প্রথষ প্রকান্ধ £ ২৫শে বৈশাখ, ১৩৬৬

প্রকাশক £

শ্ীপরাণচজ্ মণ্ডল

১৪, রমানাথ মজুমদার ভ্রাট কলিকাতা-৯

গ্রস্থন £ ব্যানাজি এগু কোং ব্লক : স্ট্যাগ্ডার্ড ফটে। এনগ্নেভিং কোং মুত্রণ : মোহন মুত্রণী

মুত্রাকর--বক্ষিমবিহারী রায় অশোক প্রিন্টিং ওয়ার্কস ৭/এ বলাই সিংহ লেন, কলিকাতা

প্রচ্ছদপট $ কাফি খা

বিষয় ঘুচী প্রথম স্তবক : রবীন্দ্র জীবন

১১ ১৮৬১-৯১ রি রর ২: ১৮৯১-১৯০৬ ০০০ ১৬ ৩৪: ১৯০৬-১৪ *্** ২৫ 88 ১৯১৪-২৩ ০৯৯৩ ৩৩ ৫: ১৯২০-৩১ *ত৭ ৩৮ ৬৪ ১৯৩১-৪১ নি ৪৭ স্বিভীয় স্তবক £ রবীজ্জ সাহিত্য ১: কবিতা **, ৬১ ২: নাটক ৬৫ ৩: উপন্যাস হু, 8 গল্প " ৪৪৫ ৭9 £ গন্ধ সাহিত্য + ৭শ ৬ঃ শিশু সাহিত্য ৮১ ইংরেজী রচনা ৮৪

১১৩ £ শিল্প-কল৷ রি ১১৭

[ **

চতুর্থ স্তবক : রবীজ্ঞা চর্চা

£ বধীন্দ্র-হনের দার্শনিক তিদ্বি £ পূর্বাচার্ধরা রবীন্রনাখ

£ শিল্পনায়ক রবীননাথ

£ রবীন্ত্র মানসিকতার ঘৈত-রূপ £ রবীজনাথের নাটা-কাব্য

: রবীন্দ্র সঙ্গীত সন্দ্ধে

৭: রবীন্তরনাথের বিরুদ্ধে

পরিশিষ্ট

রবীন্জ্রনাথের সমন বই ইংরেজী বই

5272

]

১২৭ ১৩২ ১৪5 ১৪৮ ১৫৩ ১৫৪

১১৩

১৭২ ১৭৭

গোড়ার কথা

রবীন্দ্রনাথের জীবন, সাহিত্য যতাষত সম্বন্ধে সাধারণ হান্গষের বোধযোগা সম্পূর্ণ অথচ সংক্ষিপ্ত একখান! বই লেখার অন্থরোধ পক পেয়েছি অনেক জায়গা থেকেই। কিন্তু বিষয়ে সব চেয়ে বেশী উদ্দীপনা দেন আমাকে কলকাতার উপকণ্স্থিত একটি শিল্প-সহরের জনৈক প্রবীণ কবিরাজ তিনি বলেন, ছোট্ট করে সহজ করে যা-কিছু জানার কথা, বোঝার কথা, সব যদি লেখেন কবি সম্বন্ধে, একমাআ তাহলেই উপকার হয় আমাদের যতো যাছযদের | আমরা পডেছিও কষ, জানিও কম, কিন্তু শ্রদ্ধা বা আগ্রহ কম নয় আমাদের! সেই আগ্রহ মেটাবার মতো বই কৈ?

এঁ ভদ্রলোকের কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুপ্রেরণা থেকেই স্থত্ত্রপাত এই বইয়েব। এতে রবীন্দ্র জীবনের সবগুলি দিকের মোটামুটি বিবরণ আছে, আছে রবীন সাহিত্যের সবগুলি বিভাগের আলোচন। এবং রবীন্দ্রনাথ সম্বদ্ধে সচরাচর সকলের মনে উদ্দিত হয় যে জিজ্ঞাসাগুলি, তার প্রত্যেকটারই উত্তর আছে। আমি শুধু লক্ষ্য রেখেছি, আলোচনা যাতে দীর্ঘ না হয় এবং পণ্ডিতী বিচারের জটিলতায় সোজা! কথাগুলি কোথাও যাতে হারিয়ে ন! যায়! রবীন্দ্রনাথের জীবন ঘননের একটি সামগ্রিক কাঠাঁষে! হিসাবে এই বইই বোধ হয় বাংলা ভাষায় প্রথম এবং রকম প্রচেষ্টা যতটুকু সফল হতে পারে, তার বেলী প্রত্যাশা আমি করব না। এই রচন! থেকে যদি কেউ রবীন্দ্রববোধে এত- টৃকুও উদ্ধদ্ধ হন, তাহলে সে-ই হবে আমার সেরা পুরস্কার।

এই বই রচনায় আষি প্রধান সহায়ত! নিয়েছি রবীন্দ্রনাথের নিজের লেখা থেকেই আপন জীবন ধননের ব্যাখ্যাতা হিসাবে তার ঘতে। উদারহ্ত্ বোধহয় পৃথিবীর আর কোন ষনীষীই নন। ছাড়া বিধুশেখর শাস্ত্রী, ক্ষিতিষোহন সেল, হরিচরপ কবিরত্ব,র নন্দলাল বন, রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রতিযা দ্বেবী, হেষলতা৷ দ্বেবী, প্রশাস্তচন্ত্র হহলানবীশ, অমল ছোষ, প্রভাত- কুষার মুখোপাধ্যায় প্রভৃতির লেখা রবি-প্রসঙ্গও নালা অধ্যায়ে মূল্যবান আলোকপাত করেছে। রবীন্দ্র তত্ব-বিচারেও ব্জেন্ত্রনাথ শীল, অরবিন্দ ঘোষ,

[1 ]

রামেম্রহুদ্দর ভিবেদী, বিপিনচ্জ পাল, প্রিয়নাথ সেন অজিত চক্রবর্তী থেকে সুকক করে, হরেজনাধ দাশগুপ্ত, বিনয়কুষার সরকার, রাধাকমল মুখোপাধ্যায়, হ্নীতিকুষার চট্টোপাধ্যায়, ধূর্ঘটিপ্রসা্ মুখোপাধ্যায় অতৃল- চ্্র গুপ্ত পর্যন্ত গণনীদ্ বাক্কিদের সকলের আলোচনা-গবেষণাইি একযোগে আমার রকমারি সিদ্ধান্ত গঠনে সহায়তা করেছে। করেছে লেভী, লেজনী, ফথিকি, টমসন, যেটস, আর্পেষ্ট রীজ, রোটেনষ্টাইন, কারপালে খরা জিদ প্রমুখ বিদেশীদের লেখাও। কিন্কু কারো কোন বিচার বা অভিমতই ভালো করে যাঁচিয়ে বাজিয়ে ভিন্ন গ্রহণ কর! হয় নি এই বইয়ে।

এই বই লেখা প্রকাশে ধাদের সাহাধা আমার মব চেয়ে বেমী উল্লেখযোগ্য খনে হয়েছে, সাহিত্যাঙজ খধি দাস তার মধো প্রধান। এছাড়া স্মেহভাজন ছাত্র অধ্যাপক শুদ্ধলঘ বন্ধ এবং শিল্পী-বন্ধু গ্রফুল্লচন্্র লাহিড়ীর সহায়তাও নানা ভাবেই ম্মরধী্গ। প্রকাশক বন্ধু শীপরাণচন্ত্র মণ্ডল অতি অল্প সময়ের মধো নিখুত মুত্রণ অঙ্গসঙ্জাসহ বইটি রবীন্র শতবাধিকীর আসরে উপস্থাপিত করেছেন, এজস্বে তার কাছেও আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।

যুগান্তর সম্পাদকীয় দপ্তর : নঙ্গগোপাল সেনগুপ্ত

২৫শে বশাখ, ১৩৬৮

প্রথম স্তন্বক্ষ

রবীন্দ্র জীবন

রবাজদাথ কাজ কম কয়েন দি জীবমে। যৌধনে জহিদারী চালিয়েছেন, ব্যধসা-যা পি] চালিয়েছেন, পঞ্জিকা সম্পাদন বছেছেন, খগেনী-আম্বোলনে দাযিত্বজজক অংশ ছিযেের'। 'প্রোচ বয়লে শান্তিদিকেতন শিক্ষাকেন্ত্র ছাপন পরিচালন হয়েছেন, জঞাদে-বর্ষে ঘহিজগাতের সজে ভাতের সন্বন্ধদূ প্রতিটা নায়কপ্তা করেছেম। ঘার্ধকোও দেশের জীঘন যনন ক্ষেত্রে খনি এসেছে কোন-না-কোন সন্ট-মুহুর্ঠ, তখনি তিনি এসে দীড়িয়েছেন তার পুয়োভাগে। জালিয়ানওয়াল] বাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিযাজ রাজন উপাধিত্যাগ খেকে বুক করে, ছিজলী হন্পীনিবাসে রাজনীতিক বন্দীর ওপর গুলি চালানোর প্রতিবাদ, অথব! কারাগারে অনখবত্্তী গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎকায় পবস্ত, সমস্ত বিপর্যয়েই দেশ ফাকে অগ্রণী হতে দেখেছে এমন কি, শেষ ফোগশয্য। থেকে যে বিবৃতি দিয়েছিলেন রাথযোনের উক্চির প্রত্যুয়ে, তাতেও ভার এট ফর্মততপরতারই পরিচয় পাওয়া যায়।

কিন্তু একটু মলোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করেই দেখ! বাধে যে এই বিচিত্র কর্মন্প্রবাহের ভেতর দিয়ে বয়ে গেলেও, জীবনে তিনি কোন দিন একট! কাজকেই সমগ্রভাবে আশ্রয় বা অবঙগত্বম করে খাকেন নি, একমান্ত সাঞ্চিতা-সাধন! ছাড়া নিত্য নূতন কাজের ভেতর দিষে ভিনি নিজেকে প্রকাশ করে গেছেন। সাহিতোর ক্ষেতেও ভাকে বারযার নূতন আঙ্গিক নুতন আদর্শের পরীক্ষা নামতে দেখ! গেছে কখনো গল্প লিখেছেন, কখনে! লিখেছেন উপন্যাম-নাটক, কখনে। এসেছেন প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কখনে। ধ্বনিগন্তীর অলন্ৃত সাধূতাধ! খ্যবহ্ার করেছেন, কখনো ধরেছেন আটপৌরে কথা ভাষাকে এমন কি, বৃদ্ধ বয়সেও গন্চ-কবিতা, নৃতানাটা, খোসগল্প ইত্যাদির অবতারণ! তার এই নুতন নিয়ে পরীক্ষার মনোভাবকে্ প্রকটিত করে প্রাত্যহিক আীবনে যেমন তিনি খাদ্ধ, পরিচ্ছদ বাসগৃকের পরিবপ্তন করতেন নুরু, ভাব এবং কর্ষজীঘনেও তেমনি রীতি পরিবর্তন করতেম কথায় কণায়। অভ্যন্ততার তিনি ছিলেন ঘোর বিরোধী

