বঙ্ষিমচন্দ্র ছিলেন সিংহাসনে, মধুস্দন বিদায় নিয়ে গেছেন। এ'রা চলে যাবার কিছু পর্ব থেকে দ্বিতীয় পর্বের শুরু হয়েছিল। প্রথম পর্বে আমি ছিলুম সকলের চেয়ে বয়সে ছোটো, দ্বিতীয় পর্যে সকলের চেয়ে বয়সে বড়ো তার ফল হয়েছিল সাহিত্যিকদের সঙ্গে আমার বয়স্যতার সম্বন্ধ ঘটতে পারেনি। একলা পড়ে গিয়েছিলুম। সৌভাগ্যক্রমে অকৃত্রিম শ্রদ্ধার গুণে বয়সের বাধ! পেরিয়ে সত্যেন আমার কাছে আসতে পেরেছিলেন। তাই কাব্যের সঙ্গে মানুষের পরিচয় মিলতে পেরেছিল এই ছুয়ের মিলনে আমি যে রস পেয়েছিলেম সেটাকে আমি মস্ত লাভ ব'লে মনে করি। আমার বিশ্বাস মানুষরূপে তিনি আমার কাছে আসাতে কবিরূপে তিনিও আমাকে বেশি সত্য করে পেয়েছিলেন

তৃতীয় পর্যের আরম্ভ হয়েছে শরৎকে নিয়ে। আধুনিকের সঙ্গে তার যেমন নৈকট্য ঘটেছে তার পূর্ববর্তীদের আর কারো তেমন ঘটেনি। তিনি সম্পূর্ণভাবেই নিজের দেশের এবং কালের এটা সহজ কথা নয়। এটা শুনতে স্বতোবিরোধী, কিন্তু দেখা যায়, কৃত্রিমতা সহজ, স্বাভাবিক হওয়াই সহজ নয়। তেমনি নিজের দেশকালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যাওয়া সকলের ভাগ্যে ঘটে না। সকলেই যে নিজের দেশে কালে জন্মগ্রহণ করে তা৷ নয়। জন্মবিধাতা জাতককে স্থান নির্ণয় করে দেবার উপলক্ষে সব সময়ে বর্তমানের সময় নির্ণয় করে চলেন নাঃ সাহিত্যে তার ফলাফল হয় বিচিত্র যথধোচিত

শরৎ-স্থতি দেশকাল থেকে চিরনির্বাসনে যারা জন্মেছে এমন লোকের অভাব নেই। স্থষ্টিবৈচিত্র্যের জন্যে তারও প্রয়োজন আছে

বলা কওয়! নেই, শরৎ হঠাৎ এসে পৌঁছলেন বাংলা সাহিত্য- মণ্ডলীতে। অপরিচয় থেকে পরিচয়ে উত্তীর্ণ হোতে দেরি হোলো না। চেনা-শোনা হবার পূর্ব থেকেই তিনি চেনা মানুষ হয়ে এসেছেন। দ্বারী তাকে আটক করেনি সাহিতে। যেখানে পাঠকদের চিত্তপরিচয় এবং লেখকের আত্ম-পরিচয় অব্যবধানে এক সঙ্গে ঘটে, সেখানে এই রকমই হয়-পূর্বরাগ আর অন্ুরাগের মাঝখানে সময় নষ্ট হয় না।

সেই সময়টাতে কর্মের টানে এবং বয়সের ভেদে আমি দূরে পড়ে গেছি। ছেড়েই দিয়েছি কলকাতায় বাস। আমার সম্বন্ধে দেশে নানাপ্রকার জল্পনা-কল্পনা চলছিল, অর্ধিকাশ সময়ে তা সতাও নয়, প্রিয়ও নয়। আমার মন তাই দূরে চলে এসেছিল এই সময়েই শরতের অভ্যুদয় শাস্তির জন্তে যে নিভৃত কোণ আশ্রয় ক'রে আপন কর্মের ঝেষ্টনে গা-ঢাকা দিয়েছিলুম, সেখান থেকে শরতের সঙ্গে কাছাকাছি মেলবার কোনে! সুযোগ হ'লো না। কোনো কোনে মানুষ আছে প্রত্যক্ষ পরিচয়ের চেয়ে পরোক্ষ পরিচয়েই যারা বেশি স্থগম। শুনেছি শরৎ সে জাতের লোক ছিলেন না, তার কাছে গেলে তাকে কাছেই পাওয়া যেত। তাই আমার ক্ষতি রয়ে গেল। তবু তার সঙ্গে আমার দেখাশোনা কথাবার্তা হয়নি যে তা নয়, কিন্তু পরিচয় ঘটতে পারল না। শুধু দেখাশোনা নয়, যদি চেনাশোনা হোত তবে ভালো হোত। সমসাময়িকতার সুযোগটা সার্থক হোত। হয়নি, কিন্তু সেই' সময়টাতেই বিশ্মিত আনন্দে দূরের থেকে পড়ে নিয়েছি তার বিন্দুর ছেলে, বিরাজ বৌ, রামের নুমতি, বড় দ্রিদি। মনে হয়েছে কাছের মানুষ পাওয়। গেল। মান্থুষকে ভালবাসার পক্ষে এই যথেষ্ট।

শরৎচন্দ্র প্রমথ চৌধুরী

আমি কি ইংরেজী কি বাঙলা কোনো বই পড়ে সহসা চমকে উঠিনে। থেকে থেকে চমকে উঠা আমার ধাতে নেই। কিন্তু কোনও বই যদি আমাকে চমক লাগায়--তাহলে তার অপূর্ব বিশেষত্ব আছে অন্ততঃ আমার কাছে-_সে বিষয়ে আর সন্দেহ নেই।

আমি বহুকাল পূর্বে “কুন্তলীন পুরস্কারে” একটি ছোটো গল্প পড়ে বিন্মিত হয়েছিলুম। সে গল্পটির নাম বোধ হয় “মন্দির” গল্পের নীচে লেখকের নাম ছিল ন|। পরে খোজ করে জানতে পারলুম যে, এই নূতন লেখকের নাম “শরৎচন্দ্র-_যে শরৎচন্দ্র উদ্দেশ্যে আমরা সকলেই শ্রদ্ধাঞ্জলি দান করতে প্রস্থুত। পরিচিত লেখকের নাম দেখে তার লেখার প্রতি আমাদের মন অনুকূল হয় এবং তার খ্যাতির প্রভাব আমাদের মতামতের রূপ দেয়। কিন্তু যে ক্ষেত্রে কোনও সম্পূর্ণ অপরিচিত এমন কি নামহীন লেখকের রচনা আমাদের নয়ন মন আকৃষ্ট করে সেখানে আমর। একটি যথার্থ নতুন লেখককে আবিষ্কার করি। “মন্দির” গল্পটির কথা-বস্তও সম্পূর্ণ নতুন, তার উপর সেটি ছিল স্গঠিত। সাহিত্য-দম।জে আমি একজন 011010ব'লে স্থপরিচিত যদিচ পুস্তক সমালোচনা আমার ব্যবসা! নয়। সে যাই হোক, সমালোচকের আর যে গুণই থাক্‌ না কেন, তিনি 70০900101-এ বঞ্চিত নন। কোনও বই পড়ে তাঁর মনে একটি অভূতপূর্ব 11010955101 হলে--তারপর 01010 বাগবিস্তার করতে পারেন। যে কথায় কোনও 10100165510] করে নাঃ তার বিষয় কিছু বক্তব্য থাকে না। অবশ্য এস্থলে আমি সমগ্র বইয়ের কথা বলছিনে, বলছি তার কোনও বিশেষ, অংশের কথা।

