?)168

ঈশ্বরের স্বল্প

শ্রীকালীচরণ, সেন বি এল্‌

প্রুিত।

গৌহাটি সনাতন ধর্দ্মসভা হইতে সহকারিসম্পাদ্ক প্রিরামদেব 2 কক

শরচাশিত।

জট

সন ১৩২১ সাল

রি

প্রা্িস্থান_- সনাতন ধর্মমত মন্দি (গীহাটি-_কাঁমরূগ।

হী জী কলিকাতা, ৬* নং মৃজাপু্ ্াট

বনিক প্রেস হইতে শ্ীশিবপদ ঘোষ বর্মণ ্বার। মুদ্রিত।

শু জ্ন্গা

পিতা স্বর্গ; পিতা ধর্দঃ পিতা হি পরমং তপঃ। পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্ববদেবতাঃ |

7

স্বর্গত পরমারাধ্য পিতৃদেৰের প্রীতি কামনায় তাহার পুণ্যময় পবিত্র নামে তদীয় অকিঞ্চন তনয় | কর্তৃক হিন্দুর উপাপন।-ত তত তক্তি শ্রদ্ধার সহিত উতসর্গীকৃত হইল।

চে

নিবেদন।

গৌহাটার সনাতন ধর্ম সভায় কয়েক সপ্তাহ ধরিয়া যখন উপাসনা-তত্ সম্বন্ধে আলোচন! করা হয় তখন আমার আলোচিত বিষয় যে পুস্তকা- কারে প্রকাশিত হইবে এরূপ সংকল্প কখনও মনে স্থান দেই নাই। তৎপর সভা হইতে সমাজ দেবক পুস্তকাবলী নামে সনাতন ধর্ম সম্বন্ধে কতকগুলি গ্রস্থ গ্রকাশ করিবার পরামর্শ স্থির হওয়ার আরম কয়েকজন বন্ধুর উৎসাহে গ্রন্থাবলীর অন্ততূ্ত করিয়া! উপাসনা-তত্ব প্রকাশ করিতে অগ্রসর হইলাম। হিন্দুর ছুদ্দিনে বদি এই গ্রন্থ পাঠে সমাজের। এক ব্যক্তিরও স্বধন্ম্মে আস্থা হয় তাহা হইলে শ্রম সার্থক মনে কৰিব

এই গ্রন্থের কিয়দংশ পুজ্যপাদ পণ্ডিতপ্রবর শরধুক্ত শশধর তক চুড়ামণি মহাশয় দেখিয়া! দিরাছিলেন। পরে তদীয় ভাগিনেয় কটন কলেজের ভূতপুর্বব সংস্কৃত অধ্যাপক শ্রীযুক্ত শ্তামাচরণ ভট্টাচার্য এম বাচস্পতি মহাশয় গ্রন্থথানি আদ্ঘোপান্ত পাঠ করিয়া স্থানে স্থানে সংশোধন- পূর্বক আমার বিশেষ কৃতজ্ঞতা ভাজন হইয়াছেন। কটন কলেজের স্কত দিনিয়ার অধ্যাপক পরম শ্রদ্ধাম্পদ শ্রীযুক্ত পন্মনাথ ভ্টাচার্য বিগ্ভাবিনোদ এম। অন্ততর সংস্কৃত অধ্যাপক শ্রীযুক্ত লক্ষীনারায়ণ চট্রোপাধ্যাক্ মহোদয় প্রুফসিট সংশোধন করিয়া আমার বিশেষ আন্গুকুল্য করিয়াছেন; তজ্জন্ত আমি তাহাদের নিকট বিনীতভাবে কৃতজ্ঞতা জানাইতেছি।

7৬

এই গ্রন্থ প্রণয়ন সম্বন্ধে শ্রীযুক্ত যতীন্দ্রনাথ সিংহ মহাশফের সাকার ওঁ নিরাকার তত্ববিচার নামক গ্রন্থ এবং শ্রীযুক্ত তর্ক চূড়ামণি মহাশয়ের, লিখিত প্রবন্ধাবলী হইতে বিশেষ সাহায্য লাভ করিয়াছি। স্বর নিরত। রযুক্ত হূর্গাদাস লাহিড়ী মহাশয়ের পৃথিবীর ইতিহাসের তৃতীয় খখ ঈশ্বর পরিচ্ছেদ হইতে কতক শাস্ীয় প্রমাণ উদ্ধত করিয়াছি। শ্রীযুদ্ হীরেন্্র নাথ দত্ত মহাশয়ের গীতাঁয় ঈশ্বর বাঁদ হইতেও কিয়ৎ্পরিমাে। সাহায্য প্রাঞ্ত হইয়াছি। এজন্য আমি &ঁ সকল মহাত্মার নিকট বিশের্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিতেছি

“হিন্দুর উপাসনা-তত্ব” প্রবন্ধ অতিশয় বিস্তৃত হওয়াতে এবং সমাং সেবক পুস্তকাবলীর আকার মূল্য যথীসম্তব স্বল্প করিবার প্রস্তান হওয়ার, আমি ইহা ছুইভাগে বিভক্ত করিতে বাধ্য হইলাম। প্রথম ভাগে 'ঈশ্বরের স্বরূপ বিবৃত হইল। দ্বিতীয় ভাগে ঈশ্বরের লিজ

বিষয়ে আলোচনা করা হইবে। প্রাগৃজ্যেতিষপুর (কামরূপ ) ] গ্রন্থকার

১৮৩৪ |

ভ্িল্লুন্ল সস্পাস্ননী-ভক্ভ।

.. হি এত

ঈশ্বরের স্বরূপ।

(১) নিগুণ ভাব।

আজ কাল শিক্ষিত সমাজে অনেকেই ঈশ্বরউপাদন! কবা আবগ্তক মনে করেন না। তাহাদের ঈশ্বর সঙ্গদ্ধে সুম্পষ্ট ধাবণাও যে আছে পে ধোধ হয না। অনেকের এরূপ বিশ্বাপ যে, এক জন ঈশ্বর আছেন সতা, কিন্তু তিনি খোপামোদ প্রিয় নহেন। অতএব তাহার *উপাপন| করা অনাবগ্তক। তীহারা বলেন, সংসারে নৈঠিক জীবন যাত্রা নির্বাহ করিলেই হইল; ধর্ম জ্বর উপাসনা নিয়া সমস ক্ষেপণ করার বিশেষ কোনও প্রয়োজন নাই। যাহারা ইংরাজি শিক্ষিত 'নাহেন তাহাদের মধোও যুগ-ধর্ধের প্রভাবে অনেকে এই প্রকার উপাসনা | সম্বন্ধে উদ্ানান ! আর্ধাশান্ত্রের মত যে, ঈশ্বর উপাসনা মানবের অবস্ 'কর্তবা এবং তাহা না করিলে প্রত্যবার় ঘটিবে। উপাননা সম্বন্ধে আলোচনা করার পৃর্নে আমরা বাহার উপাননা করিব, তাহার স্বরূপ কি তাহা নিনয় করা আবগ্তক। কারণ বাহার উপাসনা করিব, তিনি কিবন্তর তাহা জানিলে তাহার ধ্যান ধারণা কিছুই হঈতে পারে না; এজন্য ঈশ্ববের স্বরূপ কি তাহা! আমাদের সর্ধাগ্রে আ'লাচনা করা আবশ্তাক। আধ্য শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত এই যে, ঈশ্বর সাকার সগুণ। তাহার আর একটা ভাব বা অবস্থা আছে যাকে শাস্ত্রে

খু

হিন্দুর হি

স্পসটর্রসিপাসি পিসি সত িসিপসিপািতস পট প্র পাটির শা পাস পি শাসিত পাটি স্পা রাসিপািত িপিস্টিপাসি টি ৬৯ পাশ ৩৬৫ 2৯ ভি তা আাস্িসিাসিলাছি পাটি পস্পীছিত

নিগুণ, নিরাল্ব নিরুপাধিক বলিয়াছেন। যখন তিনি এই অবস্থার থাকেন, তথন তাহার কোন ধর্ম কিক্রিয়া থাকে না; কাজেই অবস্থা মানবের মন, বুদ্ধির অগোচর উপাশ্য নহে এই নিপুণ অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করিয়া শান বলিয়াছেন “যতো বাচো নিবর্তন্তে অপ্রাপ্য মনসা সহ৮। তৈত্তি ২৪8।১। তাহাকে বাকা মনের দ্বার! প্রকাশ ধারণা করা যায় না) তিনি মন, বুদ্ধির অগোচর। তীহাৰ এই অবস্থার প্ররুত স্বরূপ মানুষের ভাষা দ্বারা নির্দেশ করা যায় না। শাস্ত্র বলিতেছেন, যাহারা নিগুণ ভাব উপলব্ধি করেন তীহারা অনন্ত অথণ্ সু প্রাপ্ত, তাভাদের দ্বৈত ভাব থাকে না) সাধক সাধ্য ভাব লোপ হয়। তখন আর কে কাহার উপাসনা করিবে, লাধক কেবল পরম আনন্দ-সাগরে ভামিতে থাকেন।