এই যে নিত্য নৃতনের ভেতর দিষে নিজেকে প্রকাশ করার সঙ্জীবতা।, শিল্পী ছিসাবধে এ-ই তাকে দিয়েছে অতথানি সাফলে)র প্রবর্তমা। আবার কর্মী হিনাবে এতেই ছষ্টেছে ভাতে বন্তনিষ্ঠার বাতিক্রম | আসলে তিনি ছিলেন ভাবের মানুব। এক-একটা ভাবের হন্যা এসেছে, আয় তাই তাকে টেনে নিয়ে গেছে এক-একটা কাজের ভেতর যেই উদ্দীপন! ক্লাস রয়েছে, এসেছে বাধ্বের কর্ষ-পঙ্বাত, অমনি তিনি ঘুরে দাড়িষেছেন | নিজেকে নিজের মধ্যে সঙ্কুচিত করে এনেছেব। আকশ্মিক ভাবে একদিন যে ব্বদেশী-আদ্দোলন থেকে সরে ধাড়িয়েছিলেন, এই হুদ তার প্রকৃত কারণ হঠাৎ একদিন জসিদারী তদারক বিশ্বভারতী পরিচালনের ভার ছেড়ে দিয়েছিঙেন, তারে! এই কারণ।

যেপরিবাৰে ভার জন্ম, যে পরিবেশে তিনি মানুষ, তাতে আল্ম-সঞ্জোচনের প্রয়োজন তার

রবীন চর্চার ভূমিকা

হয়েছে বাল্যকাল খেকেই। আপন ভান-কয়নার হথে)ই ঠাকে বেশীর ভাগ সময় সঙ্গ সাহচর্য, আশ্রয় 'অমঙন্বন খুজতে হয়েছে। জীবনে পিতা-যাতায় খ্বেছ তিনি পূর্ণ তাষে পাননি ভাই-বোনেরা বসে এত বড় ছিলেন যে তাদের কাছ থেকে তিবি সমবরসীর মখা লাত করেদধি। শুল-কলেজে ধান নি, তাই সহপাঠী সুজদ পান নি | পত়ীয় সঙ্গেও মনহনীলতার অসমানত! হেতু হয়ত পর্ণাঙ্গ ভাষের আদান-প্রদান সম্ভব হয় নি। আবার সমৃদ্ধ গৃহে অঙ্গাদোয় কলে শিক্ষার জন্যে, আশুয় আন্ন-বহ়ের জন্তে কোন দুঃখ ভোগ করতে হয় মি কারুর মুখাপেক্ষী হতে হয় নি। তাছাড়া পারিবারিক শাসন সতর্কতার আওতায় বানুব হপ্ুয়ায়, ভালে !-সঙা নিখিশেষে সর্ধদ্যয়ের মানের সংন্যঘে এসে জীবনের প্রত্াক্ষ চেহারাট! ভালো করে দেখার মুযোগ হয় নি। শ্বতাবতই তিন্নি সকপগর মধো থেকেও, থেকেছেন সকলের ৭ঙ্কান্তে এবং সেই একাকিতের শন্ঠ পূণ করেছেন অধায়ন কল্পনার এক্বয দিষে। তা বন্তু- সংসারের গতি-প্রকৃতি লগ্বন্ধে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার চেয়ে তাব-কলনার সঞ্চয়ের ওপরই ঠাক “নী নিয় করতে হয়েছ প্রতাক্ষ জীবনের দ্িধা-ন্দ, দুঃখ-বেদনা, আঘাত-সঙ্ঘাতের সঙ্গে ঠার বাক্ষাৎ পরিচয় কমই কয়ে অথচ দূর খেকে তার সংবেদনদীল কবিচিত্ে এই জীবনের “ধ+্না বঙ্পন! পাথায় ভয় করে এসে সঞ্চারিত কায়ছ। তারি আহলানে তিনি ছুটে গেক্ছেন বর্ষের অভিমুখে কি নিজেকে টি'কিয় রাখ পারেন নি সেই সঙ্গাস্যর মাথা তার ভাষ- প্রতিই বাধ! গিল্বেছে তাতে।

গেশের দারিত্রা, হুশ! অনগ্রসরত! ভাকে পীড়িত করো তার প্রভীকারও তন চয়েছেম আন্তরিক ভাবে জ্ানে-কসে, শিক্ষা-সংশ্বা'র দেশের লোক বড় হক, মান্য হক, সমগ্য 'তদ-ধিভেদ চুল সকাল এক হক, এই ছিপ তার সারা জশ্বনের স্বপ্র। ম্বদখ- মান্দোলন, শিক্ষা সংস্কার, সধিত্য মাধনা, সমস্ত কাপ্জর মধ্যদিযই তার এই শপ রূপা হয়েছে) এই হবার অনুপ্রেরণাই তাকে দেশের সামাজিক অব্যবদ্ার প্রতি আরুষ্ট করেস্চ। সথানকায অনাচার, কগচার, অন্মাষ, আমকারে তিনি আপাত করেছেন নির্মম হাতে এবং হস্গ, | কল্যাণপ্রঙ্গ, তাক সংশ্থাপিত কয়:তও চেল্যছেন তিনি কিন্ত এই বেদনাবোধ কল্যাণ কামন1 যতটা আদর্শের, ততট! বাস্তনের জধ | দেশের চাব, মন্ুর, দীলদ্ধুঃখী, নিরয়, শিরাঙয়ের যে জীবন-বেক্গনা, তার মমদেশ পথগ পৌছুবার হুযোগ এবং সুবিধাই সার হয নি। 'ময়-সধাধিত্জের পরিচিদ্তিও জার কাছে উদঘাটিত হয়েছে কমই তিনি যেপ্রেণীতে জন্মেছিলেন, পেই শ্রেধী-আীবানর গততীষক তিনি ছাড়িয়ে উঠেছিলন পুধু ভাষের প্রেরণায়, কম্পনার উত্তাপ, +'ক$ প্রকুতপক্ষে বন্ত-জীবনে নয়ই, ভাব-্জীননেও তিনি স্বেঈী সচেতনতা ঘোল-আর! বর্জন করতে পান লি। ভার জীধন-দর্শনর আদি পএটি আবিষ্কার করতে গেলেই দেখ! বাবে, পুরাণো ভগোধন সংক্কপ্চিক তিনি ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন উপনিষদের সাম্য, শান্তি (সাঙারধধাদ্ট ঠাক আকৃইট কপ্রছিল। ইতিহাসর বন্কবিষ্ঠ ব্যাধ্যানাক তিনি খুব বেশী আমল দেন নি।

এই সামা, শান্থি সৌন্বধবাদই ঠাকে জাতীয়তার খণ্তী থেকে আন্বস্থাতিকতার অভিমুখে খন সিযিকিল। বিশ্বমামঘ যেখানে নির্যাতিত, পতিত, গশিব্পর সহজ ছন্দ তার যেখানে

রবীন্দ্র চর্চার ভূমিকা

ব্যাহত, সেখানেই তিনি এসে দাড়িয়েছেন দরদী বন্ধুর মতে! | জামালী ইতালীতত স্ৈরাধাযমের উদ্তব তাকে ব্যখিত করেছে। সাত্রাজাবাদী শক্তিবর্গের হাতে উৎগীড়িত চীন জাবিসিষিয়ার স্বন্তে ঠার সহানুভূতি উচ্ছনিত হযে টঠেছে। স্পেনে গশতগ্্রের উচ্ষেদ ফ্যালিষ্ট শীর্ঘদের আধিভাব তাকে উদ্বিগ্ন করেছে।

সার। পৃধিবীর জন্টে এই যে বেদনাবোধ, সমন মানু্যর মুক্তি কঙ্গযাণের জন্যে এই যে আগ্রহ, এটা উদার মন্্বত্বের নিদর্শন ছিসাবে প্ররণীন্ব এবং বরপরীয$ও সান্দহ নেই। কিন্ত বিশ্ব- মানবের এই ছুর্ভাগোর মূল কোথায়, “কান পথে এর স্থাক্সী সমাধান, ভার ব্যাখ্যানে ভিনি অর্থনীতিক বৈজ্ঞানিক পুনবিগ্তানক সমর্থন কথেন নি, করছেন আধ্যাত্মিক সংস্কৃতির ব্যাপ্তি প্রসারকে | ্রানব কল্যাণ, সামাজিক ক্ম্যিস ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন সোঘ্ভিষেট রাশিষা যা করেছ ত| ঠাক মুগ্ধ করছে, মুককণ্ঠে তিনি তার প্রশংসাও করেছেন কিন্তু যে উপায়ের সাঙছাযো সোতিয়েটকে এই সাফল্যের স্তর আসতে হযেষ্টে, তাকে তিনি স্বীকার করতে পারেন নি। বরং 'শোপিতসিঞ্চনে নতুন সত্যচার ভিত পন ছশাচে-ঢালা মনুষ্কহ গঠা্নর প্রযাস। বল্ষই তিনি "সই মৈল্লবিক প্রাচগ্াকে একাধিক জায়গায আঘাত করেছেন। নুফী, খৃষ্টান, বৈধ” মধ্যযুগীয় মিষ্টিকর1 যে মানবাস্মবাপ প্রচার করেছেন, রবীন্ত্রনাগের বিখমানবতা আতর্জাতিকতা তাবি একালীন প্রতিরূপ। প্রাচ্যদেশের মর্মবাণী বলেই সারা পৃদ্বধী এই বাধ নাপ্রাহ শুনা কিঙ প্রাণবন্ত লিষে বিচার করলে, £ক ঠিক যুগধ্মীলম্মত বল। যায কি?

অল গবীন্দ্রনাগ তই বল প্রণার্ভ-বিরাধী ছিলেন, অথবা শ্রতিক্রিয়াশীলতার সমর্থক ছিলন, কথা মান করলে মহা হুল হবে। কিবা আর কি সমষ্টি-জীবান সর্বত্রই তিনি অগ্রগামিতাকে সমর্থন করেছেন অবস্থার সঙ্গে সঙ্গ বাবগার সংক্কার ক্ষপান্তরকে তিশি 'আনিবাধ বদ শ্ীকর কণ্রছেন। যোবস্ন বন্ষিমচন্্র চক্সলাথ খহুর সাঙ্গ ধমাধদ সামাজিক উচিত্যালোচিতা নিয়ে ঠ'র শহুদিন ব্যাপী বিতর হয়েছিল, ভাই তিনি বলে- ছিঙ্গেন যে আচারের চেয়ে বিচার এবং অত্যা'সর চেয়ে জনুসন্ধান বড়। পরিণত বক্সে “ঘরে বাইরে , চতুরঙ্গ, 'অচলায়তনে' এবং বিভিন্ন সমণ্ধর নানা প্রবন্ধ লিবন্ধেও ভিনি বুক্তিনিষ্ঠ আধুনিকভাকেই সমর্থন করছেন এখং অনড় রক্ষণশীলতা অভ্ান্ত কুসংস্কারকে তিনি প্রধল- ভাবে আখাতই করেছেন। বিল্বানের আধিষ্ুৃতি উন্নতি ঘযতই একটু একট করে অগ্রসর হচ্ছে, ততই এক এক ধাপ করে পুরাণ বিশ্বাসের বনিয়াদ শিধিল হাঘ আসছে, এটা] তিনি লক্ষ্য করেছিলেন এবং বিশ্বশান্ির বিশ্বরূপে বিজ্ঞানের বস্তুমুখী প্টীতির ঘোরতর বিরোধী হায়ও, ভিনি এই বৈজ্ঞানিক বৃগ-সংস্কতির আলোতেই জগৎ জীবানর মূল্য যাচাই করার পক্ষপাতী ছিলেন এট! হয়েছিল ব্রাঙ্গ সমাজের প্রভাবে

ক্বজ্ঞানের ব/বহারিক উৎকর্ষ সম্পকে ঠার যে অননুমোদন, সেট! এসেছিল ঠার তপোবন মংক্কতির প্রতি আস্থা থেকে। তাছাড়া ধনতান্ত্রিক ইউ-র'প বিজ্ঞাসর শক্তিকে যে ভাবে

রবীন চর্চা ভূমিকা!