এখন আমার উক্তরূপ 10111635101-এর ছু'টি উদাহরণ দিচ্ছি।

শরৎ-স্থৃতি

কিরণময়ীর প্রথম দর্শন লাভ করে আমি চমতকৃত হই। দোতলায় মুমূষু স্বামী পড়ে আছেন, আর স্ত্রী নটা সাজে সজ্জিত হয়ে স্বামীর বন্ধুকে অভ্যর্থনা করতে নীচে নেমে এলেন। ব্যাপার দেখে আমার মন অত্যন্ত বিচলিত হয়,_কিরণময়ীর রূপ দেখে নয়--তার [)5/011010%-র পরিচয় পেয়ে। রকম ছবি সাধারণ লেখকরা আকতে পারেন না।

শরংচন্দ্রের শ্রীকান্তের “ভ্রমণ-বৃত্তান্তে” রাতদুপুরে ভাগলপুরের গ্গায় একটা ডিঙ্গিতে ভেসে পড়ার বর্ণনাটি আমার কাছে অতি চমৎকার লেগেছিল। লেখকের শক্তির পরিচয় বর্ণনায় পুরো ফুটে উঠেছে। ধার কলম সব দৃশ্বের স্ষ্টি করেছে, তার প্রতি শ্রদ্ধা হওয়া আমার পক্ষে স্বাভাবিক।

শরতদা বিভূতিভূষণ ভট্ট

তরুণ জীবনে সেই অনুদিত শরৎচন্দ্রের চারিদিকে যে কয়টি অক্ফুট তারা অথবা ঠাহারই অনূদিত জ্যোৎন্নালোকে যে কয়টি অফোট। সাহিত্যিক ফুল ফুটিবার সম্ভাবনাকে বক্ষে ধারণ করিয়াছিল__ আমি তাহাদের একটি তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ পরবর্তী জীবনে সাহিত্যাকাশে দেখা দিয়া শরংচন্দ্রের পারে ভাসিয়াছেন, কেহব! অকালেই নিবিয়াছেন_কেহবা জীবনীকাশ হইতে চ্যুত না হইলেও শরৎ-মহিমার ওজ্জল্যের মধ্যেই আপনাকে অস্তমিত করিয়াছেন আমি এই শেষের দলের মধ্যেই একজন কিন্ত শরতদাঁর বিষয়ে আমাদের অন্ততঃ এইটুকু গর্বের বিষয় আছে যে, আমরা সেই অনূদিত শরতচন্দ্রকে সকলের আগেই পুজিয়াছি এবং পুর্ণচন্দ্রোদয়ের পূর্বে তাহারই আলোকে দীড়াইয়া অর্থ্য রচনা করিয়াছি যখন সমস্ত বঙ্গসাহিত্যাকাশে আমাদের সাহিত্য “রবির আলোকে উদ্ভাসিত, তখন বাঙ্গলার বাহিরের একটা অনতিখ্যাত সহরের ক্ষুদ্র বিদ্ভালয়ের ছাত্রদের ক্ষুদ্রতম সাহিত্যসভার মধ্যে যে আমরা একটি পূর্চন্দ্রোদয়ের সম্ভাবনাকে দেখিয়াছিলাম, গৌরব আমরা করিতে পারি।

মনে পড়ে, একদিন আমাদের সেই খেলাঘরের সাহিত্যসভায় যুবক শরৎচন্দ্রের একটা রচন! লইয়! ঘোর তর্ক করিতে করিতে প্রায় হাতাহাতির যোগাড় লইয়! উঠিয়াছিল। আমি গায়ের জোরে সবারই চাইতে দুর্বল হইলেও গলার জোরে কাহারও চাইতে কম ছিলাম না। হয়তো! কিছু বেশীই ছিলাম, তাই আমার সেই 'এতটুকু যন্ত্র হইতে একটু বেশী শব্দই বাহির হইয়াছিল এবং আমি লাফাইয়া উঠিয়! বলিয়াছিলাম--বস্কিমের চাইতেও শরংদার লেখা ভালো! | অবশ্য সাহিত্যসমাট বঙ্কিমচন্দ্র একজন অখ্যাত তরুণ সাহিত্যিকের লেখ! লইয়া আর একটি তরুণতর যুবকের এই ধৃষ্টতায় সেদিন তাহার

শরৎ-স্বতি রি

মহিমালোকে বসিয়া নিশ্চয়ই সন্সেহ উপেক্ষায় হাঁসিয়াছিলেন। কিন্তু তারপর যখন আমার পরিণত জীবনেই দেখিলাম যে, সেই শরৎচন্দ্রের সাহিত্যসাধনার মূল্য নিরূপণ উপলক্ষে একটা সাহিত্যিক লাঠালাঠির সুচনা হইয়াছে এবং এমন কি বর্তমান সাহিত্যসআাটও সেই তর্কধূলার মধ্যে তাহার ঞধধিকল্প মুখখানি লইয়। উকিঝু"কি মারিতেছেন তখন আমিও হাসিয়া লইয়াছি

কিন্ত মৃত্যুর পর শোকপ্রকাশের মধ্যে যে একটা কৃত্রিমত। আছে তাহাই আমায় বাধা দিতেছে কারণ কথায় বলে-_

“থাকতে দিলে না ভাত কাপড়, মরণে করবে দান-সাগর !”

এই “দান-সাগর” অনেকেই করিয়াছেন এবং তাহা বিশ্বসাহিত্যের দরবারে অনেক উচ্চ স্থানও পাইয়াছে। তবুও সে সমস্তই মরার পর দান-সাগরের মতই একান্ত নিষ্ষল--তা৷ সে 1901755010-এর হা) 7০170110117-ই হউক, আর 91611-র /£১001915-ই হউক কারণ সেই সমস্ত জীবন-কথার মধ্যে প্রাণটাই থাকে না-থাকে কথার জাল বোনা, থাকে অধরকে ধরিবার বৃথা চেষ্টা

আমার পুর্-জীবনের শরতদার কথ! বলতে যাঁওয়া মানে--আমার জীবনের যাহ। সবাপেক্ষা প্রাণময় অংশ তাহাকেই স্মরণ করা। কিন্ত তাহা কি কেহ সম্পূর্ণভাবে পারে ? প্রাণ জিনিসটার সংজ্ঞ! নাই, কারণ তাহার মতো আর কিছুই নাই--একেবারে “কেবল' মৃতি ! তাহার অংশ নাই-তুল্য নাই, তাহা ক্ষণাবলম্বী অন্ুভবধার! ছাড়া অন্য কোনরূপে প্রত্যক্ষ কর! যায় না। এমন কি জীবনকে স্মরণ কর! যায় কি না সে বিষয়েও আমার সন্দেহ আছে। ঘটনা স্মরণ হইতে পারে, জীবন নয়। প্রাণহীন ঘটনার প্রয়োজন ইতিহাসে থাকিতে পারে; কিন্ত আজ যাহ! সত্যকারের সুখ-ছুঃখামুভূতি__ তাহাতে তাহার স্থান কোথায় ? আজ যে ক্রন্দনে বাঙ্গলার সাহিত্যা- কাপ পূর্ণ, তাহার মধ্যে সেই জীর্ণ পুরাতনের স্থান কোথায়? তাই