তা কেন কংপশ্তেৎ, কেন কং বিজানীয়াৎ।-_বুহদারণাক ৪8161১৫। তখন সাধক সাধ্য এক হইয়া যার, কে কাহাকে দেখিবে, কে কাহাকে জানিবে। রামকষ্চ পরম হংস দেব এক দিন বলিয়াছিলেন

রঙ্গ কি তা মুখে বলা যায় না। যার হয় সেখবর দিতে পারে না”। “ত্রহ্গজ্ঞান হয়ে সমাধি হালে আর 'আমি” থাকে না। তখন কি অবস্থা হয় মুখে বলা যায় না। যেমন মুনের পুতুল সমুদ্র মাপতে গিছিলো। একটু নেমেই গলে গেল। তিদকারকারিত?, তখন কে উপরে এসে সংবাদ দেবে সমুদ্র কত গভীর ।” এই জন্য শাস্ত্র বলিয়াছেন “মুকা স্বাদনবৎ” বোবার রল মাম্বাদন করার গ্ভায়। বোবা যেমন রম আস্বাদন করিয়া তৃপ্ত হয়, কিন্তু ভাষা দ্বারা *কাশ করিতে গ্রারে না; তদ্রপ এই সকল জীবনুক্ত বক্তিগণ ধাহারা ঈশ্বরের নিগুণ ভাব উপলব্ধি করিয়াছেন তাহারা! ভাষা হ্ধাধা অবস্থা প্রকাশ করিতে পারেন না |

ঈখরের স্বরূপ |

শ্রুতি বলিতেছেন ;_

“ন তত্র চক্ষুর্চ্ছতি, বাঁক্‌ গচ্ছতি মনো নবিদ্ধো বিজানীমো বখৈতদন্ুশিষ্াদন্ঠদেব তদ্ধিদিতাদথে৷ অবিদ্িতীদধি |” কেনোপনিষদ্‌ ১/৩।

যেখানে চক্ষু যাহতে পারে না, বাঁকা যাহতে গাগ্পে শা, মন যাইতে পারে না, বুদ্ধি যাতে গারে না) আমবা তাহাকে জানি না) কিরূপে তাহার উপদেশ দেওয়া যাইবে? তবে পধ্যন্ত বলা যাইতে পারে যে, তিনি জগতে জ্ঞাত অজ্ঞাত দত পদ্দাথ আছে তত্যসুদবায় হইতে ভিন্ন।

তুমি বদি বল তিনি তেজোময়, তাহা হইলে হইল না; কারণ তাহার কোন রূপ নাই, তিনি চক্ষুর বিষয় নহেন। যদি বল দয়াময়, প্রেমমর তাহা হইলেও হইল না, কারণ তিনি সমন্ত প্রকার গুণ ধনের অতীত, তাহার কোন গু৭ কি ধর্ম নাই শান্ন জগদস্বার এই অবস্থাকে ণক্ষ্য কারয়া বলিয়াছেন;

“বন্মনসা মন্থুতে যেনাহুমনো মতম্‌। তদে ব্রক্ষ ত্বং বিদ্ধি নেদং যদিদমুপাসতে ।৮ কেনোপনিষদ্‌ ১৫।

যাহাকে মন দ্বারা ধারণা করা যায় না, কিন্ত মন যাহ] হইতে নিজ শক্তি প্রাপ্ত হয় তিনিই ব্রহ্ম; তিনি উপাস্ত নেন |

যদি উপাঁপনা1 করিতে চাঁও তাহা হইলে ইভা (নিগুণ ত্রক্গ-ভাব ) উপাসনার বস্তু নহে, “নেদং যদিদমুপাঁসতে”। স্থানাস্তনে বলিয়াছেন অবস্থা যে কি, তাহা প্রকাশ করা বায় না। “স এষ নেতি নেতি আত্মা”। বৃহদারণ্যক 818।২২। এই প্রকার অভাঁক-বাচক নেতি নেতি শব দ্বারা শাস্ত্র কতকটা আভান দিয়াছেন মাত্র। তুমি মন বাকোর

রা যাহা কিছু ধারণা করিবে বলিবে তাহা তিনি নহেন।

স্াশপীস্পিশিস্পিরী উপাস্পিত সিপিসিপা ছিপ সিশাটিপাসিপসটিরাসিত পািপাসপাসিপাটি এিপাস্িপাসিল উপ পাপা তত ৩৯৫ ১পশিপ সপ পাশ তি সতত সি ৩৯

হর উপাসনা-তত্ব।

সপ শপ ০৯২ সিসি ্্পাপ্াস্পাসিিসিপ তাস্পি অাস্পিাতিসিরী আস সিতশিপাটিত সি তি শত ৩৩০৩ পাপা তু

হি ক্তোত্রের তীয় শ্লোকে আছে--

“অতীত; পম্থানং তবচ মহিমা বা$মন সর! রতদ্বযাবৃত্তা বং চকিত মভিধত্তে শ্রতিরপি

“হে দেব তোমার মহিমা বাক্য মনের অগোঁচর। বেদ ইহা নয়, উহা নয় €( নেতি নেতি ) এইক্প অভাব বাচক শব্দ ঘারা কীর্তন করিয়াছেন»

তাহার নিণত৭ ভাবের প্রতি লক্ষ্য করিয়া শান্তর এইরূপ বলিয়াছেন। তিনি যে কি, তাহা দানবের বুঝিবার, ধরিবার উপায় নাই। তাহাকে যিনি বুঝিয়াছেন বলেন, তিনি তাহার অবস্থা বুঝিতে ধরিতে পারেন নাই। কারণ দতক্ষণ পর্ধান্ত “আমি” অর্থাৎ অহংজ্ঞান থাকিবে ততক্ষণ পর্যন্ত ব্রষ্মকে জানিতে পারা যায় না। আমি একটী স্বতন্ বন্ত এই জ্ঞান যখন একেবারে তিরোহিত হর, আমি বঙ্গ একই পদীর্ঘ যখন নিশ্চয় জ্ঞান হয়, তথন তাঁহাকে জানা বায়। আমিত্ব না গেলে তাহাকে জানা যায় না, আবার যখন তাহাকে জানিতে পারা সায় তখন আমিত্ব থাকে না। তখন আমিত্ব ব্রঙ্গ এক হইয়া যাঁয়।

যন্তামতং তম্ত মতং মতং যস্ত বেদ সঃ।

অবিজ্ঞাতং বিজানতা* বিজ্ঞাত মবিজানতাম্‌ কেন ২৩ “নি ব্রঙ্ধকে জানেন না, তিনিই জানেন; যিনি জানেন, তিনি জানেন না। ব্রঙ্গ ধিনি জানেন, তাহার অজ্ঞাত, আর ধিনি জানেন না, তাগারই জ্ঞাত। কথাটা বিরুদ্ধ-ভাঁবাপন্ন বলিয়া বোধ হইলেও প্রকৃত পক্ষে তাহা নহে। যে পর্যান্ত জ্ঞানা জেেয় জ্ঞান পৃথক থাকে ততক্ষণ বন্ধ অজ্ঞাত ধাকেন; আর যখন মেই তেদ বুদ্ধি রহিত হইয়া জ্ঞাতা জ্বেয় জ্ঞান এক হইয়া যাঁয়, তখন ব্রহ্ম জ্ঞাত হয়েন। ধিনি ব্রহ্ষকে জানিতে পারিষ়াগাছেন তিনি ব্রন্গেই পরিণত হন। ্্রক্গবিদ ব্রদ্মৈব ভবতি”।

ঈশ্বরের স্বরূপ

শা পপি শাহি স্টপ পাত সত পাস সপাস্ট শি তি সত স্ি্ান্পি্ট সি স্পা তা আটাশি সি ৮৬৫ পিউি সিল সপ শশা ৮5

তৈত্তিরীয় ২১।১। তখন আমি জানিয়াছি « এরূপ জ্ঞান থাকে না, নুনেব পুতুলেব স্টায় আমিত্ব ব্রঙ্গ সমুদ্রে মিশিয়া যায়।