বায় বার ধিখধ্বংকে নিয়োজিত করেছে, তাও হতবুদ্ধি করেছিল তাকে তাইতেই বস্ত-বিজালের রসীয গ্ভাপকে তিনি নিচদ্ফা করেছেন বার হার ও) সন্েও বিশ্বকঙ্যাণে বিজ্ঞানের আমোদ শহিঅন্তাঙ্ষে তিনি জন্বীকার বকেন শি। যেদাধাজিক ওষাই্রিক বিক্ঞামহ খাব বিজ্ঞানকে সেই পাতৌম কঙ্গ্যাশের পথে চালানে। সন্তব, তাকে তিজি স্বাগত করেন নি এট! কাব সত্তা, জায় এইখামেই ঠার একটু খ-বিষোধিতা ছিল। তা সন্বেও তিনি আধুনিক সংস্কৃতির ইত্ডিফাসে প্রগতিদী্ দুনিকাই অভিসর করেছেদ। হলো ধর্ষের স্বাভাবিক উদার্দ বাশ তিনি অগ্রগতির পথেই দেশের মনমধীলতাকে ঢালিত করেছেন তাকে প্রতিছত ব! বিপরীতমুখী হতে দন নি, এই সার দৈশিষটা।

( ১৮৬১--৯১ )

কলকাত। নম্বর ছবারকানাথ ঠাকুর জেনের পৈত্রিক ভবনে ১৮৬১ সালের ৭ই মে (২৫শে বৈশাখে, ১২৬৮) যক্গলবার রবীন্দ্রনাথের জন্ম হয়। তার পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মাতা সারদ! দেবী। দ্েবেজ্জরনাথের পনেরোটি সন্তানের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ চতুর্দশ সংখ্যক

দেবেন্ত্রনাখের পিতা দ্বারকানাথ রামমোহন রায়ের সমসাহরিক এবং তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সহকর্ষা ছিলেন। তারই প্রভাবে তিনি ত্রান্ধ ধর্ষ গ্রহণ করেন। আদিতে এর ছিলেন যশোহরের একটি সমৃদ্ধ ব্রাক্ণ পরিবার সেখান থেকে কোম্পানীর আমলে দ্বারকানাথের পিতাষহ কলকাতা আনেন এবং অর্থোপার্জন করে খ্যাতিমান হন। ঘ্বারকানাথ সেই খ্যাতিকে শিজ কীতিতে করেন সুপ্রতিষ্ঠিত ইউরোপ গাষী ভারতবাসীদের যধ্যেও তিনি রাষযোহন রায়ের পরই উল্লেখযোগা শোনা যায়, রাণী ভিক্টোরিয়া তাঁকে ভারতের বেসরকারী রাজ্জদূত রূপে গ্রহণ করেছিলেন লগুনেই দ্বারকানাথের মৃত্যু হয় এবং মৃত্যুট! একটু রহস্থাময়।

দেবেন্দ্রনাথ তার জ্যেষ্ঠ পুত্র। আদি ত্রাক্ম সমাজের স্থাপয়িত, ত্বন্ববোধিনী সভা পত্ধিকার পৃষ্ঠপোষক এবং ধর্ম সমাজ সেবার ক্ষেত্রে বিশিষ্ট একছন নেতা রূপে তিনি বাংল! দেশে বিশ্বাসাগরের মতোই প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন পিত। স্বারকানাথের অতুল এশ্বধ অপব্যয় অরবেচনার কলে শুধু ক্ষয়ই পায়নি, সমৃদ্ধ ঠাকুর পরিবার তার মৃত্যুর সকালে আক খণে নিষক্ছিত ছিল। দেবেক্খণাথ সেই পিতৃ-খখধণের বোঝ। পরিশোধ করে আবার ঠাকুর পরিবারের সন্ছান স্থপ্রতিত্তিত করেন, এতে অবশ্ঠই তার তীক্ক নিষয়-বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া ষাস্ব। কিন্ত বিষয়ে তিনি যোল-আন! লিগ ছিজেন না। অন্তব্ে তিনি লালন করতেন স্থগভীর ধর্মান্থরাগ স্হান শ্বদেশ প্রেম। বাইরে বহু বর্ষে নিবিষ্ট থাকলেও, ভেতরে তার এই ছুটি শ্রত পালনের স্পৃহা আয়োজন €কান দিন হাস পেত লা। তাই পত্থী পুত্র-কক্কা

রবীশ্তর চর্চার ভূমিকা

পরিরূত হয়ে, এহণ কি অসীম এশ্বর্ষের অধিকারী হয়েও শুধু নাষে নয়, কাজেও তিনি “যহষি' হতে পেরেছিলেন।

বাংল। গদ্া রচনাতেও দেবেআ্নাথের বিশেষ কৃতিত্ব দেখাযায়। ভার “আত্মজীবনী' শ্রধু তার জীবন কাহিনী সাধন প্রণালীর পরিচায়ক ক্ূপেই প্রসিদ্ধ নই, উৎরুষ্ট বাংলা গদা গ্রন্থ হিসাবেও তা বিশেষ উপভোগা

পিতার এই নৈতিক, আধ্যাত্মিক সাহিত্যিক প্রতিভাই তার পুত্র- কন্টাদের, বিশেষত ববীন্্রনাথের ঠেতর দিয়ে সম্পূর্ণভ1 লাগ করে।

দেবেজ্রলাথের পুত্র-কনস্যাদের মধো জ্যাষ্ঠ দ্বিজেন্্রনাথ কবি দার্শনিক রূপে সমসামদিক সমাজে সম্মানাঠ ছিলেন তার স্বপ্ন প্রয়াণ কাবা এবং নানা চিন্তা' প্রবন্ধ পুন্তক বাংল ভাষায় স্থাদিত্ব লাভ করেছে দ্বিতীয় সতোশ্রনাণ ভারতবাপীদের মধ্যে প্রথম সিভিলিদ্বান ঠিসাবে বেশী খ্যাত হলেও, কবি বিদ্বান বূপেও তার প্রসিদ্ধি আছে। তার 'আমার বালাযকথা বোদ্বাই প্রবাস? এবং যেব্ব?ুতের পদ্ঠাবাদ *বুদ্ধকথ। বই সকলেই হয়ত পড়েছেন। 'বন্দেমাতরষে'র পূর্বে "মিলে সব ভারত সম্ভান' নাষক প্রসিদ্ধ স্বদেশী সঙ্গীত লিখেও তিশি একসময় জনপ্রিয় হয়েছিলেন ভতীয় জ্যোতিরিন্ত্রনাথ যৌবনে নাটাকাজ পরবত্তী জীবনে অন্থবাদক রূপে উন্নত সাহিত্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। তার “মঙ্ষ্মতী' 'সরোজিনী' নাটক, এবং “অলীক প্রকাশ' প্রহসন গ্রসিত্ধ। সংস্কৃত নাটা সাহিতোর এখং ফরাসী ছোট গল্পের অন্থযাদেও তিনি অসাষান্ধ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। একাধারে সাহিত্যিক, সঙ্গীত বিশারদ সযাজসেবীরূপে জ্যোতিরিস্্রনাথ ছিপেন তখনকার একজন উদ্লেধযোগা মান্য দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রবর্তন করতে গিয়ে এক সময় অনেক লোকসানও স্বীকার করোছলেন। শেষ জীবন তিনি কাটিয়েছিলেন ফ্লাঁচিতে, নিলিপ্ত সাহিত্য সাধনায়

ভগিনীদের যধ্যে ঘবর্ণকুমারী সাহিত্য ক্ষেত্রে যশব্ষিনী ছিলেন কাব্যে উপন্তাসে তার রুতিত্ব ধুব নগণা ছিল না। ভারতী সম্পাঙ্িকা হিসাবেও তিনি প্রসিদ্ধ ছিলেন।

সব ফলিষ্ঠ রবীজ্রনাথ ধ্যানী সংস্কারক পিতার এবং সাহিত্যিক শিল্প রসিক ভাই-বোনেদের প্রভাবে অল্প বয়স থেকেই সাহিতা কলা-চর্চার এবং অধ্যয়ন হননের দিকে আর হয়েছিলেন। তীর ভ্রাতৃ-বধূদের যধ্যে

রবীজ্ছ চর্চার ভূমিকা

মতোজ্্রনাথের পর্থী জানদানক্দিনী দেবী এবং জ্যোভিরিজ্রলাখের পত্বী কাদদ্বরী দেবীও রুটি সংস্কৃতির ব্যাপারে ছিলেন যথেষ্ট গ্রগতি সম্পল্লা। জানদানম্মিনী বাংলা দেশে মেয়েদের পোষাক-পরিচ্ছধ্ধের যে নৃতন ফ্যান প্রবর্তন করেছিলেন, পরবর্তীকালে তাই নকলের আদর্শ হয়েছে। পরিবারস্থ বাঁলক-বালিকাদের সাহিত্য সেবায় অস্থগ্রাণিত করবার জন্তে তিনি 'বালক' নাষে একটি পত্রিকাও বের করতেন। সঙ্গীতে স্থনিপুণ জ্ঞোতিরিস্রনাথ পত্ধী কাদস্বরীকে গান-বাজন! শিপিয়েছিলেন। ঠাকুর পরিবারে মেয়েদের যাধা গানের চর্চা প্রধাপত এর হাত দিয়েই প্রচায় পাষ। স্বামীর সঙ্গে প্রকান্টে পথে বেরুনোতেও এরাই ছিলেন অগ্রণী

রবীন্দ্রনাথ মানুষ হয়েছিলেন এঁদের সাহচর্ধে। অতি অল্প বয়ন থেকেই তিনি এদের নানা আন্দোলন আয়োজনে সহযোগিতা করতেন। তার ভাঁবী জীবনের ভিত্তি তৈরী হয়েছিল এতেই

কবিকে শিক্ষার জন্যে ওরিয়েন্টাল সেষিনারীতে ভত্তি করা হয় আট বছর বমে। করেক মাস পরে সেখাঁন থেকে তিনি যান কলকাতা নর্ম্যাল স্থুলে। তারপর আবার তাকে ভতি করা হয় বেঙ্গল গ্যাকাডষিতে কোন জায়গাঁতেই তিনি ভালো ছেলেটি হয়ে নিবিষ্ট মনে লেখা-পড়া করতে পারগেশ না। পতার কাছ থেকে তিনি পেয়েছিলেন যে ভাবুকতার প্রেরপা এবং দাদাদের ভ্রাতৃ-বধৃদের প্রভাবে তার যধ্যে এসেছিল যে শিকল্পা্গরাগ মাহিতা-প্রীতি, স্কুলের বাধা-বরাদ্দ পাঠা পাঠন-পদ্ধতির সঙ্গে খাপ-পাওয়ানোর পথে তা করল প্রবল বাধার সৃষ্টি। তিনি স্কুল পালিয়ে বেড়াতেন এবং ঠাকুর বাড়ীর প্রকাণ্ড প্রামাদের কোন এক কোণায় লুকিয়ে বসে হয় কবিতা লিখতেন, নম্র আকাশ পৃথিবীর বিচিত্র গতি লক্ষা করতেন।