রঃ শরতদা

আজ যখন আমার প্রথম যৌবনের জীবনের কথা ম্মরণ করিয়া লিখিবার আহ্বান আসিল তখন আমি চমকিত হইয়া ভাবিলাম-_ সেই পুরাতন জীবনের মধ্যে গ্রবেশ করিয়া চাপাপড়া৷ স্মৃহির খনি আবার কি করিয়া খনন করিব? পারিব কি?--পারিব ন1। যাহাকে ফুরাইতে দিয়াছি তাহা কি শেষ হয় নাই? সেই [1116 2170 1৮9-র সত্যকারের ১%/891 জে০ 2110 1৮/0171-র দিনগুলি চলিয়া গিয়াছে--আছে শুধু একটা হায়-হায় মাত্র। অগ্কার বাঙ্জলাব্যাপী হাহাকারের মধ্যে সেই ব্যক্তিগত জীবনের হায়-হায়ের স্থান নাই-_নিশ্চয়ই নাই

যাক, এখন ধার কথা লিখিতে বসিয়া আপন কাছুনির ঝুলি ঝাড়িলাম তারই কথা আরম্ভ করিব কিন্ত আগেই বলিয়ারাখিতেছি যে সত্য বলিব ; কিন্তু আমার অজ্ঞাতে এবং অনিচ্ছায়যদিসেইসত্যকে কিছু বানাইয়া বলি তাহাতে আশা করি কেহ দোষ ধরিবেন না। কারণ যখন বনে যাইবার বয়স পার হইয়াছি তখন একটা বেপরোয়া ভাব আসিয়া গিয়াছে অতএব সত্য বলিব এবং হয়তো বানাইয়াও বলিব--কাঁরণ ছুইটাঁর মধ্যে পার্থক্য করিবার ক্ষমতা আর আমার নাই | স্মৃতিভংশাৎ বৃদ্ধিনাশঃ বং তাহার পর যাহা হয় তাহা সাহিত্য জগৎ হইতে আমার অনেক দিনই হইয়াছে; এখন স্ুুল জগৎ হইতে এই ক্ষুদ্র ক্ষীণ অথচ আমার পক্ষে অত্যন্ত প্রত্যক্ষ দেহটা যাইলেই হয়।

শরৎচন্দ্রকে প্রথম যখন দেখি তখন তিনি ভাগলপুর তেজনারায়ণ জুবিলি কলেজে পড়েন। আমার সঙ্গে সহপাঠীরপে দেখা হয় নাই-_ দেখা হইয়াছিল শাস্তা--আদেশদাতারপে আমি তখন স্কুলের ছাত্র এবং মাষ্টার পাণ্ডতের বিশেষতঃ দাদাদের গম্ভীর তত্বাবধানের মধ্যে শাসিত পালিত। কিন্ত স্কুলের ছাত্র হইলে কি হয়, কবিতা দেবীর সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু ছোট বয়স হইতে নিশ্চয়ই মান্থুষ অনুভব করে আমি এবং আমার ভগ্নী নিরুপমা উভয়েই তাহা!

শরৎ-স্থতি ৮৮

অনুভব করিয়াছিলাম -বিশেষতঃ আমার ভগ্নী তখন আমাদের বাঁড়ির সমজদারদের মধ্যে বেশ একটু খ্যাতিই অর্জন করিয়াছিলেন আমার তখন বাড়ির সাহিত্যিক মহলে কোনো খ্যাতিই হয় নাই, কেবল লুকাইয়! লুকইয়া৷ ইংরাজী কবিতার অনুবাদ অথবা বাঙ্গল! কবিতার পুনরন্নবাদ করিতাম। রবীন্দ্রনাথেরও তখন আমাদের বাড়িতে পসার-প্রতিপন্তি হয় নাই। তখনও তাহার পূর্ববর্তা কৰি এবং লেখকদিগের প্রবল প্রভাব। আমরা দুইটি ভাই-ভগ্নী প্রাকৃ-রবীন্দ্রী কবিগণের লেখার ভাঙাচোরাই হউক আর অন্ুকরণই হউক-_ একটা কিছু করিতাম। দাদার! বা! মাষ্টার মহাশয়রা কখনো ভাল- বাসিতেন, কখনো বা হাসি বিদ্রপে বিব্রত করিতেন ; কিন্তু তথাপি গোপনে গোপনে আমাদের কবিতার খাতা পুরিয়! উঠিয়াছিল। কিন্ত কেমন কবিয়। জানি না, সেই সব লেখা বিশেষতঃ নিরুপমার খাতাখান। শরৎচন্দ্রের হাতে গিয়া পড়িয়াছিল। দাদাদের মধ্যে কেহ হয়তো তাহা শরৎদার হাতে দিয়াছিলেন। শরৎচন্দ্র তখন তাহার সমবয়স্কের মধ্যে একজন উচ্চ জগতের জীবরূপে এবং অত্যন্ভূত “ল্যাড়া” নামে অভিহিত উপরস্ত তাহার তাৎকালিক স্বাক্ষরিত নাম 91, 01816 7,219 জানি না, তখন তিনি কবি 3/1010-এর 1,818 কবিত। পড়িয়াহিলেন কি না, কিন্তু বায়রনের ধরনটি যে পরে তাহাকে পাইয়। বসিবে ইহা বোধ হয় তাহারই পূর্বাভাষরূপে তাহার নাম- সহিটির মধ্যেও প্রকটিত হইয়াছিল আমরা ছোটরা তখন অস্ভুত মান্থুষটিকে দুর হইতে সসম্ত্রমে দাদাদের পড়িবার ঘরে আসা-যাওয়া করিতে ব৷ দাবা পাশা! খেলিতে দেখিতাম মাত্র

কিন্তু হেন শরৎচন্দ্র--সেই [:91৪- একদিন হঠাৎ আমার ছোট কুঠুরীর মধ্যস্থিত অতি ক্ষুত্র টেবিলটির পার্থে আসিয়৷ হাজির আমি ভয়ে ভয়ে উঠিয়া দীড়াইলাম-তিনি আমার কবিতার খাতাখানা টেবিলের উপর সজোরে ফেলিয়া বলিলেন “কি ছাই লেখো, খালি অনুবাদ-_তাও আবার ভূলেভরা নিজেরকিছু নেই তোমার লিখবার?”