যেন্ধপ নদী সকল সমুদ্রে পতিত হইলে নিজ নিজ নাম লোপ পাইয়া সমুদ্রে পরিণত হয়, ফেই প্রকার ধিনি তাহাকে জানিতে পারিয়াছেন, তিনি পৃথক অস্তিত্বহীন হইয়া! সেই পরাৎপর পরম পুরুষের স্বরূপে লীন হন, তখন আর মমি জানিয়াছি এরূপ কে বলিবে।

খিথ। নদাং স্যন্দমানাঃ সমুদ্রেহস্তং গচ্ছন্তি নামরূপে 'বভায়।

তথা বিদ্বান নামরূপাদ্‌ খিমুক্তঃ পরাৎ পরং পুকষ মুপৈতি দিব্যম্‌ 1

* শা, ৩২৮

যেমন গঙ্গাদি নদী সকল প্রবাহিত হইতে হইতে নানা প্রকার নাম নানাবিধ আকার ধারণ করে, কিন্তু যখন সমুদ্রের সহিত মিলিত হইয়া যার, তখন আর তাহাদের কোনই পৃথক নাম 'আকার থাকে না, সেই প্রকার বিদ্বান ব্যক্তি ( আতন্মদরশী বাক্তি) অপিগ্ধাকৃত নাম রূপ ১ইতে বিমুক্ত হহয় পূর্বোক্ত পরম অক্ষর হইতে পন দিব্য পুরুষকে অর্থাৎ পরমান্থাকে প্রাপ্ত হইয়া থাকেন

জগদস্বা যখন শুদ্ধ এই ব্রহ্ম বা পরমাম্মা ভাবে থাকেন তখন স্থষ্টি স্থিতি কিছু করেন শা। তাহার এই ভাব অতি ছুজ্জেয় এবং তাহা বুঝিবার শক্তি সামর্থ্য আমাদের নাই। হাঁহার এই ভাব যখন শতিও প্রকাশ করিতে পারেন না তখন আমাদের পক্ষে এই নিপুণ ভাব উপলব্ধি করিতে বাওয়। বাতুলতা মাত্র

তিনি বতক্ষণ এই প্রকার নিগুণ ভাবে থাকেন, ততক্ষণ তাহার কোন আকার রূপথাকে না; তিনি তখন সম্পূর্ণ অনির্দেন্ত ; তিনি হুল নহেন, সুক্ম নহেন। তীহার শব্দ নাই, তাহার স্পর্শ নাই; তাহার রূপ নাই, ক্ষয় নাই। তিনি তখন “অশব্দ নম্পর্শমরূপ মব্যরম্‌ |

হিন্দ উপাসনা-তত্ব।

কপি পি পরস্টিরিি পাছি পাটি পাস শা পাপী

( কঠ ৩১৫)। তিনি তখন অূষ্ঠ, অগ্রান্থ, অগোত্র অবর্ণ ) তাহার চক্ষু নাই, কর্ণ নাই, হস্ত নাই, পদ নাই। শঙ্করাচার্য্য তৈত্তিরীয় ভাষ্য ব্রন্গের লক্ষণ নির্দেশ করিতে গিয়া বলিয়াছেন ; “সর্বকার্য্যধর্মৰিলক্ষণে বহ্ষনি |” সমস্ত কার্য 'ও ধর্ম হইতে বিপরীত তাহার সম্বন্ধে এইমাত্র বলা যায় যে, “অস্তি” তিনি আছেন ; তাহার অতিরিক্ত আর কিছু বলাও বায় না, জানাও যায় না “অন্তীতি ক্রবতোহন্তত্র কথং তছুপলভ্যতে ।৮ কঠ ৩!

অস্তি-- এই মাত্র বলা মায়, তাহার অধিক উপলদ্ধি হয় না। শাস্ধের মত এই বে, শান কথিত নির্ধশ্দ, নিগুণ ত্রন্মের উপাসনা হয় না। তবে শান “অধ্যাত্মধোগাধিগম্য” বলিয়! জগদন্বার এই অবস্থাকে নির্দেশ করিয়াছেন। কিন্তু সেই অধ্যাম্মযোগ বিষয়টা কি, তাহ! বুঝিতে পারিলেই ইহা সুন্বররূপে প্রতীয়মান হইবে যে, আমাদের ন্যায় বিষয়াক্ত মানবের পক্ষে এই অধ্যাত্মযোগ কথাটা পাগলের গ্রলাপবৎ। প্রাচীন খধি সমাজেও এই অধ্যাত্মযোগাবলদ্বী যোগীর সংখ্যা খুব বেশী ছিল বলিয়া বোধ হয় না। শ্রুতি এই অধ্যাম্মযোগের প্রতি লক্ষ্য করিয়। বলিয়াছেন ;--

“ক্ষুরস্ত ধারা নিশিতা ভুরতায়। দর্গম্পথস্তৎ কবয়ো বদস্তি।৮ কঠ ৩1১৪

যেমন ক্ষুরের নিশিত ধার দিয়া গমন করা! ছুঃসাধ্য, পঞ্ডিতগণ বলেন, এই অধ্যাত্মবোগের পথও সেইরূপ ছূর্গন।

শঙ্করীচার্য্য তীহার ভাষ্যে অধ্যাম্মযোগ এই প্রকারে ব্যাথা করিয়া- ছেন )--*বিষয়েত্যঃ প্রতি সংহ্ৃত্য চেতসঃ আত্মনি সমাধানম্‌।” অর্থাৎ ইন্জিয়, মন, বুদ্ধি বাহ জগত হইতে প্রতি নিবৃত্ত করিয়া আত্মায় লীন করার নাম সমাধি ফোগ। সেই পরম আত্মাকে পাইতে হইলে ইন্রিয়-

2. সি পাপা বাসার পীসিকীসি্াটি টি পাটি পাসি্াটিপপাসিপাটি তি পি ঠৌউি্পেি পিল পাখি পাটি লিশি ২৯ পোলিশ

ঈশ্বরের স্বরূপ

ভাটির সিরা তাটিপাসিপিসিবাস্পপাাসিপাস্পাস্পিস্িপাসিরা সিসি পাস পাসিনাস্পিিস্পিিস্পাসিলী

5. পেত পস্পিপী্ি অাশিত পি তা পাটির স্পা তত তা তি পসরা রি

শক্তিকে বিষয় হইতে সংহত করিয়া মনে , মনকে বিষয় হইতে সংহৃত করিয়া বুদ্ধিতে ; বুদ্ধিকে প্রকৃতিতে এবং প্ররুতিকে আত্মা বা ব্রদ্মে লীন করিতে হইবে এই প্রকার যোগ আমাদের স্তায় কামিনী-কাঞ্চনে আসক্ত মানবের অবলম্বনীয় নহে। বাহার দিবাঁরাত্র কেবল বিষয় নিয়! ব্যন্ত তাহাদের মুখে শাস্ত্রীয় নিরাকার নিগুণ উপাসনা অথবা অধ্যাত্মযোগের কথ প্রলাপ মাত্র। রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব বলিয়াছেন “তাকে ইন্দিয় দ্বারা বা এই মনের দ্বার! জানা যায় না। যে মনে বিষয় বাসন| নেই__সেই শুদ্ধ মনের দ্বারা তাহাকে জানা ঘাঁয়।” অধ্যাজ্যোগ এবূপ কামিনী- কাঞ্চন ত্যাগী মভাপুরুষের পক্ষেই সম্ভব। শাস্ত্র যেখানে নিপুণ উপাসনার কথা বর্ণনা করিয়াছেন, সেখানেই এই শাস্ত্রীয় অধ্াম্মযোগের কগা বলিয়াছেন। সগুণ ঈশ্বরের উপাসনা এবং এই অধ্যাত্মযোগ আকাশ পাতাল প্রভেদ। এই অধ্যায্মযোগাধিগমা বরহ্মজ্ঞানের প্রতি লক্ষ্য করিয়া এান্্স বলিতেছেন )--

“অয়ন্থ পরমো! ধর্্মো ধর যোগেনাত্ম দর্শনম্।৮-_বাজ্ঞবন্ধ্য .1৮

“নহি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্র মি বিদ্তে ।”_-গীতা ৪৩৮