বাড়ীতে তার শিক্ষার জন্তে গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাঁরা আসতেন নিয়মিত সময়ে, নিয়মিত পাঠ্য পড়াতেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের তথাকথিত শিক্ষা বে দূর অগ্রসর হল না। শিক্ষার আসল যা উদ্দেস্ঠ, চিন্তা কল্পনার বিস্তার, তা তার হয়ে চলল পারিবারিক আবহাওয়া থেকেই, বরং পাঠ্য তালিকার ' শক্ত বীধন পায়ে না থাকায় মহজ আনন্দেই সেটা হতে লাগল কিন্তু ধার দাদারা নাষ করেছিলেন এক-একটি দরিগগজ পশ্ডিত রূপে, তাদেরই ছোট ভাইয়ের এইটুকু শিক্ষাকে কে পর্যাপ্ত বঙ্গে মনে করবেন? দেবেজনাথ তাঁকে সঙ্গে নিয়ে

রবী! 5 ভূমিকা

বেফলেন। কখনো! ভালহাউসি পাহাড়ে, কখনো অমৃতমরে, তিনি ঘুরতে লাগলেন পিতার সঙ্গে নঙ্গে এবং সংস্কৃত ব্যাকরণ, অলঙ্কার জ্যোতিষ প্রাথমিক শিক্ষা পেতে লাগলেন। অবসর নষয়ে পিতার কাছ খেকে মুখে” মুখে উপশিষদের তবগুলির সরল ব্যাখ্যা শুনতে লাঁগলেন। জার শিখতে লাগলেন সকাল-বিকেল পালোয়ানের কাছে কুদ্তি। এই লময়ের অভিজ্ঞত। আমণের কাঞ্িলী কবির শ্ব-লিখিত “জীবন স্থ্তি' বইয়ে স্থান পেয়েছে।

কিন্ত অল্পদিন পরেই কলকাতায় ফিরে তাকে সেপ্টজেভিয়াস” স্কুলে ভর্তি ঘছতে হল। এই সময় থেকেই দীরে ধারে স্ররু হল ভার সাহিত্যা-সাধন]। পৃর্থীরাজ পরাজয় নামে একখানি নাটক এবং নেক্সপীরর কৃত “ম্যাকবেখের বঙ্গাজবাদ তার প্রথষ রচনা এই বইয়ের পাওলিপি গুলির আজ আর সন্ধান পাওয়া যায় না। তার প্রথষ প্রকাশিত কবিতা 'অভিলাব' তত্ববোধিনীতে এবং এহন্দ্ু মেলার উপহার" দ্বিভাষিক অমুতবাজার পত্রিকায় যখন বের হয়, তখন তার বয়স বছয় চোঙ্দ। এই নময় তার জননী সারদ। দেবীর মৃত্যু হয়।

অনেকগুলি সন্তানের জনপশী এবং প্রকাণ্ড সংসারের গৃহিণী সারদাদেবী ডাব-প্রবণ কনিষ্ঠ পুত্রটির ওপর খুব বেশী নজর রাখতে পারতেন ন।। শিশু রবির তদাযরকের বেশীর ভাগ দায়িত্ব স্বন্ত ছিল তৃত্যপ্দের হাতে। এই ভূতোর! ভালো-যানুষ রবীন্দ্রনাথকে ঘরে আটকে রেখে কি শাবে নিজেরা আপন আপন ধান্দায় ঘুরত, তার কৌতুকাবহ অনেক কাহিনী স্থান পেয়েছে 'ভীবন- স্মৃতিতে তার এই ধয়সের অধ্যায়টিকে কাব ভৃত্য রাজকতন্ত্র নাষে আওহিত করেছেন। প্রর্কত পক্ষে বালা থেকেই মায়েক্স সঙ্গে রবান্ত্রনাথের যোগ ছিল অল্প। মাতৃ-খিয়োগ তাই ভার যনে খুব বেশ ছম্বাপাভ করতে পারেনি।

আমর! আগেই দেখিয়েছি যে দাদাদের বৌদিদের সাহচর্য ভার যনে কি ভাবে শিল্পাঙ্ছরাগ হৃহি করছিল। বয়সের সন্ধে মঙ্ধে সেট ভ্রুত ৰিকশিত হতে লাগল। 'জানাঙ্থুর' নামক তখনকার একটি যাসিক পত্রে তিনি 'বনফুল' নামে আট-নর্গে বিএক্ত একখানি কাবা-কাহিনী প্রকাশ করেন) দীর্ঘ রচনা হিষাবে এটিই তার প্রথম প্রয়াম। হিন্দু মেলার অন্নষ্ঠানে এই সহয় তিনি দিপুর দরধারকে বিদ্প করে একটি দেশাত্মবোধক কবিতা পড়েন এবং প্রকাঙী স্তান্ে জ্যোভিরিজ্বনাখের সন্ে লাষেন “অলীক প্রকাশের অভিনন্থে। সভী- অঙ্ষিভিতে যোগদান অভিনম্থে অবতরণ এই তার প্রতহ। ছিজেন্রনাথের

রবীন্র চর্চার ভূমিক। ১১

সম্পাদনাস়্ প্রায় এই সময় থেকেই 'ভারতী” গজ্জিক। বেরুতে থাকে যোল বছরের বালক রবীন্দ্রনাথও এর একজন লেখক হলেন। “ভারতী; পৃষ্ঠা তিনি একাছিক্রমে 'করুণা' “ভিখারিদী' এই ছু-খানি উপন্তান, 'কবি কাহিনী" আখ্যান কাব্য, কতকগুলি খও কবিত1 এবং 'দান্ধে বিয়াটি,স, 'গোটে তাহার প্রগয়িণীগণত 'ঘ্াংলো-শ্যাক্সন জাতি তাহাদের সাহিত্য প্রবন্ধ লেখেন ছাড়া বিস্তাপতির অন্থকরণে ব্রজবুলিতে লেখা কতকগুলি রাখা- কষ পদাবলী ভাঙলিংহের ছক্ুনাষে প্রকাশ করেন। বালক কবি চ্যাটারটনের অন্থকরণে অপ্রচলিত প্রাচীন ভাষায় কবিতা লেখার ঝোক হয়েছিল বালক রবীন্দ্রনাথের ভাঙ্ছমিংহ তারই ফল। তখনকার সমালোচক মহল কিন্ত রবীন্দ্রনাথের ( ভান্গ-সিংহের ) এই কৌপলটুকু ধরতে পারেন নি।

সতেরো বং্সর বয়সে যেজদা সত্য্ত্রনাথ তাকে নিয়ে গেলেন আযমেদাবাদে। কিছুদিন এখানে ঘরে পড়াশুপা চলল। সত্যেন্দ্রনাথ স্বয়ং এবং জনৈক' পাপী মহিল1 তাকে ইংরাজী সাহিতা ইংরাজী আদব-কায়দ! শিক্ষা দিতে লাগলেন। উদ্দেশ্ট তাকে ভউরোপ পাঠানো ১৮৭৮ সালে তিনি গেলেন লগ্নে নত্যেন্্রনাথের পত্বী জানদানন্দিনী তার পুত্র-কগ্তাদের নিয়ে সেখানে বান করছিলেন। রবীন্দ্রনাথ এলেন তাদের কাছে। প্রথমে তাকে ত্রাইটনেব একটি স্কুলে ভত্তি করা হল। সেখান থেকে তিনি গেলেন লগ্ন ইউনিভাসিটি কলেজে বিখ্যাত লর্ড হোলির ভাই হেনরি যোপির কাছে তিনি পড়তে লাগলেন ইংঘাজী সাহিত্য ছাড়। শিখতে লাগলেন ইউরোপীন সঙ্গীত, নৃত্য-কলা এবং ব্রিটিশ মিউজিয়মে কষন্স সভার যাওয়া আম করতে লাগলেন যধ্যে হধ্যে

তখনকার শান্তিপূর্ণ ভিক্টোরীয় ইংলগ্ডের চিত্র সেই সময়ের লেখা “ইউরোপ প্রবানীর পত্' বইয়ে কবি চমৎকার একেছেন। এই পত্রগুলি ধারাবাহিক ভাবে বের হয় “ভারভী'তে | এগ হয়”? নাট্যকাবাযও তার ইংলগ প্রবাসের রচনা। কিন্ত হংলণ্ডে তাঁর বেশীধিন থাক হল না। দেড় বছরের ধ্যেই তিনি এলেন দেশে ফিরে এবং এখন থেকে লাহিত্য চর্চাকেই তার জীবনের প্রধান বত হিজাবে গ্রহণ করজেন।

“বান্মীকি-প্রতিভা' ঈতিনাটায, “সন্ধ্যা সঙ্গীত' কবিতাসংগ্রহ,। কিজ্রচণ্ড নক, 'বৌঠাকুরাণীর হাট' উপস্ভাস এবং বহু প্রবন্ধ তিনি এই সয়ে লেখেন।

১২ রবীন্দ্র চর্চার ভূমিকা

ঠাকুর বাক়ীয় ঘরোয়া রঙ্গরঞ্চে বান্ধীকি-প্রতিভার অভিনয় হয় এবং ভাতে স্বয়ং কবি বাল্পীকির ভূমিকায় শবতীর্দ হয়ে বিশেষ খ্যাতি লা করেন! মেডিক্যাল কলেজে অনুষ্টিত সায় এই সময় তিনি লঙ্গীত সম্বন্ধে একটি প্রকাণ্য বন়্ুতাও করেন। ইতিমধ্যে আর একবার ব্ারিস্টারি পড়বার জন্তে তার বিলা যাওয়ার কথা হয়। বন্ধু ম্াঞ্থতোষ চৌধুরী এবং ভাগিনের় সতাপ্রসাদ গাগুপীর সঙ্গে তিনি ধাআও করেন। কিন্তু মাহাজ পধস্থ গিয়েই ফিরে আলেন বাংলায় এবং চন্দলনগরে জেোতিরিন্ত্রনাথের কাছে বাস করতে মারজ্ত করে দেন। বলা বালা সব রকম পার যতে। আইন পড়াকেও তনি ইচ্ছা করেই ফাঁকি দিয়েছিলেন। ভ্োজভিরিহ্রনাথ তাঁর ধাভ জানতেন, ভাই শ্িপি ভাব এত পলানকে সন্ত প্রশ্রয় অনুমোদন করেছিলেন

পেরে! থেকে তেউশ বছরের মধো রবীন্দ্রনাথের ওপব জ্োতিবিজ্রনাথের প্রভাবই সব চেয়ে দেঈী। এই পভাব কবির ত্বাভাবিক প্রতিভাকে বিশেষভাবে পাঁরপু্ করোছল। জ্ঞো(ওরিন্্নাথ তাকে দিয়ে গান লেখাতেন, সেই গানে শিজে স্বর যোজনা করতেন ছাডা সাঠিতা নাধনাজেও তাকে উৎসাহ সহযোগিত। দিনে নানা ছাবে।

নাট্যাভিপয়ে, পীত চায়, সাহিত্য রচনায়, স্বভাবে জ্োতিরিনত্রনাথই ছিলেন এই সময়ে উর সবশ্রেষ্ঠ সুহৃদ | উচয়ে সারম্বত সমাজ নাষে একটি সাহিতাসঙ্ছ স্বাপন করেছিলেন এবং আবে। বছবিধ ব্যাপারে ছিলেন একে অন্কের একান্ত সহযোগী এই মধুর সম্পর্কের *পর ছেদ পড়ল জ্ঞোতিরিষ্্র পত্বী কাদশ্বরী, গেবীব আকশ্মিক মৃ্তাতে কাবপর থেকে জ্যোতিবিন্্রনাথকে আর বাইবের কর্মক্ষেত্রে পাওয়া গেল না কোনদিন কৈশোর যৌবনের প্রথমাংশে সম্বীক জ্যোতিরিন্্নাথের লাহচধ কাধর জীবন গঠনে প্রচুব জম্থকূলা করেছিল। 'জীবনশ্ব'ভ'ডে অন্তান্ত কয়েকটি রচনায় ববি কৃতজ চিত্তে সাহচযের কথ। শ্বর়ণ করেছেন। সময়েব কয়েকখানি বইও তিনি উৎসর্গ করেছেন উভয়কে