শর্ং্দা

আমি শুনিয়াই পৌনে মরা কিন্তু কখন যে আমাদের আলাপ জমিয়! উঠিল এবং কবে যে তাহার খোলার ঘরের বইখাতাপত্রে ভর! টেবিলের পাশে বসিবার অধিকার পাইলাম তাহা! আজ স্মরণ হয় না; কেবল এইটুকু মনে আছে যে তাহার সেই প্রথম জীবনের সাহিত্য- সাধনার কুটীরের মধ্যে অতি সহজেই আমার স্থান হইয়াছিল দিনের পর দিন তাহারই সাহচধে রবীন্দ্রনাথের কাব্যকাননে প্রবেশ করিবার অধিকার পাইলাম

মনে পড়ে তাহার সেই ছোট ঘরখানির মধ্যে বসিয়া তাহার বাল্য- জীবনের কত কথাই ন৷ শুনিয়াছি। তাহার তখনকার অপটু লেখার মধ্যে কত না ভবিষ্যতের গৌববের ছায়া দেখিয়াছি এবং আশ করিয়াছি সর্বোপরি স্মরণ হয় তাহার জীবনের সঙ্গীদের কথা, ধাহাদের একজনকে অন্ততঃ তিনি পরবর্তী জীবনে শ্রীকান্তের ইন্দ্রনাথরূপে চিরকালের জন্য অমর করিয়া গিয়াছেন

শরংচন্দ্রের রসতষ্টা রূপই শেষ জীবনে প্রকটিত-_কিস্তু যৌবনে একাধারে নট, সঙ্গীতজ্, যন্ত্রী এবং কাব্যরসঙ্ঞ কবি -কত না নৃতন নূতন রূপে তাহাকে দেখিয়াছি মনে পড়ে ভাগলপুরের আদমপুর ক্লাবের ৬গিরীশচন্দ্র ঘোষের লিখিত 'জনা'র অভিনয় 'জনা”র পার্টের অভিনয়ে তরুণ শরৎচন্দ্র যে কৃতিত্ব দেখাইয়াছিলেন পরবর্তীকালে কলিকাতার প্রসিদ্ধ অভিনেত্রীর-(তিনকড়ি কি ? ) অভিনয়ের মধ্যে তাহা দেখিলাম কি না সন্দেহ। অন্ততঃ শরৎচন্দ্র অভিনয়ে যে গম্ভীর সংঘত তেজন্িতা শোঁকপ্রকাশের ভঙ্গী দেখিয়াছিলাম কলিকাতার প্রতিভাশালিনী অভিনেত্রীর উন্মত্ব উচ্ছাসের মধ্যে তাহা পাই নাই বলিয়াই স্মরণ হয়।

আমরা সে সময় যে পাড়ায় থাকিতাম তাহার নাম “খঞ্জরপুর” | সেই পাড়ার প্রতিবাসী বালক যুবকগণ শরংচন্দ্রের নায়কত্বে আমাদের লইয়া ছোট একট। থিয়েটার পার্টি গঠন করিয়াছিল তাহাতে যে অভিনয় হইত শরৎচন্দ্র ছিলেন তাহার প্রযোজক এবং

শরং-স্থৃতি ১৩

শিক্ষক সেই সময়ে অভিনয়ের পোশাকে যে ফটো তোল হইয়াছিল তাহার একখানি অনেকদিন পর্যন্ত আমাদের এলবামে ছিল--কিস্তু ক্রমশঃ তাহা বিবর্ণ হইয়া গিয়াছিল। তারপর আর তাহ! খু"জিয়া

পাই নাই।

এই থিয়েটারের রিহার্সাল অনেক সময় অস্ভুত অস্ভুত স্থানে হইত।

নদীর ধার ( তখনকার যমুনিয়া এখন নাই ) হইতে মুসলমানের কবর-

স্বান, দেবস্থান--কোনো স্থানই বাদ যাইত না। 91)815531991-এর

10109010110] 18775 1019810-এর গ্রাম্য অভিনয়-চেষ্টার সমস্ত

হান্ত করুণ রসটা আমরা প্রত্যক্ষ ভাবেই তখনঅন্থুভব করিয়াছিলাম

তখন অবশ্য আমাদের 91191719587 পড়িবার বয়স নয়, কিন্ত বিশ্বকবি যাহা! হয়ত কর্পন। করিয়াছিলেন আমাদের বেপরোয়া শরং-

চন্দের উৎসাহে তাহা বর্তমানকালে স্থুলেই ঘটিয়াছিল

তারপর মনে পড়ে, বেশী করিয়া মনে পড়ে আমার প্রিয়তম

স্বরেন, গিরীন, উপেনের কথা ।-_হহাদের দেখিবার পূর্বেই শরৎচন্ছের

কৃপায় ইহারা আমার আপনার জন হইয়! গিয়াছিলেন। উপেন

গিরীনের কবিতার প্রশংসা--তীাহাদের লিখিবার সাজসরঞ্জাম--কি করিয়া তাহারা আলমারির পাশে লুকাইয়া বসিয়। কবিতা লিখিতেন-_ কি করিয়! তাহারা বিষ্ভালয়ের পড়াশুনার অত্যাচারের মধ্যেও সময় করিয়। কাব্যদেবীর পুজ! করিতেন -সবই শরৎদার মুখে শুনিতাম__ সবই যেন এখন সেদিনের কথা বলিয়া মনে হয়। অথচ কোথায় তারা, আর কোথায় আমি !

তারপর কবে যে স্তুরেন গিরীনের সঙ্গে প্রথম দেখাশুন। হইল মনে নাই। শরংদার কৃপায় কখন যে বাঙ্গালীটোলার গাঙ্গুলী- বাড়ির মধ্যে আমার স্থান হইল ঠিক ম্মরণ করিতে পারিতেছি না। এইটুকু কেবল মনে আছে যে আমাদের একখান। হাতে-লেখা কাগজ

বাহির করিবার ব্যাপার লইয়া! এই ব্যাপার ঘটয়। ঃগিয়ছিল। বাঙ্গালীটোল! গাঙ্থুলী-বাড়ি, তখন ভাগলপুরের? বাঙ্গালীদের মধ্যে

১১ শরৎ-স্থৃতি

একটা শিক্ষা, দীক্ষা আভিজাত্যের গৌরবে গৌরবাদ্বিত। সেই গাহুলী-বাড়িতে ছুইটি অপরিণতবয়স্ক যুবকের সঙ্গে জড়িত হইয়া আমিও তাহাদের একজন হইয়া গেলাম। অবশ্য ভাগলপুরে আমাদের বাড়ির তখন একটু প্রতিপত্তিও ঘটিয়াছিল ; কারণ আমার ্বর্গগত পিতৃদেব তখন ভাগলপুরের প্রধান সবজজ

শরৎদ। একদিন হঠাৎ প্রস্তাব করিলেন যে, যখন আমরা এতগুলি কুড়ি-সাহিত্যিক ফুটি ফুটি করিতেছি তখন একটা কাজ করা যাক। একটা হাতের লেখা কাগজ বাহির করা যাক। যে মুহুর্তে বল! সেই মুহূর্তেই কার্যারস্ত।