পজ্ঞাতে দ্বৈতং বিগ্ভতে ।”-_-গৌরপাদকারিক! ১১৮ সমাধি যোগের দ্বার। অর্থাৎ জীব যখন এই বাহা জগত সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করিয়া এবং হৃদয়ের বাসনা প্রভৃতি সম্যক্‌ প্রকারে লয় পূর্বক প্রক্কৃতির পরস্তরে আরোহণ করিতে সমর্থ হন, তখন তাহার আত্মদর্শন য়। এই আত্মদর্শনই ত্রন্ধজ্ঞন নামে শাস্ত্র বিত। আমাদের আত্মা বখন উপাধি (বাসনা প্রভৃতি) শূন্য হয়েন, তখন তিনি ব্রহ্ম মানব-আত্ম! পরমায়া একই পদার্থ। “অয়মাত্মা ব্রহ্ধ” এই জীবাত্মাই ব্রহ্ম।

নিহি জ্ঞানেন সদৃশং” পদে যে জ্ঞানের কথা বলা হইয়াছে তাহা। এই

আত্মদর্শন বা র্গজ্ঞান। যখন এই জ্ঞান উপস্থিত হয়, তখন আমি

হিন্দুর উপাদনা-তত্ব।

পা

পাস লাস পিসির পরশ এত শনদ পাসিপাস্সপসিপিলাস্ী সপ,

ব্রহ্ম যে পৃথক পদার্থ এরূপ দ্বৈত জ্ঞান থাকে না, জীব শিব হয় এনৎ জন্মমৃত্যুর হাত এড়াহয়া জীবনুক্ত পুরুষ হয়। কাজেই শাস্ত্রীয় নিগুণ উপাসন] বা অধ্যাজআযোগ আমাদের স্ায় বিষয়াসক্ত বাঁহঞ্জগতে বিচরণ- শীল মানবের অবলম্বনীয় নহে। পথের অধিকারী একালে কে আছেন কিনা সন্দেহ, থাকিলেও তাহাদের সংখ্যা অতি অল্প এই অধ্যাত্বযোগের অধিকারী নির্বাচন করিতে গিয়া বেদান্তদার বলিতেছেন +-_ | “অধিকারী তু বিধিবদধীতবেদবেদাঙ্গত্বেনীপাততোহধিগতাখিল- বেদার্থোহম্মিন জন্মনি জন্মান্তরে বা কাণ্যনিষিদ্ধর্জনপুরঃসরং নিতা- নৈমিত্তিক প্রাযশ্চিত্তোপাসনানুষ্টানেন নির্গতনিখিলকন্মষতয়াী নিতান্ত নির্শল্বাস্তঃ সাধনচতুষ্টয়নম্পন্নঃ . প্রমাতা ৮». যিনি বিধি পুর্বৃক ( আজ কালকার ধরণে নহে) বেদ বেদার্গ অধারন করিয়া আপাততঃ অখিল বেদাথ অবগত হইয়াছেন, যিনি ইহ জন্মে কিংবা পুর্বজন্মে কাম্য নিষিদ্ধ কর্ম বর্জন পূর্বক, মন্ধ্যা বন্দনাদি নিত্য কর্ম, থাগ যজ্ঞাদি নৈশিত্তিক বর্শা, পাপস্থালন জন্য প্রায়শ্চিত্ত, উপাসনা অনুষ্ঠানের দ্বারা দর্ঝ প্রকার গাপ হইতে বিমুক্ত নিতান্ত নির্মল চি হইয়াছেন, যিনি সাধন চতুষ্টর সম্পন্ন ব্যক্তি, তিনি অধায্ম যোগেখ অধিকারী যিনি ব্রহ্গ নিত্য বস্ত অন্ত সকল অনিত্য পদার্থ ইহা অসংশ[ফিত রূপে বুঝিয়াছেন, ঘিনি ইহ কি পরকালে বিষয় ভোগে সম্পুণ নিষ্পৃহ হইয়াছেন, যিনি শন দম ইত্যাদি গুণ সম্পন্ন এবং যাহাব বিষয়ানুরাগ সম্পূর্ণ নিবৃত্ত হইয়া মোক্ষ লাভের জন্ত একান্ত অভিলাম জন্মিয়াছে, তিনিই শাস্ত্র অনুসারে সাধন চতুষ্টর সম্পন্ন ব্যক্তি পনত্যানিত্যবস্তরবিবেকেহামুত্রফলভোগবিরাগশমদমাদি সম্পন্ুমুক্ষত্বম্‌” (ব্দোন্ত সার )।

দি স্বরূপ

৮৯৪ পী্র্পাি পেশি টিসি সর্প ৮৩

এই নির্ উপাসনা বা | অধম যোগের অধিকারী করূপ সি

প্র্ঞ ব্যক্তি তাহার লক্ষণ ভগবান্‌ কৃষ্ণাবঙারে গীঠায় এইব্পে নির্দেশ করিয়াছেন ;--

প্রজচাতি যদা কামান্‌ সর্ধান্‌ পার্থ মনোগতান্‌।

মান্বন্টেবাম্মন! তুষ্টঃ স্কিতপ্রজ্ঞন্তদোচাতে

দুখেবন্দ্িগ্নননাঃ গ্ুখেষু বিগতম্পৃহঃ |

বীতবাগভয়ক্রোধ: স্থিতধীরূ্নিরুচাতে

যঃ সর্ধ গানভিঙ্নেহস্ততৃৎ প্রাপা শুভাশ্ুভম্‌।

নাভি নন্দতি ৰেষ্টি তন্ত প্রঙ্গা প্রতিষ্ঠিতা

যদ সহরতে চায়ং কুর্মোহঙ্গানীব সব্বশঃ।

ইন্দ্রিয়াণীন্দিরাথেভ্যন্তশ্ত প্রজ্ঞা গ্রতিষ্ঠিতা গীতা ৫৫-৫৮।

ভগবান্‌ বলিলেন, হে পার্থ! যোগী ব্যক্তি, অন্তঃকরণের মধ্যে বত

গ্রকার আশা তৃষ্তা বা অভিলাষ আছে, ততসনস্তই বখন একে কালে শরিত্যাগ করেন, কোন বিষয়েই কোন প্রকার তৃষ্ণা বা কামনা অন্ন মাত্রও থাকে না, কেবল মাত্র পরমার্থতত্ব স্বরূপ আত্মাতেই অন্ত থাকেন, দেই অথপ্থার তাহাকে স্থিত গ্রজ্ঞ বা ব্রহ্গজ্ঞানী বলে। বথন হঃখেতে কোন প্রকার উদ্বেগ বোধ না হর, সুখেতেও কোন প্রকার 'পৃহা না থাকে আর যিনি আদক্তি, ভর ক্রোধাদ প্রবৃত্তিকে সমূলে পরিত্যাগ করিয়াছেন, তাহাকে স্থিতধী বা ব্রঙ্ষজ্ঞানী মুন বলা যার। ধিনি ধন, শ্ব্ধ্য পুত্র, কলত্র দেহাদিতে এক কালে নঃশ্সেহ, যিনি শুভ বা! অশ্তত ঘটনা হইলে কোন প্রকার আনন্দ বা বিদ্বেষ অনুভব না করেন তাহারই ব্র্জ্ঞান হহপাছে বলা ঘায়। কুন্দব যেমন হস্ত পদাদি অঙ্গ গুঁলকে বাহর হইতে গুটাইর| লইয়া দেহের মধ্যে সন্নিবোশত করে, সেহ্‌ প্রকার আপন হন্দ্রিয়গণকে রূপ রনাদি বিষয় হইতে প্রত্যাকর্ষণ

হিন্দুর উপাননা-তত্ব।

০৬৪৭০০১৯৮৬৬ সলিড উপটি অন্ত পলা খুলি রি পাপ সি সপ্ত তত পাস শাসিত

পূর্বক বনি আত্মাতে বিলীন করিতে পারেন, রই জান হয়। ( পণ্ডিত শ্রীযুক্ত শশধর তর্কচুড়ামনির অন্থবাদ )। বিহীয় কামান্‌ যঃ র্ধান্‌ পুমাংশ্চরতি নিষ্পৃহঃ | নির্মমো নিরহস্কারঃ শান্তি মধিগচ্ছতি | এষ ব্রা্গী স্থিতিঃ পার্থ নৈনাং প্রাপ্য বিমুহাতি। স্থিত্বাস্তামন্তকালেইপি ব্রঙ্গানির্ববাণ মুচ্ছতি গীতা ২য় ৭১-৭২। যিনি সমস্ত প্রকার বাসনা নিঃশেষ রুপে পরিত্যাগ পূর্বক অবশেষে জীবনের উপরেও নিষ্ৃহ হইয়া অহং মদীয়ত্ব ভাব বিসর্জন পুর্ধক বিচরণ করেন তিনি নির্ধাণ নামক মুক্তি পাইতে পারেন। হে পার্থ! উল্ত রূপ অবস্থাকে ব্রহ্ম সংস্থান বলে এই ব্রহ্ম সংস্থান বা ব্রাঙ্গী স্থিতি প্রাঞ্ধ হইলে জীব পুনর্ধার মুগ্ধ হইতে পারে না। জীবনের শেষ দশাতেও ধদি এইরূপ ব্রহ্ধ নিষ্ঠায় অবস্থিতি করে তাহা! হইলেও জীব ব্রক্মতেট বিলীন হইয়া যাঁয়। (এ অনুবাদ ) এইরূপ স্থিতপ্রজ্ ব্যক্তি অধ্যাত্ম যোগের উপযুক্ত পাত্র এবং এইরূপ জ্রানই যথা শাস্থ ব্রক্ষজ্ঞান বা ্ধনিষ্ঠা। ব্রহ্ষজ্ঞান নামক যে অভিনব পদার্থ দেশে আসিরাছে তাহার সহিত শান্ধ্ীর ব্রহ্ম জ্ঞানের কোন সম্পর্ক নাই।