একুশ বৎসর বয়সে কবির ভাব-জীবনে সহসা একটি পরিবর্তন আসে। কলকাতা যাছুঘরের নিকটবর্তী সদর স্্রীটের একটি বাড়ীতে থাঁকা কালে একদিন সকাল বেলা তার দৃষ্টির সন্দুথে পৃথিবী তার বিচিত্র জীবন-লীলা একটি নৃতন রূপ নিছে দেখা দিল। এই নৃতন দৃষ্টির প্রেরণায় তিনি লিখলেন তাবু প্রসিদ্ধ, 'নিষায়ের স্বপ্ন ভঙ্গ' কবিতা £

রবীন্দ্র চর্চার ভূমিকা ১৩

নাজানি কেন য়ে এতদিন পরে জাগিয়া! উঠিল প্রাণ! জাগি উঠেছে প্রাণ ওরে উলি উঠেছে বারি, ওরে প্রাণের বামনা প্রাণের আবেগ রুধিয়। রাখিতে নারি ! প্রভাত উৎসব কবিতাডেও এই একই সুরের অনুরণণ শোনা যাবে এই দুটি কবিভা দিয়ে স্তর হুল তীর নৃত্তন কবিতার বই 'প্রভাত সঙ্গীত'। এক হিসাবে রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভার এইখান থেকেই সৃচনা, যদিও বক্িষচন্ত্র “মন্ধ্যা সঙ্গীত বইয়ের৪ উচ্চ প্রশংস। করেছিলেন | রষেশচন্্র দত্তের কন্তা কমল দেবার বিবাহ সভায় রমেশচন্জ্র বঙ্কিমের গলায় একটি মালা পরিয়ে দিলে, বঙ্কিম সেই মালা নিজের গলা থেকে নিয়ে গেন রবীন্দ্রনাথের গলায় এবং তার সছ্ প্রকাশিত সন্ধ্য' সঙ্গীতের অশেষ শ্বখ্যাতি করেন। করবি বিহাবীলাল চক্রবতী দ্বিজন্নাণথর বন্ধ ঠিসাবে জোভাসাকো ঠাকুর ঝাডীনে আসা-যাওয়া করতেন সাকুর ভ্রাতৃবন্দ এবং তাদের বধূরা, বিশেষ কবে কাদস্বরী দেবী ছিলেন তার রচনাব একান্ত অন্ুরাপী। কাদস্বরীর মৃত্যুতে তার হাতে বোনা একখানি কার্পেটের 'মাসন ম্বরণ করেই চক্ষবতী কবি লিখেছিলেন তাব প্রসিদ্ধ 'নাধের আসন' কবিত1। বিহ্বারীলালের এই ঘনিষ্ঠ সান্টিধ্য তরুণ রবীন্দ্রনাথকে তাঁর প্রতি গভীর 'ভাবে আকৃষ্ট করে। আকর্ষণ থেকেই আসে অন্গরাগ এবং রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত এবাম্মীকি প্রতিভায়, “সন্ধ্যাসঙ্গীতে' এব" আরে। কোন কোন রচনায় খিহারীলালেন ভাব-ভাষা দৃষ্ি-ভঙ্গীর প্রচুর অন্ুকুতি দেখা যায় পরবর্তীকালে কবি এজন্ভে বিহ্বারী- লালকে গুরু বলেই স্বীকৃতির সম্মান*দিয়েনছিলেন। প্রএাত পঙ্গীতে'র পর তিনি লেখেন “প্রকৃতির প্রতিশোধ" নাট্যকাব্য এবং চবি গান' কবিতা সংগ্রহ এছাড়া সেকেলে রাজনৈতিক আন্দোলনের নাড়ম্বর আবেদন নিবেদনের অসারত। উদকাটিত করে ভারতীর পৃষ্ঠায় কতকগুলি প্রবন্ধ লেখেন। কড়ি কোমল? এবং 'নলিনী' নাটিকা এর অল্প পরের রচন]।

বাইশ বৎসর বয়সে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ হল। তাঁর পত্বীর না

১৪ রবীন চ্চর কমিক

ভষনারিণী, ঠাকুর পরিবারে এসে নাষ হয় ঘুপাজিলী ইনি ঠাকুর এঞ্চেটের তত্বাবধায়ক বেশীষ1ধর রায়চৌধুরীর কল্তা। মৃণালিনী ঠাকুর পরিবারের বধ হবার হতে] যথেষ্ট শিক্ষিতা এবং রচিলম্পর! ছিলেন না। বিদ্ধ দেবেন্দ্রশাথ উাকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন এবং রধীন্দ্রনাথও তাকে যোগ্য যধাদা দিতে ফুষ্ঠিত হন নি।

১৮৮৮ লালে রখীন্দ্রনাথ আদি আ্রাহ্ম সমাজের সম্পাদক মনোনীত হন। তখল বন্ধিমচন্্র 'বঙ্গদর্শন' পর্ব শেষ করে প্রচার আরম্ভ করেছেন। এই পক্জিকায় ধশধর তর্কচুড়াবণি চন্দ্রনাথ বন্বর সহযোগিতায় তিনি তখন স্্ষ করেছেন নধা হিন্দু-অন্ভাথানের আন্দোলন। হিন্দু আচার-অনুষঠান রীতি-পদ্ধতির বৈজানিক ভিত্তি খুজে বের করার সেই প্রচেষ্টা রবীন্দ্রনাথের চোখে অসার্থক মনে তয়। আদি ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিনিধি বূপে এই আন্দোলনে ত্রান্ষধর্ষের উদ্দেশে পিক্ষিপ্ত আক্রষপের প্রতিবাদে তিনি লেখনী ধরলেন। অনেকদিন চলল এই বিতর্ক “প্রচার “তত্ববোধিনী'র পৃষ্ঠা ভরে উঠতে লাগল সেই সমত্ত বাদ-বিবাদ আক্মণ-প্রতাক্ষণে এই বিতর্কে কবি গ্রহণ কবেন বিশুদ্ধ যুক্িবাদীর ভূমিক1। যে-কোন 'ভ্যাসছ্ই অনাচারকে বিজ্ঞানের দোহাইয়ে জলাচরণীয় কর। তিনি আদৌ সমর্থন করেন নি। বলা বাহুল্য শেষ পর্স্ত বিতর্কের মামাংস। হল না, কিন্ধ বন্থিষ-রবীন্দ্র সম্পর্ক তিক্ততায় পবদিত হল।

আমরা ইতিপৃথে জানদানন্দিনীর “বালক” পত্রিকার নামোজেখ করেছি। এই পঞ্জিকা বেক্কতে আরস্ত করে এই সময় থেকে রবীন্দ্রনাথ এভে তাব 'রাজধি' “মুকুট লিখছে স্থরু করেন [বভিন্ বিষয়ে বহু প্রবন্ধ এবং সমাজ- তত্ব সম্পকীয় কতকগুলি পন্জও এতে প্রকাশিত হয়। ছাড়া বন্ধু শ্ীশ যজ্যদারের সঙ্গে একত্রে বৈধুব কবিতার একটি সঙ্কলন প্রকাশ করেন ভিনি এবং স্বরচিত গানগুলি সংগ্রহ করে 'রবিচ্ছায়া' বইয়ে গ্রথিত করেন। ভাব সে সময়ের প্রবন্ধ গুল সংগৃহীত হয় 'আলোচনা' নামক পুস্তকে এই বছর জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশন হয় কলকাতায়। এই অধিবেশনে সচাপতিত্ব করেন দাঞ্জাভাই নৌরজী। রবীন্দ্রনাথ এই উপলক্ষে উদ্বোধন সঙ্গীত রচনা করেন 'মামরা ফিলেছি আজ মায়ের ভাকে? এবং শ্বকঠে কংগ্রেস মঞ্চে সেটি হ্রায়িত করেন। তার জ্োষ্ঠ কন্তা বেলার জন্ম এই সহন্ব।

ছাক্সিশ বংসর বয়সে তিনি লিখলেন 'যানসী' কাব্য। তার নিজের যতে

রবীন্্র চর্চার ভূমিকা! ১৫

তার কবি-জীবনের প্রকৃত কৃচণা এইখান খেকে ইডিযধো কিছুদিন তিনি সত্ন্দ্রনাথের কাছে বোদ্বাইয়ে কাটিয়ে এসেছিলেন সেই প্রবাসের সময়ই তিনি লেখেন যানসীর কবিতাগুলি ছাড়া সেকেলে দাদাষশায় নবা নাতির মধ্যে যুগ-ধর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্ক যুূলক কল্পিত চিঠির একটি সংগ্রহ লেখেন, যার নাষ “চিঠিপত্ঞ'। *সমালোচনা' বইও এই সময়ের “ডারতী।র পৃষ্টায় কবি সাহিভা সযালোচনা সক করেছিলেন অতি অল্প বয়মে। তার প্রথম উল্লেখযোগ্য সযালোচনা মেখনাঙ্গবধ কাব্যের বিরুদ্ধে। এটি লিখেছিলেন তিনি, ধখন তার বয়স মাত যোল-সতেরো। পরে আরো কতকগুলি হবদেশী বিদেশী সাহিত্য সন্ষন্ধীয় আলোচনা প্রকাশিত হয়। সবগুলি একত্র গ্রথিত্ত হল আলোচা বইয়ে। এর পরবর্তী তিন বৎসরে তীর উল্লেখযোগা রচন! হল “মায়ার খেলা" গীতিনাট্য এবং রাজা ওরাশী' আর “বিসর্জন নাটাফাবায। এগুলি লিখিত হয়েছিল যথাক্রষে তার সাতাশ, আঠাশ উনত্রিশ বৎসর বয়লে। “মায়ার খেলা? তিন লিখেছিলেন ্রীমতী সরলা রায়ের অন্রোধে, জ্যেষ্ঠ! ভগিনী স্বর্ণকুমারী প্রতিষ্ঠিত “সখী সমিতির সাহাযার্থে অভিনীত হবার জন্তে। “রাজা রাণী” এবং ধরবসঞ্জন” ঠাকুরবাড়ীর ঘরোয়। কে অভিনীত হয়েছিল প্রথমটিতে রাজ। বিক্রমের ভূমিকায় একং দ্বিতীয়টিতে রদ্যুপতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হন স্বয়ং কবি।

এই সময় এষন একটি ঘটনা ঘটে, যান্ঠে কবিকে এঁকাস্তিক কাবা- সাধনার জগৎ থেকে বেরিয়ে 'মাসতে হয় বাস্তব কর্মক্ষেত্রে দেবেজনাথ এই মষয় করলেন শান্তিনিকেতনে স্থায়ীভাবে বসবাস স্বর এবং রবীজ্জনাথকে দিলেন ঠাকুর এষ্টেটের সর্বাঙ্গীন তদারকের ভার। বলাবাছল্য থেফেই হল তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের হৃচনা, আর এর দ্বারাই হল তার দেশ দেশবাসী সম্বন্ধে স্প্ প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞত। লাভের সুযোগ ইতিমধ্যে অল্প দিনের জন্তে তীর দ্বিতীয় বার বিলাত যাত্রার স্থবিধা হয়ে গেল। যেজদা সত্যেন্রনাথ লোকেন পালিতের সঙ্গে একযোগে তিনি রওনা হলেন। ইংলগু, ফ্রান্দ ইতালীর নানাস্থান ঘুরে তিন যাস পরে তিনি দেশে ফিরলেন। ঠাকুর এষ্রেটের ভার নিয়ে এবার তিনি শিলাইদহে ভার আস্তানা স্থাপন করলেন। এই সময়ের ভেতর তীর জো্ঠপুত্র রথীন্্রনাথ দ্বিতীয়া কমা রেখুকার জন্ম হয়েছে