এই মাঁসিকপত্রখানির সম্বন্ধে আমার প্রিয়তম বন্ধু শ্রীযুক্ত স্থরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় পূর্বেই কিছু লিখিয়াছেন। অতএব সে বিষয়ে কোনে! পুনরুক্তি না করিয়া আমার যতটুকু ম্মরণ হয় তাহাই এখানে লিখিতেছি। বিষয়ে আমার স্থাতি খুব প্রখর নয়, তাহা পূর্বেই বলিয়া রাখিতেছি। এই মাসিকপত্রখানা আমাদের কুড়ি- সাহিত্যিকদের সভার মুখপত্র হইল। ইহার প্রথম সম্পাদক যোগেশচন্দ্র এবং যুদ্রাকর গিরীন্দ্রনাথ, লেখক অনেকগুলি এবং লেখিকা মাত্র একটি--তিনি আর কেহ নন, আমারই অস্তঃপুরচারিণী বিধবা ভগ্নী শ্রীমতী নিরুপমা। ইনি আমাদের বন্ধুদের দৃষ্টিপথের অন্তরালে থাকিয়াও আমাদের বন্ধুবর্গের একাস্ত আপনার ছোট বোনটিই হইয়াছিলেন। হহার তখনকার লেখা! কবিতা ব৷ প্রবন্ধ যাহা কিছু আমাঁদের সভার জন্য লিখিত হইত তাহা! আমাকেই সভায় পাঠ করিয়া শুনাইতে হইত এবং সভার মতামত আমাকেই বাড়ি গিয়। শুনাইতে হইত। আমাদের সাহিত্যসভার গুরুগন্ভীর মন্তব্য তখন তাহাকে কখনো হুঃখ কখনো আনন্দ দিয়াছে--কিস্ত আজ ভাহা কেবল স্থুখেরই স্মতিমাত্র।

সাহিত্যসভা- হ্যা, সত্য-সত্যই একটা সাহিত্যসভা এই তরুণদের মধ্যে গড়িয়া উঠিয়াছিল। মাসিকপত্রখানির নামকরণ হইয়াছিল

শরৎ-স্বৃতি ১২

“ছায়া” এই সাহিত্যসভার অধিবেশন যে কোথায় কোনদিন হইত তাহার ঠিকানাই ছিল না। যেমন বেপরোয়া বেদীড়া তরুণ- সাহিত্যিকেব দল -তেমনি ছিল তাহাদের মিলিত হইবার স্থান কখনো! বাঁ ভাগলপুরের সরকারী বিগ্ভালয়ের মস্ত বড় বাঁধাঁন পয়ে।নালীর মধ্যে পা ঝুলা ইয়া! বসিয়া সভ্যগণের প্রবন্ধ পাঠ এবং আলোচনা_-কখনো। কোনো মাঠে বা গাছতলায় বা টিলার উপর চড়িয়া এই সব তকণ-প্রাণের নিবিড় মিলন ইহার মধ্যে টেঁচামেচিও ছিল, তর্কাতকিও ছিল -সবই ছিল। প্রয়োজন যখন মিলন, তখন, বিনা প্রয়োজনের কমব্যস্ততাই ছিল আমাদেব একমাত্র কর্তব্য

এই সময় শ্ীযুত উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় বোধহয় কলিকাতায় পড়িতেন। তিনি এবং তাহার কয়েকটি বন্ধুতে মিলিয়৷ ভবানীপুরে আমাদের “ছায়ারই, মতো আর একখানা কাগজ হস্তযন্ত্েই বাহির করিয়াছিলেন তাহার নামটা ঠিক স্মরণ হয় না_-বৌধহয় “তরুণী” যাহাই হউক. সেই কাগজখানা আমাদের ছায়ার বিনিময়ে ভাগলপুরে পাঠানো হইত। আমরা তাহা পাঠ করিয়া ফেরত পাঠাইতাম। বোধহয় শ্রীযুক্ত সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় ভায়ারও তরুণীতেই সাহিত্যসাধনার হাতে-খড়ি। আমাদের গছায়াতে কাগজের লেখকগণের মুগ্ডপাত হইত এবং যথানিয়মে আমাদের যুগ্ডপাতও ভবানীপুরের বন্ধুরা তাহাদের কাগজে করিতেন। কী গুরুগন্ভীর সেই সমালোচনা--যদি সে সময়ের “সাহিত্য”পত্রিকার সম্পাদক ৬মুরেশচন্দ্র সাজপতি মহাশয়ও তাহ পড়িতে পাইতেন তাহা হইলে তিনিও নিশ্চয় বুঝিতেন যে তাহার উপযুক্ত সমালোচক-বংশধর তখনই অনেক বাঁশবনের ঝোপেঝাড়ে প্রচুর গজাইয়া উঠিতেছে !

শরৎচন্দ্র চিরদিনই বেপরোয়া কোনো ছিধা তাহাকে কখনো: বাধা দিতে পারিত না এবং শেষ জীবনে এই একান্ত নির্ভীকতার ভাবকেই সাহিত্যের মধ্যে প্রবেশ করাইয়া! কত না নূতন জীবনের স্ষ্টি এবং নূতন ভাবকে রূপ দিয়া গিয়াছেন। সেইজন্যই বোধহয়,

১৬৩ শবত্দা

তিনি বাল্যজীবনের এই সঙ্গী কয়টির অনেকেরই মধ্যে ইহা সঞ্চারিত করিয়! তাহার ক্ষুদ্র সঙ্গী কয়টিকেও এই সময় অনেকট! বেপরোয়াই করিয়া তুলিয়াছিলেন। তাহার ওই পরম নিরভীকতা যে আমাদের মধ্যে কতখানি প্রবেশ করিয়াছিল তাহার ছু'টো-একটা উদাহরণ দিই

আমাদের খঞ্জরপুরের বাড়ির পাশেই একট! মসজিদ ছিল এবং হয়তো গখনও আছে। তাহার মধো কতকগুলা কবর আছে। আমরা হিন্দুর ঘরের ভীরু ছেলে, কিন্তু এই পরম সাহমিকটির সঙগুণে “মামদেো” ভূতই ৰল-_আর ব্রহ্মদৈত্যই বল--সকল ভয়কেই তুচ্ছ করিতে শিখিয়াছিলাম | কত গভীর অমাবস্যার অন্ধকার রাত্রি এই কবরস্থানের মধ্যেই কাটিয়! গিয়াছে শরৎদার বাঁশি চলিতেছে-_ না হয় হারমোনিয়াম সহ গান চলিতেছে এবং আমর। ২।৪ জন বসিয়। তন্ময় হইয়! শুনিতেছি। কখনো! ব। গভীর অন্ধকার রাত্রে গুরুজনের রক্তনয়ন এবং দাদাদের চপেটাধাত উপেক্ষ। করিয়া গঙ্গার চড়ায় ঘুরিয়া বেড়াইয়াছি কিংব! থিয়েটারের রিহাপ্লাল-কক্ষে বাশ মাথায় দিয়! সতরঞ্চিতে পড়িয়। রাত্রি কাটাইয়াছি। বাল্যকাল হইতে তিনি ভয় কাহাকেও করিতেন না এবং কোনে ম্যায়-অন্ঠায়ের বাধাও তাহাকে ঠেকাইয়। রাখিতে পারিত না। বহুদিনের বহু কার্ধে তিনি ইহ! দেখাইয়াছিলেন এবং সেইজন্যই বোধহয় তাহার পরবর্তা জীবনে তাহার নিজ প্রকৃত জীবনের এবং স্থষ্ট জীবনের মধ্যেও সেই একান্ত নিভীকত! পরিন্ফুট হইয়াছিল আমাদের মতো অনেক ভীরু যেখানে গিয়া থামিতে বাধ্য হইয়াছে, তিনি সেখানে থামেন নাই। তাই আজ ভাহার সাহিত্যিক অন্ুবতিগণ তাহার সেই বেপরোয়।৷ ভাবটাকেই আরও বাড়াইয়৷ ফুলাইয়া তুলিবার শক্তি পাইয়াছেন। তরুণ অবস্থাতেই তিনি যেন কোনে নিয়মের ধারা মানিতে চাহিতেন না। তিনি যেন জীবন দিয়! অনুভব করিয়াছিলেন যে, স্থপ্টির ধারার মধ্যে কেবল যে নিয়ম আছে তাহ! নয়, বেনিয়মও আছে। স্থি ব্যাপারটা