(২) স্বগুণ ভাব।

শান্ে জগতপিতা বা জগন্মাতার আর একটা ভাবের কথা বর্ণিত আছে, তাহ। ঈশ্বর ভাব। যখন মহা প্রলয়ের অবসানে তাহার স্বরূপ- গত নিত্য ব্রহ্মশক্তি প্রকৃতিকে অবলম্বন করিরা সগুণ হন, তখন তিনি ঈশ্বরপদবাচ্য হয়েন এবং সাকার ভাব ধারণ করেন। এই ঈশ্বরই স্আমাদের উপাস্ত। আর্ধ্য শান্ত্ের সিদ্ধান্ত এই যে, ঈশ্বর সগুণ সাকার যতক্ষণ তিনি নিগুণ ভাঁবে থাকেন ততক্ষণ তিনি ঈশ্বরপদ- বাঁচা নহেন। যখনি তিনি ঈশ্বর তখনি সাকার; এবং এই সাকার ( সগুণ ) ভাব পরিগ্রহ করিয়াই তিনি স্থাষ্ট স্থিতি প্রলয় করেন। ঈশ 'ধাতু শীলার্থে বরচ. প্রত্যর করিয়া ঈশ্বর পদ নিপ্ন্ন হইয়াছে। ইশ্বর অর্থে ঈশন শীল পুরুষকে বুঝায়। ইচ্ছা মাত্রই যাহার ইগ্সিত সিদ্ধি হইয়া গাঁকে, তিনিই ঈশ্বর পদবাচ্য। তাহার সাম্যের প্রতিবৃন্ধক হয়না। তিনি অচিন্তাশক্তিসম্পন্ন এশ্বধ্যশালী; যিনি তরীশবর্য্য শালী তিনি নিগুণ হইতে পারেন না এবং সগ্ুণ হইলেই তিনি আকার বান্‌ হইবেন।

পাতঞ্জলদর্শনে সমাধি পাদে ঈশ্বর কাহাকে বলে তাহা এরপ ব্যাথা করিয়াছেন ;+-

ক্লেশকর্ম্ম-বিপাকাশয়ৈরপরামুষ্টঃ পুরুষবিশেষ ঈশ্বরঃ | পা ১1২৭ সুষ্ত্র

অবিগ্ঠা প্রভৃতি পঞ্চ বিধ ক্রেশ, ধর্মীধর্দ, জাতি, আয়ু 'ও ভোগ এবং সংস্কার এই সমস্ত যাহাঁতে নাই এরূপ পুরুষকে ঈশ্বর বলে।

পাতঞ্রন দর্শনের সমাধি পাদের ২২ সুত্র প্য্যস্ত ঈশ্বর চিন্তা! ভিন্ন কি প্রকারে চিত্ত বৃত্তি নিরোধ করিয়া অধ্যাম্ম-যোগ্নের দ্বারা সমাধি

১২ হিন্দুর উপাপনা-তত্ব।

পাতি পা 2৫. পা পাটি ৪২ পা পা পাশ রতি

লাভ করিতে পারা যায় তাহা দেখাইরাছেন। তৎপর ২৩ সুত্রে বলিয়াছেন “ঈশ্বর-প্রনিধানাৎ বা” অর্থাৎ এঁকান্তিক ভক্তি সহকারে ঈশ্বরের উপাদনা করিলেও সমাধি লাভ হয়।. ধিনি ভোগে অলিগু এমন পুরুষ বিশেবই ঈশ্বর বলিক্ব। ব্যাখ্যা করিয়াছেন। পুরাচাধ্যগণ কুত্রাপি নিরাকার ঈশ্বরের কথ! বলেন নাই যেখানে তাহাকে নিরাকার বলিয়াছেন সেখানেই তাহাকে অজ্জের, মনোবুদ্ধির অগোচর, নি পরমাত্বা বা ব্রহ্ম বলিয়া নির্দেশ করিষাছেন। এই পরমাম্মা বা ব্রহ্ধ চারি প্রকার কারণে রূপ পরিগ্রহ করিয়া থাকেন (১) স্বভাবের অনুবোধে।

অনন্ত শক্তি সম্পন্ন ভগবানের ঘখন হ্ষ্যাদ্ি সময়ে এক এক শক্তির পরিহ্মুরিত অবস্থা হর, তখন আপনা হইতেই (অবগ্ত ভাহার ইচ্ছা ক্রমে) এক এক প্রকার স্ত্রী বা পুরুষাকৃতি প্রকাশ হইয়া পড়ে। মহা গ্রলয়ে (তিনি এক মার অদ্বিতীয় দৎ পদার্থ বিদ্কমান ছিপেন। তখন তাহার নাম, রূপ কিছুই ছিল না, তিনি নিগুণ ব্রহ্ম ভাবে অবস্থিত ছিলেন।

নেহ নানান্তি কিঞ্চন। একনেকদ্বিতীয়ম্‌' আত্ম! বা ইদ মেকাগ্র আদীৎ, শ্রাত-_

প্রলয়ে প্রকৃতি পুরুষ নাম রূপের ভেদ রহিত হইয়া! অনির্দেপ্ত ভাবে যখন ব্রন্মে বিলীন থাকে মেই অব্যাককৃত ( অপ্রকাশিত ) অবস্থায় তিনি একমেবাদ্িতীয়ম্। আদিতে আত্মা (ব্রক্ম)ভিন্ন আর কিছুই ছিলনা কারণ প্রণয়ে সমস্ত জগৎ আয্মায় বাঁ ত্রন্মে লীন ছিল। সমস্ত জগৎ স্থল রূপ পরিত্যাগ করিয়া সুক্্ম রূপে ত্রন্মে অবস্থিত ছিল। অনন্ত কোটি ব্রদ্াণ্ড প্রকৃতিতে (ত্রদ্ধ শক্তিতে ) বলীন ছিল এবং প্রকৃতি প্রন্মে লীনা ছিলেন; সেই মমরের বণন। করিতে গিয়া শান্ত বালয়াছেন

নাহো্ন রাত্রির্ননভো ভূমিঃ| নাসীত্মো জ্যোতিরতুন্ন চান্তৎ।

৫১. পি পসিপরা্টিপাঁটি পািপাস্টিপন পা্িপসিপাস পিপিপি পাস সিপিসিপী পিপি তিক ািপাশিত পি