ব্রা সই পর ( ১৮৯১--১৯০৬ )

প্রথষ তিরিশ বৎসরেই রবীন্দ্রনাথ তাঁর ভাবী জীবনের লক্ষ পৃরোপুরি স্থির করে নিতে পেরেছিলেন স্থুল-কলেজের পরীক্ষা পাশ যেমন তীর দ্বারা সম্ভব হয়নি, তেষনি কোন নির্দিষ্ট বৃত্তির অনুসরণ করে জীবিকার্জনে হনোযোগী হওয়াও তার ধাতে পোষাল না। দ্ৃ-ছু-বার বিলাত গিয়েও তিনি অভিভাবকদের প্রতাশ। ব্যর্থ করে দিলেন। তিনি বুঝতে পারলেন যে গ্ষাধীন ডাবে সযাজ, সংস্কৃতি সাহিত্য সেবার ভেতর দিয়েই তাকে সাফলোর পথ খুঁজতে হবে।

এই বয়সের মধ্যে সাহিতোর প্রায় সমস্ত বিভাগে তিনি স্বাতস্ত্রা শক্ষির যে পরিচয় দিয়েছিলেন, তাতেই প্রযাণিত হয় যে বাংলা সাহিত্যে তিনি যুগান্তর 'আনবেন। বঙ্ষিমচন্্র চট্টোপাধ্যায়, অক্ষয়চন্দ্র সরকার, রমেশচন্্র দত্ত, নবীনচশ্র সেন প্রমুখ তদানীন্তন কবি সাহিত্যিকরা একবাক্যে তার প্রতিভা শ্বীকার করে নিয়েছিলেন। বঙ্কিষচন্ত্র চন্দ্রনাথ বস্থর সঙ্গে যে তার বাদানুবাদ হয়েছিল, অথব! অক্ষয়চন্ত্র যে তাকে উদ্দেশ করে ভাই হাততালি লিখেছিলেন, তাতেও একথাই প্রমাণিত হয় যে তারা রবীন্দ্রনাথের লেখনীতে সভ্যকার শক্কির সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন। তা না হলে তখনকার সাহিত্যাধিপতি তয়ে তীরা কখনই তার মতো তরুণের বিরুদ্ধে লেখনী ধরতেন না!

টৈশোর কাল থেকেই রবীন্দ্রনাথের সাহিত্া-প্রতিভার সর্বোতভোমুখিতার পরিচয় পাওয়া যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি সাহিত্যের আসরে যত এগিয়ে আসতে লাগলেন, ততই নূতন নৃতন পথে তীর সৃষ্টির ধারা প্রবাহিত হয়ে চলল। দ্বিতীয়বার ইউরোপ ভ্রযণ শেষ করে তিনি জমিদারির ভার নেন এবং শিলাইদহে তার স্থায়ী বাসস্থান ঠিক করেন, কথা আমরা আগেই বলেছি। শিলাইদহের শান্তিপূর্ণ আবহাওয়ায় বসে তিনি হরদের দৃষ্টিতে পর্ী-বাংলার জীবন-ধারা লক্ষা করলেন। গ্রাধ্য জীবনের নিভৃত

রবীঙ্ চর্চার ভূমিকা ১৭

অবকাশে মুখে-ছঃখে বয়ে চল্গেছে যে জীবন, ত। খেকে বিষয় আকয়গ করে তিনি এই সময়ে নুগ্চ করলেন ছোটগল্প লেখা তঙ্গানীম্ন সাপাক্তিক 'ছিতবাঙ্গীতে এই সমস্ত গল্প গ্রকাশিত হতে লাগল। দ্বিতীয় দফ। ইউরোপ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখ। “ইউরোপ যাত্রীর ভায়েরী' বইটিও তার বেরুল এই সময় শিলাইদহ থেকেই তিনি স্থুর করেন সাধনা” মাসিকপত্ সম্পাদন! এতে নিজে তিনি কবিতা গল্প প্রবন্ধ অজন্র ধারায় লিখতে থাকেন এবং তার ভ্রাহুম্পুহ বলেন্ত্রনাথেরও সাঠিতা-সেব। স্বর হয় «লাধনা'য়। ছাড়! গগনেনত্র অবনীন্দ্র ছুই বিখ্যাত শিল্পী এবং সঙ্গীতজ দিনেন্্রও এখন থেকে তার কলা চচার দোলর হন। এরাও তার ভ্রাতুষ্পন্ত্র।

“চিন্ত্রাঙ্মদা' তাব এই সময়ের লেখ! এই নাটাকাব্টি চিত্ত করেন অবনীন্দ্রনাথ এব* কবিও বইটি উৎসর্গ করেন তাকেই। বাংলা ১২৯৮ সালের ৭ই পৌষ শান্তিনিকেতন 'আশ্রমেব উপাধনা মন্দির স্থাপিত হয় এবং বৎসর গ্রীগ্মাবকাশে কর্ব কিছুদিন কাটিয়ে যান শান্তিনিকেতনে বারে' বংসর বয়সে হিমালয় থেকে ফিরে একবার কিছুদিনের জন্তে তিনি শাস্িনিকেতন বেডিয়ে গিয়েছিলেন পিহার সঙ্গে এইবার তার দ্বিতীয় আগমন। যে শান্বিনকেতন তার পরবত্তা জীবনের অনন্য কর্মক্ষেত্র হয়েছিল, এই থেকেই সুক্ু হয় তার সঙ্গে তার সংশ্রব।

“সাধন।'র পর্ঠায় কবি এই সময় থে গ্রবন্ধঙ্লি লিখছিলেন, তাত সযাজ। ধস্কৃতি শিক্ষাৰ বিহিন্ধ দিক আলোচিত হয়। গভান্গতিক বাবস্থা সংশোধণ যুগোচিত আদর্শে তাদের সংস্কার সম্বন্ধে তার আগে গঠনমূলক আন্দোলন দেশে বিশেষ কিছু হরনি। শিক্ষার হেবফেব' প্রবন্ধে মাত়ভাষার সাহায্যে শিক্ষাদান সমর্থন করে, তিনি দেখান যে বৈদেশিক ভাষা শিক্ষার বাহন থাকায়, স্বাভাবিক নিয়মেই দেশের মনোবুত্ি জ্ঞাতীয়ত।-বিরোধী হয়ে দাড়িগেছে হংরাজ ভারতবালী? এবং 'ইংরাজের মাত্ঙ্ক' প্রবন্ধে তিনি শাসক শাসিতের সম্বন্ধ বিশ্লেষণ করে উভয়ের পক্ষে কল্যাণের পথ কি, তার সথম্পষ্ট নির্দেশ দেন। শেষোক্ত প্রবন্ধটি তিনি পড়েন চৈতন্য লাইব্রেরীতে এবং বঙ্কিমচন্দ্র সেই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সম্পাঙ্চক রূপে রবীন্দ্রনাথ হিন্দু-মুসলযান এঁক্য, জাতীয় পরিষদ গঠন, স্বদেশী জরব্যক্রয, স্বায়ত্বশাসন প্রবর্তন, আরে! নান! সষয়োচিত প্রসঙ্গের অবতারণা করে দেশকে সজাগ,

দি

১৮ রবীন্দ্র চর্চার ভূমিকা

করে তুলতে চেষ্টা! করেন। পরবতী জীবনে হার রচনায় যে সংক্কারকের উদারদৃরি সম্পন্ন বিশ্বপ্রেমিকের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়, প্রথম যৌবনে তাঁর স্থচনা হয়োছল বাংলা বাঙালীর সংস্কার নিয়ে। «ভারতী «সাধনা এই দিক থেকে ছিল তার গ্রচার-বেদীন্বরূপ |

কিন্তু সমাজ সংস্কৃতির সাম্প্রতিক আলোচনায় মনোনিবেশ করলেও, নিছক সাহিত্যের প্রতিও তিনি উদাসীন ছিলেন না। শিলাইদছের মনোরম গ্রাধা আবেষ্টনীর ভেতর তার কবি-প্রাণ ভাবে অন্ভৃতিতে অহরহ উদ্বেলিত হয়েছে। সোনার তরী'র কবিতাগুলিতে সেই ভাবনাসূতির বিচি প্রকাশ দেখা যায়! এই কবিতাগুলি এবং প্রনিদ্ধ বিদায় অভিশাপ: তিনি এখানেই জেখেন। দপঞ্চকুতের ভায়েরী, নামক প্রণ্ন্ধ দার্শনিক রচনাটিরও জন্ম শিলাইদহে। জধিদারী পরিদশনের জন্তে তাকে গ্রামে গ্রামে ঘুরতে ঠত» কখনও বা যেতে হত উড়িস্তায় এষ্টেট দেখতে সেই পরিআমণের পথে তিনি লিখেছেন হয় কবিতা, নয় গল্প, নয় প্রবন্ধ। এক হিলাবে তিরিশ থেকে পয়জ্রিশ বছর বয়সই তার সব চেয়ে ফলপ্রস্থ বয়স। তার অনেক প্রসিদ্ধ লেখারই জন্ম এই সময়ে। ছাড়া দেশের প্রত্যক্ষ বন আন্দোলনের সঙ্গেও ভিনি এই সষয় থেকে আন্তে আস্তে জিত হচ্ছিলেন।

তার ভ্রাতম্পুত্র চরেন্ত্রনাথ বলেজ্্নাথ এই সময় স্বদেশী কাপড়ে কারবার স্বর করেন। কলকাতায় স্থাপিত হয় একটি কাপড়ের দেকান এবং কুষ্টিয়ায় একটি চটকল। উভয় স্থানেই কবি তাদের সঙ্গে ব্যবসায়িক অংলদান পে যোগদান করেন

তার এই সমগ্ের কর্মব্ন্ততা বান্তবিকই বিন্ময়কর। জমিদারি চালাচ্ছেন, ব্যবসা চালাচ্ছেন, সাহিতা পকত্ত্রি। সম্পাদন করছেন, সভা-সমিতিতে যোগদান করে রাজনীতি সবাজ-উন্নয়ন সম্বন্ধে প্রবন্ধ পাঠ করছেন, গ্রামে গ্রামে ঘুরে ছেলে ভুলানো-ছড়া সংগ্রহ করছেন, আবার তারই সঙ্গে কবিতা- গল্প রচনা করছেনঃ সাহিত্য সমালোচনা করছেন! জগন্দীশচন্দ্র বন

জেন্জলাল বায় শ্ীশচন্দ্র মজুষদার প্রমুখ বন্ধুদের সঙ্গে বোটে মাঝে মাঝে আনন্দময় মুত যাপন করুছেন।

দেবেজ্রনাথ ভার ভ্রাতুদ্পুত্ের। পৃথক হয়ে যাওয়ায়, ১৮৯৯ সালে ঠাকুর এষ্টেট ভাগ হয়ে যায়। দেবেআনাখের অংশ থাকে রবীন্দ্রনাথের তপারকে। এই