মধ্যে অনেকটাই খেয়ালীর খেয়াল আছে এবং কাজ করিতেছে। শ.-শ্থ.-৩

শরৎ-স্থতি ১৪

ঢ৬০14010৮-এর মধ্যে “সহসা” শববং *হঠাতের” স্থান অনেকখানি তাই বোধহয় তন্ত্রশান্ত্রে দেখ! যায় যে মূলাধার-চক্রের অধিষ্ঠাতা-_ চতুরবাস্থযুক্ত ব্রহ্ম! শিশু-_

“শিশুঃ স্যত্টিকারী লসদ্বেদ বাঃ 1” তাহার এই নিভীঁকতা এবং শিশুনুলভ বেয়াড়! বোগাড়া ভাৰই তাহার জীবনকে শেষ পর্যস্ত সামাজিক সমস্ত নিয়মকানুন মানার বিরুদ্ধে দাঁড় করাইয়াছিল তিনি যেমন প্রাকৃতিক সামাজিক নিয়ম কোনোটাকেই নিজের জীবনে তেমন আমল দেন নাই, প্রকৃতি সমাজ কতকট। সেইজন্ই যেন তাহার স্থল দেহটাকে ক্ষমা! করে নাই। আমার মনে হয় যে, তাহার এই অকালমৃত্যু-এই যশ সৌভাগ্যের মধ্যাহু-গগনে হঠাৎ শরংচন্দ্রের চিরতিমিরাবৃত হওয়ার কারণও সেই আপনার উপর অধথা বলপ্রয়োগ কিন্ত তিনি যে আত্মজীবনসমুদ্্ন্থন প্রথম হইতেই আরম্ভ করিয়া- ছিলেন তাহাতে তাহার নিজপক্ষে হলাহুল উঠিলেও বঙ্গসাহিত্যের পক্ষে স্থধ! উঠিয়াছে--কি বিষ উঠিয়াছে তাহার বিচার করিবার অধিকার (বোধ হয় আমার নাই। কারণ সাহিত্যে যে পথ তিনি ধরিয়াছিলেন আমার ন্যায় ভীরু মে পথে অগ্রসর হুইতে না পারিয়া সরিয়া দাড়াইয়াছিল। যাক সেকথ।, কিন্তু, এট। ঠিক যে, রস-তষ্টার ব্যক্তিগত জীবনের স্ুখছুঃখের মন্থন হইতেই চিরদিন শ্রেষ্ঠ শিল্পন্থষ্টি হইয়াছে শরৎচজ্দ্রের পক্ষেও সে নিয়মের ব্যতিক্রম হয় নাই। শরংচন্দ্রের জীবন-দেৰতাও তাহার জীবনকে নিঙ্ড়াইয়ইি রস বাহির করিয়া ছাড়িয়া দিয়াছিল। তাহার জীবনের আর একট' কথ! এবং বোধহয় সর্বাপেক্ষা বড় কথা __ তাহার অসাধারণ ভালবাসার ক্ষমতা শেষজীবনে যে ভালবাস! পোষা পার্ধী এমন কি সামান্ত একটা র্লাস্তার কুকুরের জন্যও অজত্র

ব্যয়িত হইয়াছিল--পূর্বজীবনেও তাহা! আমরা যে কতবার কত রকমে অমুপ্ধব করিয়াছি তাহ! বলিতে গেলে সামাস্ক একটা প্রবন্ধে কলাইবে

১৫ শরতদ]

না-প্রবন্ধটা গল্পে পরিণত হুইবে। সেই ভালবাসাই বহুদিনের বিস্বাতির আবরণকে ভেদ করিয়া হঠাৎ একদিন হুইটি চ03130830 76:-এর আকারে আমার আমার ভগ্্ী নিরপমার নিকট উপস্থিত হইয়াছিল। নিরুপমা তখন দিদি অন্পপূর্ণার মন্দির প্রভৃতি প্রকাশ করিয়া বঙ্গসাহিত্যে কিছু যশ অর্জন করিয়াছেন, আমিও তখন “ব্বেচ্ছাচারী” লিখিয়৷ ভারতীতে ছাপাইয়াছি। শরৎদ! যে কোথায়, তাহাঁও যেন তখন আমাদের তেমন ম্মরণেই ছিল না। এমন সময় আমার নামে একটি একেবারে সোনার কলম, নিরুপমার নামেও একটা ৮/৪51019) | আমি তো উহা! পাইয়া অবাক ! এত দামী কলম লইয়া কি করিব?

“আছে শেষে সেটা চোরের ভাগ্যে” এই মনে করিয়া শরংদাকে পত্র দিলাম | তিনি পিখিলেন-_-“বেশ করেছি দিইছি, তোকে ওতেই লিখতে হবে।” যেমন অদ্ভুত বের্দাড়। মানুষ, তেমনি তাহার হুকুম আমি উহা ফেরৎ পাঠাইয়৷ লিখিলাম যে--এ তো! একট গহনা, দিয়ে কখনো লেখ! যায়! আপনি যা দিয়ে লেখেন তাই একটা পাঠাবেন ;১--বাস, আর কোথায় যাইৰ--আর একট! রূপায় মোড়া প্রকাণ্ড লেখনীর বংশদগাঘাত

আজ তিনি চলিয়া! গিয়াছেন-কিন্তু সেই কলমও চলিয়া গিয়াছে। চোরের! তো৷ আমার শরতদ| নয় আমি অবস্ঠ লজ্জায় সেকথা তাহাকে লিখিতে পারি নাই _কিস্তু সে হুঃখট। আমার বুদ্ধ বয়সের মনের সবভোলার ঘরের মধ্যেও নিভূ'লভাবে জম! হইয়! রহিয়াছে লিখিতে বসিয়। আজ আমার এই শুঞচক্ষেও জল আসিতেছে