ঈশ্বরের স্বরূপ ১৩

এ৯স্টাশি শিস ২৪ পাই এন টি তা উপ

তখন দিবা, রাখি, আকাশ, ভূমি, অন্ধকার, জ্যোতি কিছুই ছিল না। সেই সময়ের অবস্থা কিরূপ ছিল, তাহা শাস্ত্র বর্ণনা করিতে অক্ষ হইয়া অন্ধকার আলোক কিছুই ছিল পর্যন্ত বলিয়াছেন। আলোক অন্ধকারের অতিরিক্ত আর কোন পদার্দ আমরা জানি না, কাঁজেই আমাদের সে অবস্থার ধারণা সাধ্যায়ত্ত নহে। স্থানান্তরে পপ্রন্থপ্র মিব সর্বতঃ” যেন সকল জগৎ নিদ্রিতাবস্থাপ্ন ছিল একপ বলিয়াছেন। মহা প্রণয়ের অবসানে “সো কাময়ত বহুস্তাং গ্রজায়েম” তাহার খন আঁমি বহু হইব এরূপ ইচ্ছা হইল, তখন প্ররুতিতে ক্ষোভ অর্থাৎ চাঞ্চল্য জন্মিল। এই প্রকৃতি বা ব্রহ্ম শক্তি মহা গ্রলয়ের অবসান পর্য্যন্ত সাম্যাবস্থায় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নিশ্ষ্িয় অবস্থায় রন্মে পীন ছিলেন। যখন প্রকৃতিতে ক্ষোভ জন্মিল, তখন সেই সত ব্রহ্ম পদার্থ নিজ এক্তি প্রকৃতিতে ( গুণ বাঁ মান্নাতে ) সংযুক্ত হইয়া! ঈশ্বর বা ঈশ্বরী পদ বাচ্য হন এবং নান! প্রকার আকার ধারণ করেন। ব্রঙ্গাশ্রিত এই ধরণী শক্তি হইতে জগৎ প্রকাশিত হয়। - সদক্ষরং ব্রহ্গ ঈশ্বরঃ পুমান্‌ গুণো্মি স্থষ্ি স্থিতি কাল নংলয়ঃ। বিষণ পুরাণ ১৯1২ বিনি প্রকৃতির ক্ষোভ জনিত সৃষ্টি স্থিতি প্রলয়ের হেতৃতৃত ঈশ্বর তিনিই সৎ অক্ষর ব্রদ্ম। অর্থাৎ ব্রহ্ম নিজ এশী শক্তি গ্রক্কৃতির সাহায্যে ঘখন স্থষ্টি স্কিতি প্রলয় করেন তখন তিনি ঈশ্বর। মায়াং তু প্রক্কতিং বিগ্ভাৎ মাঁয়ণং তু মহেশ্বরম্। শ্বেত ১১০। এই মায়াই প্রকৃতি আর মায়া উপহিত অর্থাৎ মায়া উপাধি যুক্ত পরব্রহ্ম মহেশ্বর নামে অভিহিত হন। ব্রহ্ম মায়োপাঁধি গ্রহণ করিয়া ঈশ্বর হয়েন ইহাই আধ্য শাস্ত্রের মন্ম। এই মায়া ত্রহ্ষের ইচ্ছা শক্তি, বেদান্ত শাস্ত্রে এই শক্তিকে ঈক্ষণ শক্তি নামে অভিহিত করিয়াছেন,

১৪ হন্দুর উপাসনা-তব |

7৩ সি সপীিতাসিপীট তা শাসিত পাছা পাতাটি ১৪ ৮৮৯৮/ তি পরী তা সিপাি্পানি পাশপাশি র্পা উপ

এই ঈক্ষণ শক্তি ব্রদ্ষের নিত্য শক্তি, ইহা ব্রন্মে কথন অভাব ছিল না। তবে এই শক্তি কথন প্রকট (প্রকাশ) কথন অপ্রকট (অপ্রকাশ) ভাবে থাকে। আত্মমায়াং সমাবিশ্ঠ মোহ" গুণময়াং দ্জ | কজন্‌ রক্ষন্‌ হরণ বিশ্বং দধে সংজ্ঞাং ক্রিয়োচিতাম্‌। ভাগবত ৪81৭18৮

হে ব্রন্ধন আমি গুণ্ময়ী নিজ মায়াকে আশ্রর। কখির। অনতর স্থষ্টি স্থিতি সংহার কার্ধ্য নিষ্পন্ন করি তদন্বসারে আমার হম্া বিষ রুদ্র বিভিন্ন সংজ্ঞা! হয়। ব্রদ্মের এই ইচ্ছা শক্তি দ্বারা জগদাদি আবিভূতি হইতেছে, এই শক্তিকেই আশ্রয় করিরা জগৎ অবস্থিতি করে এবং ইহাতেই জগতের লখ হয়। জগতের অন্য কোন উপাদান নাই, তিনি যতক্ষণ এই শক্তি যুক্ত (অর্থাৎ শক্তির প্রকাশাবস্থাপন্ন ) ততক্ষণ তিনি প্রকট জ্দেয়। শক্তি তন্মধ্যে বিলীন! হইলে তিনি অঞ্জেয় ভাব ধারণ করেন-তখন তিনি নিগুণ। এই প্রকার সৃষ্টির পর প্রলয়, প্রলয়ের পর স্থষ্টি এবং ততসহ ত্রন্গের প্রকট অগ্রক্ট অবস্থা অনাদি কাল হইতে চলিরা আমিতেছে। শক্তির স্বরণ হইলে, রূপেরও ক্ষরণ হইয়া থাকে এই সগ্ুণ নিপুণ ব্রহ্ম একই বস্তু; সবিশেষ নির্বিবশেষ কেবল ভাবের প্রভেদ মাত্র। ব্রন্মের এই দ্বিরূপত্ব সর্বশান্শ প্রতিপাদিত। তিনি একদিকে গ্রণাতীত, অপর :দিকে সর্বশক্তিমান সব্বাশ্রর। [নিব্বিশেষ নিপুণ পরব্রঙ্গ যখন নায়! উপাধি অঙ্গীকার করিয়া নি্নকে যেন সঞ্কচিত করেন তখন তাহার «ব সগুণ ভাব তয় তাহাই ঈশ্বর ভাঁব। ষেমন উর্ণনাঁভ ভাঁল রচনা | করিয়া নিজকে আবৃত করে, নেইরূপ স্বভাবতঃ অদ্বিতীয় ত্রদ্ধ প্রধানছু()প্রকতিজ ) জালে আপনাকে আবৃত করিয়! সগ্গ অর্থাৎ ঈশ্বর ভাঁব ধারণ করেন।

ঈশ্বরের স্বরূপ | ১৫

২৮৫৯ পা এাখিপাস্তি উাসিভত সিতসপিস্পিসিপাস্পপস্িিস্পাসি পাটি পাস্পাসিপিপা পাস পা

স্তণনাভ ইব তন্তভিঃ প্রধানজৈ:। স্বভাঁবতো দেব এক স্বমাবুণোৎ শ্বেতাশ্বতর ১১৭ অনন্ত সাগরের যে নিবাত প্রশান্ত অবস্থা তাহাই বঙ্গের নিগুণভাব আর সমুদ্রের থে বীচি বক্ষুব্ধ তরঙ্গাঁরত অবস্থা তাহাহ এখেন পপ্ুণভাব। একই সমুদ্র কথন প্রশান্ত কখন বিক্ষুবূ) একই দ্ধ কখন নিগুগ কখন নগুণ। প্রশান্ত সমুদ্র কখন বিক্ষুব্ধ হইতেছে আবার বিক্ষুব্ধ সমুদ্র প্রশান্তভাব ধাবণ করিতেছে পরত্রহ্গ মায়া আবরণে গুণ হইতেছেন আবার মারার আবরণ তিরোহিত করিয়া ' নিপুণ নিস্তরগ্ষ হইতেছেন পর্যায়ক্রমে মহাসযুদ্রের ছুই অবস্থা, পর্যায়ক্রমে বরন্দেরও বিভাব। বেদ একবার ধাহাকে “অপাণি পাদ” বলিয়াছেন তাহাকেই আবার “সহস্রাঙ্গঃ সহস্্পাৎ” বলিয়া কীর্তন করিয়াছেন। এই জন্য শাস্ত্র তাগাকে অবস্থাভেদে শবের শ্তায় নিক্ষিয় বলিয়া ব্যাখ্যা করিয়াছেন শৃক্তিহীনঃ শবঃ প্রোক্তঃ শক্তিঘুক্তঃ সদাশিবঃ | তিনি বখন নিজ শক্তিকে আশ্রয় করেন না তখন তিনি শব তুল্য নিক্কিয। আর যখন নিজ শক্তিকে আশ্র্ন করেন তখন তিনি সদাশিব অর্থাৎ সব্বক্তিমান্‌ পরমেশ্বর। এই অবস্থায় তিনি সর্বজ্ঞ সব্বকর্তী “নহি সর্ববিৎ সর্ধকর্তী”। অবশ্য শক্কিহীন অবস্তা তাহাকে যে , শব বলিয়াছেন দৃষ্টান্ত সম্যক্‌ প্রকারে প্রযুজ্য নহে কারণ শবের রূপ আকার থাকে কিন্ত সে সময় তাহার কোন রূপ কি আকার থাকে না। তাহার ক্রিয়া হীন অবস্থার প্রতি লক্ষ্য করিয়া শব বলিয়াছেন ইহাই বুঝিতে হইবে। ভগবতী গীতাঁয় বলিয়াছেন -__ স্্টার্থ মান্সনো রূপং ময়ৈব মেচ্ছরা পিতঃ। কৃতং দ্বিধা নগশ্রে্ট স্ত্রী পুমানিতি ভেদতঃ |