রবীজ্ঞ চর্চার ভূমিকা ১৯

বৃহৎ সাংসারিক ভাঙাগড়া রবীজ্নাথকে সাহয্িক ভাবে কিছুটা নাড়া দিলেও, তার যানসিক স্বস্তির ছন্বটি এতে ব্যাহত হল না। সাহিতোর প্রবাহ তার অব্যাহত রইল 'চিত্রা' 'ঠচৈতভালী' কাব্য ছু-খানির এবং 'নদী' নাষক দীর্ঘ বর্ণনাত্মক কবিতাষ্টির রচনা এই বৎসর সম্পন্ন হয়। যে 'জীবন দেবতা? কবিভাটি অনেকের মতে রবীন্দ্র-কাবোর মৃল-সথত্র স্বরূপ, তারও উত্তব এই সময়ে উড়িস্তা ্রষণের পথে এক ফাকে তিনি লেখেন “যালিনী' কাবানাটাটি। তার ভাগিনেয় সতাপ্রসাদ গাঙ্গুলী এবার তার সংগৃহীত কাব্য গ্রস্থাবলী প্রকাশ করলেন। কবি এই সংস্করণের জন্যে তার সমুদয় মুদ্রিত রচনার পাঠ সংস্কার করে দ্নেন। এর অল্প পরে তিনি লেখেন 'বৈকুষ্ের খাতা রঙ্জনাটা এবং তার অভিনয়ে স্বয়ং কেদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সতোন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে বছর নাটোরে বঙ্গীয় প্রাদেশিক সম্মেলন হয়। রবীন্দ্রনাথ এই সম্মেলনের কার্ধক্রষ সম্পূর্ণরূপে বাংলায় পরিচালিত হওয়ার অন্নকূলে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। কিস্তু তখনকার ইংরেজী-নবীশদের মত বদলাতে না পেরে, বিবক্ক হয়ে তিনি ফিরে আসেন কলকাতায়। এই মষয় আচার্ধ জগদীশচন্দ্র বস্থ লগ্ডন রয়েল সোসাইটিতে তাঁর গবেষণা! সমূহের পরিচয় দিয়ে প্রচুর খ্যাতি লাভ করেন। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে আগে থেকেই তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল, তাঁর বিলাত যাত্রায় সহায়তাঁও করেছিলেন তিনি যথেষ্ট। বন্ধুর এই সাফল্যে রবীন্দ্রনাথ অতিশয় আনন্দিত হলেন এবং তার উদ্দেশে অপূর্ব একটি কবিতা রচনা করলেন। গান্ধারীর আবেদন”, 'নরকবাস” “নতী, প্রভৃতি প্রসিদ্ধ নাট্যকবিতাগুলিও লিখলেন তিনি এই অবকাশে। ১৮৯৮ সালে গভর্ণমেন্ট যে নৃতন রাজদ্রোহ আইন প্রবর্তন করেন, টাউন হলের সভায় “ক্রোধ প্রবন্ধে কবি জনসাধারণের সেই ভ্যাযসঙ্গত নাগরিক অধিকার সস্কুচন আইনের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে বালগঙ্গাধর তিলকের বে-আইনী গ্রেপ্ধারের বিরুদ্ধে জানালেন তীব্র প্রতিবাদ তিলকের মামলা চালানোর উদ্গেশ্তে একটি অর্থ-ভাগ্ডার গঠন করা হয় এবং কবি শ্বয়ং তার জন্তে টাক। সংগ্রহে অগ্রণী হন।

পরের বৎসর কলকাতায় প্লেগ দেখা দিল। রবীন্দ্রনাথ গভর্ণষেপ্টকে সতর্ক করে দিলেন, ঘাতে এখানেও বোশ্বাইয়ের যতো! জনসাধারণের কষ্ট অন্থবিধার প্রতি ওঁদাসীল্স না দেখানো হয়। ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে

২০ রবীন্দ্র চর্চার ভূমিকা

একজে তিনি রোগাক্ষান্তদের লাহাযো অর্থ-ভাগডার গঠনের কাজেও আত্মনিয়োগ করেন। প্রাদেশিক সম্মেলনের ঢাকা অধিবেশনে রেভারেও কাজীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বৎসর যে অভিাষণ দেন, কবি বাংলায় তার সারমর্ধ জনসাধারণকে বুঝিয়ে দেন। গ্রসঙ্গক্রমে দেশের রাজনীতিক আন্দোলনে জহিদারবর্গের অলসহযোগিত।র তিনি ভীত্র নিন্দা করেন, স্বয়ং ভঙিদার হয়েও। বলেম্দ্রনলাথদের কারবার ইতিমধো কাহিল হয়ে এল। ৮টের কারবার কবি বন্ধ করে দিলেন এবং সমষ্ত লোকসানের দায়িত্ব নিলেন পিচের কাধে। ঠার ম্ষেহভাজ্জণ বলেন্ছনাথের এই বছরই মৃত হয় এবং “সর্ঠ শোক কবিকে প্রবলভাবে আঘাত করে।

'লাধশ। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, এই সময় কিছুপ্গিনের জন্তে রবীন্দ্রনাথ 'হরতী'র সম্পাদন হার শেন। তারপর *ভাবতী'ব দায়িত্ব যায় স্বর্ণকুষারীব বথা। সরল| দ্বার হাতে ভারত ইতিহাসের স্বিদিত বীরত্ব মহত্বের উপাখানগুলি শি এই সময় তিনি লেখেন “কথ। প্রনিদ্ধ কবিহাগুলি। 'ক্ষাণক1র৪ রচনা এই সময়ে শিলাইদহেব কুহীবাডীতে বসে কবি মাত্র দু দিনে 'ভারতী'র জন্যে পচরকুমাব সভা" বইটি লেখেন প্রথম তা ছিল একটি রক্ষ-উপন্থাস, পবে কবি কাহিনীটি নাটকে রূপান্থরিত করেন। ঠাকুর পরিবারের প্রিষ্বন্ধু এবং রবীন্দ্রনাথের শ্রদ্ধাভাজন কবি বিহ্বারীলালের জোষ্টপুত্র শরংচন্ত্র চক্রবতী'র সঙ্গে এই বসব তার জোর্গা কন্ত" বেলার বিবাহ £য়ু। এই বৎসর ত্হী পৌষ উপলক্ষে শান্তিনিকেতন যন্দিবে কবি প্রথম উপামশ-বেদীতে আচাযের কাজ কত্েন।

শান্তিনিকেতনের সঙ্গে ক্রমেই তার সম্পর্ক ঘনিষ্ট হয়ে আসছিল। দেংবজ্জনাথেব ম্াদ্শ, &কশোরে তার কাছে পাওয়া উপনিষদের উপদেশ, ববীন্দ্রনাথের মনে প্রাচ্য সংস্কৃতি জীবন-নীতি সম্বন্ধে যে শ্রগভীর শ্রদ্ধা সঞ্চার করেছিল, ভা-ই ঠাকে ধারে ধীরে শান্তিনিকেতনের প্রতি আক করে। ১৯০১ সালে জযিদারির ভার পরিতাগ করে তিনি সপরিবারে চলে আসেন শান্তিনিকেতনে এবং পিতার সম্মতিষ্ষষে এখানে প্রাচ্য আদর্শে 'ব্রদ্ষচধ বিষ্তালয়' নাষে একটি শিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন কবি হ্য়ং নেন ছাজ্দের শিক্ষার ভার! তিনি তাদের সঙ্গে খেলাধুলে! যেলাষেশা করতেন এবং সহজ আনন্দে যাতে তার! হাসি-খুসির ভেতর দিয়ে জানলাভ

রবীন্জর চর্চার ভূমিকা ২১

করতে পারে, যাতে তাদের কল্পনা সহজ অন্ততৃতিগুলি পাঠাপুস্তকেব চাপে বিকৃত ন। হয়, তাব জন্যে তার সমস্ত বুদ্ধি ষনীষ। একযোগে নিয়োগ করতেন!

এই কাজে তিনি সহযোগী পেলেন ভগদাণন্দ রায়, উইলিয়াম লরেন্স , স্বামী অণিমানন্দ ) এব* পণ্ডিত শিবধন বিস্তারকে পরে এদেয় সঙ্গে এসে যোগ দিলেন হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্্গবান্ধব উপাধ্যায় এবং সভীশচন্ রায়। বোলপুর ব্রঞ্চচয বিষ্তালয পাশ্চাতা শিক্ষায় অভিভূত বাঙালীর চোথে নৃতন একটি আদশের পথ খুপে দিল। কতকগুলি বিশিষ্ট পরিবাপের ছেলে এল এখানে শিক্ষালা5 করতে। কিন্তু ব্রঙ্গচয বিগ্ালয় চালানোর বায়ঞাব নিধাহ কবা খুব সহ হল পা। ববীন্ণাথকে একক ভাবে “৪ বায় বহন কবতে প্রচুব বেগ পেতে হল। কিনি পুরীর বাড়ী বিক্রী কবে ফেললেন এন" তার স্ত্রীও সানন্দে শিজেব অলঙ্কাবগুলি একে একে বিণ করে ম্বামীতে এই লম্কটে সঠায়ত। করলেন। দ্বভাগাবশত ১৯*২ লালের শচেগ্ছব মাসে আকনম্মিক পীভায় কবি-পত্বী লোকান্তরিত। হলেন এবং এখামেই স্ব” হল ববীন্দ্র-জীবনেব নূতন মপ্যায়।

মৃণা'লনা দেবী ঠাকুর পরিবারে এসেছিলেন অভ্যঞ্ অল্প বসে পল্পী- গ্রামের নরলচিত্ত বাপিকা তিনি এই অভিজাত পরিবারের বধু হয়ে এবং এ* বড় প্র'তভার অধিকার? কবির যোগ্য পত্থী হয়ে, নিজের অসাধারণভারহ প্রচয় দিয়ে গেছেন। ববা্্নাথের কর্মবাস্থ বাইবের জীবনের সঙ্গেই দেশের পবিচয়। তার পারিখারিক জীবনের খবর 'অনেকেব জান। নেউ। তাহ কবির দাম্পত্য জাঁবন আঠার গাহস্থা রূপ অনেকের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে।। কিন্তু কবি যেস্বামী পিত! কূপে ছিলেন অত্যান্ত স্েহশীল কর্তব্য পরা?৭, অত্ান্ত স্রাববেচক একনিষ্তা। সম্পর, তা জানা ৮দ ঠাকুর পবিবাণের বধ হেষলত দেখী লিখিত “সংসার রবীন্দ্রনাথ নামক রচনাটিতে এই প্রবন্ধে তিনি দেখিয়েছেন, কি ভাবে কবি একদ। তার পুত্র-কন্যাদেৰ সঙ্গেং যত যাছুষ করেছেন, কি ভাবে পীড়িতা পরীকে অক্লান্ত মমতায় সেব। করেছেন, বাইরের এত রকম কাকের ধধ্যে৪ মংসারের খুঁটিনাটি প্রত্যেকটি ভিনিষে কি ভাবে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছেন। কবি-পত্ধীর অনেক বৈশিষ্ট্যের কথাও জান! যার এই প্রবন্থটিতে। জান] যায়, রবীন্দ্রনাথের মতো গুণী,

২২ রবীন্র চর্চার ভূমিক।

আনী ধনীর পত্মী হয়েও কি তাবে তিনি রকমারি ছুঃখ-কইট কৃচ্ছ ভা হাসিমুখে ্বীকার করে নিয়েছেন। পন্থীবিয়োগে বাধিত কবি এই সঙয় তার উদ্দেশে লেখেন তার রণ কাবা, আর ষাতৃহীন শিশু শমীন্্কে ভোলাবার জন্তে লেখেন প্রসিদ্ধ “শিশু? কাব]।

কিন্ত এইখানেই তার দুর্ভাগ্যের পালা শেষ হল না। তার দ্বিতীয়া কন্তা রেপুকা যাতার মৃত্যুর ছয় মাস পরে মার যান। রেপুকার বিবাহ হয়েছিল সত্যোন্্রনাথ উট্টাচার্ধ নাষে এক তরুণ ডাক্তারের সঙ্গে। পত্বীশোকে অধীর কবি কন্তাবিয়োগে একেবারে ভেঙে পড়লেন নাবালক ছেলে শমীন্দ্র কগ্ত। মীরার লালন-পালন নিয়ে মহা চিন্তায় পড়তে হল তাকে কি করে তিনি একাধারে যা বাবা হয়ে এদের খানুষ করেছেন, সেই সঙ্গে বহুমূখী বর্মক্ষেত্ের প্রত্যেকটি আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন, সে কথ' ভেবে বিস্মিত হতে হয়!