আমার লেখায় পৌর্বাপর্য স্থির থাকিতেছে না ; কিন্ত আমি নিরুপায়__ পুর্বেই বলিয়াছি যে, গানের মাত্রা-তাল ঠিক রাখা বয়সে আমার দ্বার অসম্ভব--অভীত অনাঘাত, সব কাক- সবই গুলাইয়া যাইডেছে।

শরতচজ টিস্যুর এন হি 1ঞঞসিকের উপস্তাস

শরৎ-স্থৃতি ১৬ পড়িতেন তাহ। এখনো আমার মনে আছে। মিসেস্‌ হেনরি উড. এবং মারি করেলীর উপন্যাসের তিনি একজন ভক্ত পাঠক ছিলেন এবং লর্ড লিটনের প্রতিও তাহার যে শ্রদ্ধা ছিল তাহারই প্রমাণ তিনি দিয়া গিয়াছেন লিটনের 24) ট০৮৪]-এর ধরনে শ্রীকান্তের পর্বের পর পর্ব চালাইয়া। অবশ্ত শেষজীবনের বড় বড় উপন্যাসগুলির বিষয় আমি কিছু বলিতে পারিব না কারণ তাহার সহিত আমাৰ ২১২২ বৎসর বয়সেই প্রত্যক্ষ যোগ একপ্রকার কটিয়। গিয়াছিল এবং ঠাহার বাংলার বাহিরের জীবনের সহিত আমার একেবারেই পরিচয হয় নাই তবে তিনি নিজের উপর যে প্রচণ্ড অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষ অনুভূতির অত্যাচার চালাইয়াছিলেন, তাহার ফল তিনি সাহিত্যজগতে অকৃপণ হস্তে টালিয়।৷ দিলেও কিন্তু নিজের ব্যক্তিগত জশবনেব প্রতি তিনি অত্যন্ত অবিচারই করিয়াছিলেন নহিলে এত শ্রীত্রই তাহাকে আমরা হারাইতাম না।

তিনি যখন রেঙ্ুনে ছিলেন তখন ছু' একখানি পত্র আমায় লিখিয়া- ছিলেন। ছূর্ভাগ্যক্রমে চিঠিপত্র গুছাইয়! বাখ , কোনো কিছু গুছাইয়। রাখ আমার অভ্যাসের বাহিরে তাই সে সমস্তই আমি হারাইয়। বসিয়াছি। আজ তাহা থাকিলে তাহার জাবনচরিত রচনায় হয়তো সাহায্য হইত

পরিণত জীবনে তাহার বাজেশিবপুরের বাড়িতে কয়েকবার তাহার সহিত আমার দেখ। হইয়াছে তখন তিনি সাহিত্যজগতে সুপ্রতিষ্ঠিত শ্রবং সেই প্রতিষ্ঠার দায়ে তিনি মহা-আতম্কগ্রস্ত হইয়া ভিড়ভীতিগ্রন্ত শেষজীবনে তিনি কংগ্রেসের কাজে যোগ দিয়াছিলেন ; কিন্তু আমি যখন আমার সেই তাকিয়াপ্রেমিক তাম্রকুটরসিক দাদাটির কথা স্মরণ করিতাম, তখনি ভাবিতাম সেই 4১£:0০718-গ্রস্ত মানুষটি কি করিয়া ভিড়ের মধ্যে দাড়াইয়৷ বক্তৃতা! করিতেন ওকথা বাউক-_ সেই বাজেশিবপুরের বাড়িতে যখন তাহাকে দেখি, তখনে। দেখিলাম

সেই আমার বা্যু্ীবনেন/তাল্বাসুসব্য মাস্যটি সেখানে নানা

১৭ শরত্দা

ভক্তপরিবেষ্টিত হইয়াই রহিয়াছেন। সেই হাঁসি-_সেই চঞ্চলতা-_ সেই মহাব্যস্ততা

আমি এবং আমার একটি পরম বন্ধু স্ত্রীযুক্ত অতুলচন্্র দত্ত উভয়ে যখন ছুয়ার ডিঙ্গাইয়া ভিতরে প্রবেশ করিলাম তখন একট! বিশ্রী কালো কুকুর আমাদের যে শভার্থন৷ করিল তাহা স্মরণ করিলে এখনো মনে হয যে, £9190001015-গ্রস্ত মানুষের উপযুক্ত দারোয়ানই তিনি স্থাপন করিয়াছিলেন | [ঢ901:0100618-র ভয় দেখাইয়া! তিনি বোধ- হয নিজের জন্য একট বিশ্রামের অবসর করিয়া লইতে পাবিয়াছিলেন। কুকুরটার টেঁচামেচিতে উপর হইতে বকিতে বকিতে নামিয়া তিনি যখন দেখিলেন যে, আর কেউ নয় -তাহারই পুঁটু-তখন আর- এক মতি। সেই চ্পিপাপচিত তি আমর! গিয়াছিলাম কিছুক্ষণ আলাপ করিঘ ফিবিবার শুম্থা, কিন্তু হইল ঠিক তার বিপরীত--তিন দিন তিন রাত্রি অবিশ্রান্ত গল্পঞুজব এবং অত। তজীবনের পাতার পর পাতা টপ্টান। ক্রমাগত ঘণ্টার পব ঘণ্টা চা, তামাক এবং মাঝে মাঝে নানাবিধ খাবাবের মত্যাচারে আমরা ছুই বদ্ধুতে ক্লান্ত হইয়া পড়িলাম : কিন্তু শরৎদার ভালবাসার শ্রাস্তি ক্লান্তি নাই আমি শেষে ব'ললাম-_ “শবদা, আপনাব এই ০১3০৪১৪ কুকুরটার প্রথম অভ্যর্থনায় মনে হযেছিল যে, আপনি বুঝি কাল-ভেরবের সাধনায় মন দিয়েছেন, কিন্ত যে দেখছি একেবারে সেই আগেকার নটরাজের মৃত্তিই বেরিয়ে এল ।” শবৎদ কোনে। উত্তর ন। দিয়! সেই কুকুরটার মুখ ধবিয়া চুহ্বন করিলেন মণ

তাহার অতি-ভালবাসার আর একটা নিদর্শন বিশ্রী কুকুরটাই | সে কুকুরটার কথ; অনেকেই লিখিয়াছেন কিন্তু সেই কুকুরের মালিকটার প্রাণটা বুঝিতে নিশ্চয়ই কাহারো তল নয় নাই শরংদা এরকমেরই মানুষ ছিলেন তাহাকে যে একটু ভালবাসিয়াছে, তাহার কাছে তাহার কোনে! কিছুই ঢাকা থাকিত না| এই ক্লেহময় প্রারণটার সমস্তটুকুই ছিল একেবারে খোলা দোষ বল, গুগ বল--সমন্তই ছিল