১৬ হিন্দুর উপাসনা-তত্ব।

পা পালি ২৫ পাপ সত 218

পিতঃ পব্ধত রাজ, আমি স্থির জন্ত নিজ দ্ধপকে সেচ্ছাক্রমে স্ত্রী পুরুষ এই ছুই ভাগে বিভক্ত করিয়াছি হ্জামি ত্রস্বারূপেণ জগদেতচ্চরাচরম্‌ ংহরামি মহারুদ্র রূপেণান্তে নিজেচ্ছয়া | ভগবতীগীতা ৪র্থ অঃ ১৫ শ্লোক আমি ব্রক্ষরূপে এই চরাচর জগৎ স্জন করি। আবার অন্ত কালে স্বেচ্ছাক্রমেই মহারুদ্র রূপে জগৎ সংহার করি। নিখ্খুণং সপ্তণঞ্চেতি দ্বিধ! মদ্্রপ মুচাতে। নিগুণং মায়র! হীনং সপ্তণং মায়য়! যুতং নিগুণ সগুণ ভে'দ আমার ছুই প্রকার র্ূপ। তিনি মায়! অর্থাৎ গুণযুক্ত হইয়া আকারবান্‌ ভন। মানুষের যেমন ছুই অংশ--দেহাঁংশ আতক্মাংশ-তীহারও সেইরূপ তাহার আত্মাণশ নিশ্িয় নিণণ ইহ! উপান্ত নহে, ইহাই শাস্ত্রীয় ব্হ্ষ। দেহাংশ আত্মাংশ লইন্া ঈশ্বর; ইনি স্বষ্টি, স্থিতি প্রলয় করেন এবং আকারবান্‌ গুণসম্পন্ন এই ঈশ্বরই আমাদের লক্ষা। তিনি জগতের নিমিত্ত উপাদান কারণ। বেণান্ত দর্শনে তাঁহার নিমিত্ত কারণের প্রতি লক্ষ্য করিয়া বলিয়াছেন “জন্মাগ্স্ত বতঃ" ঘাহা হইতে জগতের আবির্ভাব হইয়াছে এবং “যোনশ্চ হি গীয়তেশ (১অঃ ৪র্থ পাঁদ ১৭ সুত্র) পপ্রকৃতিষ্চ" (১অঃ ৪র্থ পাদ ২৩ হ্যত্র) ইত্যাদি স্ত্র দ্বারা তিনি ষে জগতের নিমিত্ত কাঁরণও বটেন ভাহা প্রতিপন্ন করিপাছেন। তিনি প্রকৃতি আর পুরুষ বাঁ শক্তি আর চৈতন্য এই উভয্বের স্বরূপ। এই উভর মিলিয়াই ঈশ্বর ; তন্মধ্যে প্রকৃতি শক্তি) তাঁহার দেহ এবং পুরুষ (চৈতন্য ) তাহার আত্মা। প্রলয়াবণানে সৃষ্টি কারের জন্য নানা প্রকার র্‌ পবিগ্রহ করেন ষথ| 7 বঙ্কা, বিু, রুদ্র, বরদ্ধাণী, বৈষ্ণবী, কুদ্রাী ইত্যাদি। ইহারা সেই

ঈশ্বরের স্বরূপ। ২৭

চিন শশিশি তত আপিল পিসি পাসিপাসিপিপাসপপাস্সি পৌীশা্পাস্পাটিত পাি্পািশেশ্পাশিিশিশীটা শী পাস

প্রকৃত্যাত্বক পরম পুরুষের ইচ্ছাময় অবতার। ষ্টির অবদসানে মহা প্রলয়ে এই সকল রূপের অভাব হইয়! থাকে ; কিন্তু নষ্ট হয় না। কারণ এই গুলি নিত্য; কেবল মহাপ্রলয়ে প্রকাশের অভাবে ব্রহ্ধ সত্বায় লীন থাকে এবং স্থষ্টি সময়ে প্রকাশমান হয়। তিনি দেহধারী হইলেও তাহাতে জীব ভাবের কিছুমাত্র সংঅব নাই। তাহার দেহের সহিত ভূত বা ভৌতিক পদার্থের কিছুমাত্র সম্পর্ক নাই; অস্থি, মজ্জা, রক্ত প্রভৃতি কিছুই নাই, অথচ মন্ুষ্যাদির ন্যায় হস্ত পদ বিশিষ্ট। তাহার এই সকল দেহ শক্তিময় ইক্ছাময় ; প্রয়োজন শেষ হইলে তাহাদের তিরোধান হয়। ইহাদ্িগকে নিয়ত আবির্ভাব বলে কারণ ইহাদের আবির্ভাবের তিরোধানের সময় নির্দিষ্ট আছে। প্রত্যেক মহাপ্রলয় পর্য্যন্ত এই সকল ইচ্ছাময় রূপ প্রকট অবস্থায় থাকে ভারতবর্ষের আধ্যখধিগণ শ্রুতি প্রদর্শিত সাধনমার্গ অবলম্বন করিয়া এই সকল সত্য অবগত হইয়াছিলেন। (২) জগতে সামঞ্জস্ত রক্ষার জন্য | মহিযাস্্রর, শুস্ত, নিশুভ্তাদি দৈত্য দানব বিনাশ পূর্বক জগতের

শান্তি স্থাপন করিয়া সামগ্রস্ত রক্ষা করার জন্য সময় সময় তাহার ইচ্ছাময় রূপের আবির্ভাব হয়। ইহাদিগকে অনিয়ত আবির্ভাব বলে, কারণ ইহাদের আবির্ভাবের সময় নির্দিষ্ট নাই, প্রয়োজন হইলেই আবিভূতি হয় এবং কার্য শেষ হইলে তিরোহিত হয়।

নিত্ৈব সা জগন্মততি্তয়া সর্বমিদং ততং।

তথাপি তৎ সমূপততিব ছুধ! অয়তাঁং মম

দেবানাং কার্ধ্য পিদ্ধার্থ মাবিভবতি সা যদা।

উৎপন্নেতি তা! লোকে সা নিত্যাপ্যভিধীর়তে (চণ্ডী)

মেধস খষি বলিতেছেন;-_“তিনি নিত্যা অনন্ত কোটী ব্রহ্মাওই তাহার

স্বরূপ, তীহাঁর দ্বারা এই স্থাবর জঙ্গমাত্বক বিশ্ব স্যষ্ট হইয়াছে যদিও ৮২

১৮ হন্দুর 05 |

৮. পিপি অতি পাস্পিশশিত পরী পা পাপা পিট পরি কিন সখ ০৯ পপ পিপি

তীহার আমাদের স্টায় উৎপত্যাদ কিছুই নাই, তথাপি লোকে ভাহাব এক প্রকার উৎপত্তি কীর্তন করে, তাহা তুমি আমার নিকট বহু প্রকারে শ্রবণ কর। তোমার ম্মরণার্থে গুনরপি বলিতেছি, তিনি নিত্য বস্ত কিন্ত দেবগণের কাধ্য সিদ্ধির নিমিত্ত যখন আবিভূ্ত হন, তখনই লোকে তীহাকে উতৎপন্নী বলিয়া থাকে ৮» ( ৬প্রসন্ন কুমার শাক্গি- কৃত অনুবাদ ) গীতাতেও ভগবান্‌ স্বরং বলিয়াছেন যদ! যদাহি ধর্মন্ত গ্লানির্ভবতি ভারত অভ্যুত্থান মধর্থস্ত তদাস্মানং স্জাম্যহং যে সময় ধন্মের ক্ষয় অধন্মের অভ্যুত্থান হইয়া! আইসে তন আমি (মায়াকে অবলম্বন করিয়৷ ) জন্ম গ্রহণ করি জগতের সামন্ত রক্ষার জন্য ভগবান্‌ বেসকল রূপ পরিগ্রহ করেন, তাহারা সকলেই অনিয়ত আবির্ভাবের অন্তর্গত ) প্রভেদ এই কতকগুলি রূপের বাল্য কৌমারাদি অবস্থা আছে এবং কতকগুলি রূপের কৌমারাদি অবস্থা নাই'। প্রথমোক্ত অনিয়ত আবির্ভাবের দৃষ্টান্ত সতী, বামন, রাম, কৃষ্ণ ইত্যাদি এবং শেষোক্ত প্রকারের উদাহরণ কালী, দ্ুগা, জগদ্ধাত্রী, তারা, নৃসিংহ, ত্রিপুরারি ইত্যাদি ইহারা বক্গাণ্ডের উপকার সাধনের নিমিত্ত ক্ষণকালের জন্ক এই সকল মৃত্তিতে আবিভূতি হন। (৩) উপাসকগণের উপামনার নিমিত্ত শাস্ত্র বলিতেছেন-- চিন্নয়স্তাদ্িতীয়স্ত নিস্কলস্তাশরীরিণঃ | উপাসকানাং কার্ধ্যার্থং বহ্গণো রূপকল্পনা চিন্ময় অদ্বিতীয় (ধাহার দ্বিতীয় নাই ) কলাশুন্ত অশরীরী বঙ্গ উপাসকগণের উপাসনা সৌকর্ষ্যের জন্য শরীর পরিগ্রহ করেন।