১৯*১ সালে শ্ীশ মন্ধুমদারের সহযোগিতায় রবীন্দ্রনাথ বন্ধিষচন্দ্রের “বজ দর্শন' নব পর্যায় প্রকাশ করতে আরম্ত করেন। এর পৃষ্ঠার তিনি ধাবাবাহিক চাবে লেখেন “চোখের বালি? “নৌকাড়ুবি' উপন্ভাস। ছাড়া সময় প্রকাশিত হয় তার 'টৈবেষ্ত' কাব্য। রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে নব পধায় “বঙ্গদর্শন, আবার বাংলা দেশের সাংস্কৃতিক মুখপত্র হয়ে দাড়ায় এবং রামেত্রহুন্দর জ্বিবেদী, অক্ষয়কুমার মৈজ্রেয়। বিপিনচগ্জ পাল প্রমুখ এতে লেখকক্কপে যোগদান করেন। এখন থেকেই প্রকৃতপক্ষে স্থরু হয় বাংলার সংস্কৃতিক্ষেত্রে রবীজ্নাথের নেতৃত্ব এবং বিশিষ্ট গুণীদের দ্বার সে নেতৃত্ব অন্ধার সঙ্গে স্বীকৃত হয়।

১৯০৪ সালে শাস্তিনিকেতন আত্রমে হঠাৎ বসন্ত যহাযারী ক্ধপে দেখা দেয় এবং ক্রচ্মচধ বিস্বালয় সাময়িক ভাবে শিলাইদহে স্থানান্তরিত করতে হয়। এই সময় অধ্যাপক মোহিতচন্ত্র সেন রবীন্দ্রনাথের কাব্য গ্রস্থাবলী সম্পাদন করে নয় খণ্ডে প্রকাশ করেন। তার নাটক, উপন্তাস, গল্প প্রবন্ধগুলিও সংগৃহীত গ্রস্বাবলীরূপে 'হিভবাদী' কাষালয় থেকে প্রকাশিত হয়। এছাড়া ্রঙ্ধচর্য বিস্তালয়ে ব্যবহারের জন্তে নানা বিষয়ে পাঠ্যপুত্তকও কবি লেখেন অনেকগুলি; ইংরেজী সোপান, অগ্বাদ চর্চা, সংন্কউ পাঠ ইত্যাদি এই্গুলির সশ্মিলিত আয়ে শান্তিনিকেতনের আথিক অবস্থা অনেকটা স্বচ্ছল

রধীন্ চর্চার ভূমিকা ২৩

হয়। বলে রাখা মরকার যে তখনো শান্তিনিকেতনে আজাহার, বাসস্থান শিক্ষার জন্তে ছাত্রদের কাছ থেকে কিছু নেওয়া হত না।

রবীজ্জনাথের রাজনীতিক জীবন আস্তে আস্তে সুরু হয় এই সহয় থেকে ধীয়ে ধীরে নেষে এলেন তিনি প্রত্যক্ষ কর্মক্ষেত্রে, সাহিতা সংস্কৃতি সেবার নিভৃত লোক থেকে বিভিন্ন সভা-নমতিতে তিনি আখ্মকর্তৃত্ব সম্পন্ন স্বদেশী শাসন লাভের পক্ষে পরকীয় শাসনব্যবস্থার় বিরুদ্ধে তীত্র আন্দোলন চালাতে লাগলেন প্রবন্ধে বক্তৃতায়। রমেশচন্ত্র দত্তের সভাপতিত্বে যিনার্তা থিয়েটারে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি "ম্বদেশী সমাজ" প্রবন্ধ পাঠ করেন। এই প্রবন্ধে তিনি দেখান আবেদন-নিবেদন, বক্তৃতী। প্রস্তাব গ্রহণ ছেড়ে দেশকে অবহিত হতে হবে আন্ম-সংস্কারে। আত্মশক্তিতে উত্বদ্ধ এঁক্যবদ্ধ হয়ে অগ্রসব হতে হবে দেশের শিক্ষা, সমাজ, ব্যবলা-বাণিজ্য রাষ্ট্র-বিধি পুনর্গঠনে এই সময়ের লেখ! 'রাজকুটুম্ব,' 'থুষোনুষি, “রাজা-প্রজা' প্রভৃতি রচনাতেও ধ্বনিত হয়েছে একই স্থর। এক বসব পরে সমস্ত দেশ উৎক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে যেন্বদেশী আন্দোলনে, প্রকৃত পক্ষে তার আবহাওয়া] এই ভাবে তৈরী করবেন অনেকটা রবীন্দ্রনাথই

১৯৫ সালে দেবেন্দ্রনাথ দেহরক্ষা করেন এবং জ্োষ্ঠ ভ্রাতা দ্বিজেন্্রনাথ আেন স্থায়ীভাবে শাগ্তিনিকেতনে বাস করতে এই সময় কলকান্ায় ইবি হাবেল 'মবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেষ্টায় সরকারী আর্ট স্কুল স্থাপিত হয়। ভগিনী নিবেদিতা, কাউণ্ট ওকাকুরা এবং রবীন্দ্রনাথ ছিলেন এর প্রধান উদ্যোগী ভারতীয় চিত্রকলা আজ যে বিশিষ্ট মধাদার 'মধিকারী হয়েছে, তার পিছনে জাছে শিল্পাসাধ অবণীন্ত্নাথের সাধন রবীন্দ্রনাথের সহযোগিতা» কথা হয়ত অনেকের জানা নেই

এই নষয় লর্ড কার্জন বঙ্গ-ভঙ্গের সন্কল্ন করেন। ১৯*২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্ঞ/লয়ের সমাবর্তন উতৎ্মবে তিনি প্রাচাদদেশ বালীদের সম্বন্ধে যে অশিষ্ট উক্তি করেন, তাতেই সমস্ত দেশে তার বিরুদ্ধে ধৃমায়িত হচ্ছিল তীব্র অসন্তোষ বজ-ভক্গের উদ্চোগে তা দাবানলের মতো জলে ওঠে এবং সহগ্ন বাংলা জুড়ে সুরু হয় প্রবল আন্দোলন। রবীন্দ্রনাথ নেষে এলেন সেই আন্দোলনে টাউন হলে ১৯৫ সালে যে সভা হয়, ভাতে “মবস্থ। ব্যবস্থা” নাষে তিনি পাঠ করেন তার সর্বজনবিদিত বন্কৃতা। এই ব্ৃতায় তিনি এক

রবীন্দ্র চগির ভূমিকা

দিকে প্রচার ঝরেন প্রতিক্ষিয়াীল গভর্ণযেণ্টের সঙ্গে অসহযোগিতার নীতি, অন্দিকে জানে কর্মে বিজেবাবসায়ে দেশবাসীকে শ্বাবলন্থী আত্মনির্ভরশীল $তে বলেন। এই আন্দোলন যে কেবলঙ্াত্র বাদ-গ্রতিবাদেই পধবমিত হয়নি, দেশবাসী যে শ্বদেশী শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাপনের দ্বারা বিদেশী বণিক- সরকারকে ঠাতে-কলঘে কাবু করার কাজে অগ্রসর হন, মে অনেকটা রবীজ্নাখের গঠনমূলক পরিকষ্পানার জন্যে বল। যেতে পারে, শরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেথা জেন এই "আন্দোলনের দেকরূপে, আর রবীন্দ্রনাথ 9 বিপিনচন্দ্র পাল তার আগ্মারপে।

এই সম পবান্রনাথ বাংলার শগবিডিন্ন। একাগ্মতার প্রতীক হিসাবে রাখা-বন্ধন উৎসব প্রবর্তণ করলেন এই উপলঙ্গে র'চত তার বিধাত গান, “বিধির বিধান কাটবে ভুমি এমন শত্তিমানা ভখন জনষনে হবল সাড়া ভলেছিল। আতর অনেক গানই [হন লেখেন এই সময়ে, যার মধ্যে বাংলার মাটি, বাংলার ভগ গসিদ্ধ এব* হব শোজাযাজ্জ' সঙবারে এই গান গেছে নি সম দেশ ভোলপাড বরে ভোলেন। ছাত্রদের বাজনৈতিক সভা- সমকিতে যোগদান বন্দে মাতরমা গান গাওয়। নিষন্ধ কবে গবর্ণমেপ্ট বে সাধ্পার জারী বেশ, ছাত্রদের এক বিবাট সভায় রবীন্দ্রনাথ সভাপতি রূপে ভার প্রাতবাদ কবেন একটি বডতায়। স্বদেশ আন্দোলন সাফল্োের সঙ্গে চালানোর জণ্তে একটি জাতীয় ধন-ভাগতার খোলা হয়। রবীন্দ্রনাথের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একপনের অর্ধবেশনেই এর জন্যে ওঠে পঞ্চাশ হাজার টাক | ববীঙ্জলাথ হয়েছেন তখনকার যুবক ঈমাজেব মনোরাজোব একচ্ছত্র সম্বাট।

(১৯০৬--১৪)

পনেরো থেকে তিরিশ বৎসরের মধ ববীক্নাথের গ্রত্িভা সমগ্রত লাশ করেছিল। তা সম্পূর্ণতা লাহ কবল তিরিশ থেকে পমতাক্িশের মধো। এধন থেকে জ্ঞান কর্মের, শিল্প সংস্কৃতির সর্বক্ষেত্রে সম্ভাংব পরিবাপ তয়ে কাটতে লাগল ঠার জীবন এবং বোঝা গেল যে সমসাময়িক কালের মকলকে ছাপিয়ে উঠবেন ভিনি প্রতিভা মশীধাব প্রদীপ্ধ প্রভায়। তখনকাব বাংলা দেশে প্রথম শ্রেণীর মনীষার অধিকারী খুব কম ছিলেশ ন'' রাজনীতি ক্ষেতে ছিলেন ক্ররেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপিনচঙ্জজ পাল, অর্ন্দ ঘোষ জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ছিলেন জগদীশচন্দ্র বন্ধ, প্রফুল্লচন্দ্র বা, ব্র্ছন্্নাথ শীল, হরপ্রলাদ শাস্ত্রী, বামেন্দ্রন্দব ত্রিবেদী, বিবেকানন্দ শ্বাধী। সাহিতোর বিভিন্ন বিভাগেও বড নামেব অভাব ছিল না।