শরৎ-প্বতি ১৮

উদার উন্মুক্ত। যেমন ছিল তাহার খিলখিল তরল-হাসি, তেমনি ছিল তাহার তরল স্বচ্ছ ব্যবহার | তরল সরস প্রাণটি যেমন আঘাত-অদহিষু। ছিল, তেমনি ছিল পরের বেদনায় দরদী। তাহারই মুখে শুনিয়াছি যে, তিনি তাহার প্রতিবেশীর একটা গকর প্রসববেদনার কাতরধবনিতে সারারাত্রি অনিদ্রায় কাটাইয়াছিলেন এবং সেই মুক অলহায় জীবের যন্ত্রণার উপশম করিতে না পাবিয়' সারারাত্রি স্ষ্টিকর্তাকে গালি পাড়িয়াছিলেন | বিশ্বরচনার মধো কোথায় যে গলদ আছে তাহ' অবশ্য কেহ বলিতে পারে না “আনন্দাদ্ধেব খন্বিমানি ভূতানি জায়ন্তে” বলিয়া সহআ বেদবেদান্ত চীৎকার করিলেও জন্মমৃত্যুর হঃখানুসঙ্গিত। লক্ষা না করিয়। মানুষ পারে না ক্রেহময় শরৎদাও পারিতেন ন।।

বাল্যজীবনে শরংদা যে সমস্ত ওপন্তাসিকের লেখ বেশী করিয়া পড়িতেন তাহার মধ্যে চার্লস ডিকেন্স্‌ বোধহয ঠাহার পাছে বেশী আদর পাইয়াছিল। অনেকদিন ডিকেন্সের ডেভিড কপাবফিল্ড হাতে করিয়া এখানে সেখানে-_আবাড়ি ওবাড়ি পর্যন্ত করিতে দেখিয়াছি | মিসেস্‌ হেনরী উডের ইস্টলিন্খানি প্রায় তদনুরূপ আদ্বই পাইয়াছিল। কিন্ত শরৎচন্দ্রের শেষবয়সের লেখার মধ্যে ডিকেনন ব! উডের লেখার তেমন প্রভাব দেখা গিয়াছিল কি ন। সন্দেহ। বোধহয় মধাবয়সে কর্সিকাত রেঙ্গুন প্রভৃতি স্থানে তিনি যে সমস্ত আধুনিক লেখকদের লেখার সহিত পরিচিত হুইয়াছিলেন তাহারই ফল তাহার লিখিত উপন্ঠাসে প্রচুর পরিমাণে দিয়া গিয়াছেন।

শর্চন্দ্রেরে লেখার দোষগুণ সম্বন্ধে বলিবার কোনো অধিকার আমার নাই। তিনি আমার বাল্যজীবনের সাহিত্যসাখনার গুরু-_ তাহার রচনা বিষয়ে আমি কিছু বলিবার স্পর্ধা রাখি না। তাহার সাহিত্যিক এবং রসন্ত্টির মত ধারা আমর। সব সময় অনুসরণ করিতে পারি নাই এবং সেইজন্তাই বিষয়ে ভবিষ্যৎ রসজ্ঞের উপর ভার দিয়া আমাদের সরিয়! দাড়ানই শোভন

আমাদের শরৎ দাদা নিরুপম! দেবী

আমর! ভাগলপুরে থাকাকালীন তাহার প্রথম সাহিত্য-জীবনে তাহাকে [ শরংচন্দ্রকে ] যে জানিতাম এই কথার কেহ কেহ আলোচনা করিয়াছেন"

আমার দাদার তাহাকে কতদিন হইতে জানিতেন তাহা ঠিক জানি না (মেজদা ৬ইন্দুভূষণ ভট্ট বোধহয় তাহাকে “আদমপুর ক্লাবেই” প্রথম জানেন )। কিস্তু আনি জানিলাম যখন আমার লেখ! কবিত। লইয়' দাদারা অত্যন্ত আলোচনা! করেন তখন। দাদাদের এক বন্ধু তাহাব নাম শ্রীশরৎচন্দ্র (মেজদ। কিন্তু ইহাকে "্যাড়া' বলিয়াই উল্লেখ করিতেন )_ তিনিও দাদাদের মারফং আমার লেখার পাঠক এবং সমালোচক প্রথম জীবনের সে অকিঞ্চিংকর লেখার পাঠক আমাদের পরিবারের কয়েকটি সমবয়স্কদিগের মধ্যেই পূর্বে আবদ্ধ ছিল। দুইটি ভাজ, একটি ভগ্নী এবং একটি ছুই বৎসরের বড় সহোদর ভাই--ইনিই শ্রীযুক্ত বিভূতিভূষণ ভট্টর। ফাস্ট ইয়ারে ব' স্কুলের ছাত্ররূপে তিনিও তখন অজস্র কবিতা! লিখেন, তাই আমার সহযাত্রী হইলেন। ভাজ দুইটির কল্যাণেই আমার দেই লেখ। বৈমাত্রেয় বড় ভাই ভগিনীপতি প্রভৃতির মধ্যে প্রচারিত হইয়! ক্রমে তাহাদের বন্ধুমহলেও প্রচারিত হইয়াছিল

ইহার অল্পদিনের মধ্যেই মেজ ভাজ মেজদার নিকট হইতে এক বৃহদায়তন খাতা আমাদের সেই হ্ষুদ্জপরিসর “সাহিত্যচক্রে' (যাহাতে তদানীস্তন বাংলার বিখ্যাত লেখকদিগের গগ্ভ উপন্যাস এবং কাব্য- কৰিতাদি পঠিত আলোচিত হইত সেইখানে ) হাজির করিলেন। তাহা! অতি সুন্দর ক্ষুত্র ক্ষুন্্ হস্তাক্ষরে লিখিত, নাম "অভিমান? শুনিলাম, দাঙ্গাদের উক্ত বন্ধু শরৎচন্ছ্রই ইহার লেখক গল্পটি পড়িয়া যখন আমরা দকলে অভিভূত তখন মেজদা সাড়ম্বরে গল্প করিলেন যে-_

শরং-স্থতি

“এই গল্পটি প'ড়ে একজন শ্াড়াকে মারতে ছুটে, তাকে তখন এই পাঠকের ভয়ে ক'দিন লুকিয়ে বেড়াতে হয়।” ক্রমে বৌদিদি দাদার নিকটে তাহার বন্ধুর সম্বন্ধে আরও কিছু কিছু গল্প সংগ্রহ করিয়া আমাদের মধ্যে প্রচার করিলেন আমরা তখন “অভিমানের? লেখকের উপরে অতান্ত শ্রদ্ধীসম্পন্ন। সেই উদাসী কবি-্বভাব বিশিষ্ট লেখকটিকে আমাদের বাসার পশ্চিমদিকে যে প্রকাণ্ড মস্জেদ ছিল ( শুন। যাইত তাহা নাকি সাজাহানের আমলের ) তাহার বৃক্ষস্ডায়াময় পথে কখনে। কখনে। দেখা যাঁইত। কোনে গভীর রাত্রে সেই মস্জেদের সুউচ্চ প্রাঙ্গণ-চত্বর হইতে গানের শব, কখনো “যমানিয়া”” নদীর (গঙ্গার ছাড়) তীর হইতে বাঁশীর আওয়াজ ভাসিয়। আসিলে মেজদা মেজবৌকে শুনাইয়! বলিতেন, “এ ন্যাড়াচন্দ্রের কাণ্ড ।' আমাদের সেই অল্পদিন অধিকৃত বাসাটি উক্ত নদীর