রত স্বরূপ ১৯

পি পো শখ সত পাল 7228

তগ্বতী- গীতা জগন্মাতা হিমালয়কে বলিয়াছেন, অনভিধ্যায় রূপন্থ স্থলং পর্বতপুঙ্গব অগম্যং স্ক্ষরূপং মে যদ টা মোক্ষভাগ্‌ ভবেঙ। তম্মা স্থুলং হি মে রূপং মুমুক্ষুঃ পুর্বমাশয়েৎ মামার স্তুলরূপের সমাকৃ ধ্যান না করিয়া কেহ আমার সেই সুক্ষ বাপে প্রবেশ করিতে পারে না, যে ুক্রূপ দরশন করিলে জীব সংসার বন্ধন বিমুক্ত হইয় নিব্বাণ লাভ করে। সেই হেতু মুক্তি অভিলাষ সাঁধক অবশ্ত আমার স্থুল রূপ আশ্রয় করিবে। স্থল সুক্্ম উভয় রূপই তাহার। উদ্ধতবাক্যে সুম্ম রূপ দারা ব্রহ্ম বা পরমাত্মাকে লক্ষ্য করা হইয়াছে; এরূপ মানবের মনোবুদ্ধির অগম্য, এজন্য তাহার স্থুল রূপ অর্থাৎ ঈশ্বর রূপের আশ্রয় গ্রহণ করিতে উপদেশ দিয়াছেন। সকল রূপ যে তাহার নিজের, মানুষের কল্পিত নহে, তাহার ভূরি ভুরি প্রমাণ শাস্ত্রে আছে। “ব্রঙ্গণোরপ কল্পনা” অর্থে মানুষের মিথ্যা কল্পনা নহে, এখানে রহ্ষণঃ। পদে কর্তায় ষষ্ঠা হইয়াছে, কল্পন! অঞ্থে কজন; এই স্থ্টি তাহার নিগের, তিনি নিজে নিজের রূপ স্বজন করিয়াছেন। অন্তত্রও এই অর্থে কল্পন! এব্ধের প্রয়োগ দেখিতে পাওয়া যায়, যেমন “হুর্ষ্যাটন্দ্রমসৌ ধাতা যথা পূর্বমকর্পয়ং” বিধাতা পূর্বব কল্পে যেরূপ সেই রূপ সুর্য ন্্র স্থষ্টি করিলেন। বেদান্ত দশনের প্রথম অধ্যায়ের দ্বিতীয় পাদের ব্রিংশ হ্ত্রে আছে “অভিব্যক্তে রিত্যাশ্মরথাঃ1” এই স্থত্রে ভাষ্যকার বলিয়াছেন, অশ্মরথ্য মুনি বলেন অনন্তমতি উপাসকদিগের প্রতি অনুগ্রহের নিমিত্ত পরমাস্মা অনন্ত হইলেও বিশেষ বিশেষ রূপে প্রকাশিত হয়েন। পরের স্যত্রেও আছে “অনুস্মতের্বাদরিঃ” মর্থাৎ ধ্যানের নিমিত্ত পরমেশ্বরকে কখন প্রাদেশ পরিমাণ, কখন

২০ হিন্দুর উপাসনা-তত্ব।

পাস্পসিিসপি

শিরশ্চরণাদি অবয়ববিশিষ্টরূপে আদেশ করিয়াছেন ( শ্রীযুক্ত তারাকিশোর চৌধুরী কৃত ভাত্মের অনুবাদ )

শ্রুতি স্মৃতি তন্ন পুরাণ প্রভৃতি যাবতীয় আর্ধা শাস্ত্রে উপানকগণের হিতার্থে তাহার রূপ পরিগ্রহের কথা আছে এই সকল তি বা কল্পিত, ইহা সম্পূর্ণ ভ্রমাত্বক কথ!

(৪) তাহার প্রকৃত স্বরূপ ব্যঞ্জনার নিমিত্ত।

তাহার প্রকৃত স্বরূপ নিজেব্যক্ত না করিলে মান্থযের কি সাধ্য আছে যে তাহ! উপলব্ধি করে তাঁহার এক একটা রূপের দ্বারা এক একটা অতি ছুক্তে্ধ অবস্থার চিত্র প্রকাশিত হইয়াছে সেই সকল আকুতি দেখিলেই তাহার সেই ছুক্জেম অবস্থাটিরও এক একটী স্ুস্প্ট আভাস পাওয়া! বার। প্রত্যেক মুত্তি দ্বার! নানা প্রকার ভাব শক্তি প্রকাশ পাইতেছে। ব্রিগুণাস্মিকা প্রকৃতির সত্ব রজঃ তমোগুণ বা শক্তি দ্বারা তিনি ব্রন্মাণ্ডে নানা 'প্রাকার লীলা খেলা করিতেছেন। কোন মুত্তিতে একটা, কোন মৃত্তিতে ছুইটী, কোন মুদ্তিতে তিনটা গুণের প্রকাশ পাইতেছে, অথচ প্রত্যেক মুর্তিতে ত্রিগুণেরই সমাবেশ আছে। এই সকল গুণ অবলম্বন করিযা তিনি অনন্ত লীলা করিতেছেন এবং প্রক্কৃতি সম্ভৃত পিতৃ মাতৃ শক্তির সদাতন লীলার দ্বারা ব্রহ্মাণ্ডের স্ষ্ি স্থিত্যাদি যাবৎ কার্ধ্য সংসাঁধিত করিতেছেন। তিনি একাই নিজশক্তি প্রকৃতিকে অবলম্বন করিয়া “স্্রীত্ব পুরুষত্ব শক্তি রূপে ছুইভাগে বিভক্ত হইয়। অবস্থিতি করিতেছেন। এই সকল রহস্ত কোন মূর্ডিতে একাধারে অন্ধনারীশ্বর, হরগৌরী ইত্যাদি রূপে এবং কোন মুদ্তিতে পৃথকভাবে লক্ষ্মী, বিষ্ণু, কালী, শিব ইত্যাদি রূপে দেখাইতেছেন।

আজকাল যে ঘোর অবিশ্বাসের কাল পড়িয়াছে তাহাতে এই সকল মুন্তি যে সত্য দে বিষয়ে অনেকেই সন্দিহীন হইয়া থাকে! লোকে এখন

ঈশ্বরের স্বরূপ ২১

সপািএাসিপাসিপসি তিপাসিপাটি পঁ পাস্পীশিপ্পিশিতা পাটি শী পা পা পাস্িপাটি উি্ািপাস্পসি পাস্পরসিলীর্ট্পা

আর পুর্ধের স্তায় দ্বিধাশূস্ত হইয়া কেবল শাস্ত্র বাক্য বিশ্বাস করিতে চাহে না। বিশিষ্ট প্রমাণ না পাইলে কেহ কিছু মানে নী। এজন্য ঈশ্বরের বে সকল রূপ পরিগ্রতের কথা বলা 5ইল তাহাব সততা সম্বন্ধে মার কোন প্রমাণ আছে কিনা বিষয়ের অন্ত্সন্ধান করা আবশ্যক হইয়া পড়িয়াছে। আধ্য শাস্ত্রে এই সকল রূপের কথা সর্বত্রই বর্ণিত আছে। পুরাচাধ্য খধিগণের সুগম দৃষ্টিতে যাহা প্রতিভাত হইয়াছিল তাহাই তাহারা শান্ধে প্রকাশ করিয়াছেন; দিথ্যা কথা প্রচার করিয়া লোক সমাজকে প্রতাবণা৷ করার কোন উদ্দেম্ত দেখিতে পাওয়া যায় না। বাভারা জ্ঞান বলে অন্তর রাজ্যের সত্য প্রত্যক্ষ করিয়াছিলেন তাভারাই খাষি। অনেকের বিশ্বান আজ কাল যে সকল দেব দেবীর মু: প্রচলিত আছে তাহাব কোনও প্রসঙ্গ বেদে নাই। নিয়ে কয়েকটী মাত্র উদ্ধৃত করা গেল তদ্বারা এই মতের অসারতা 'গ্রতিপাদিত হইবে। তামগ্রিবর্ণাং তপসা জলন্্ীং বৈরোচনীং কন্মফলেষুজষ্টাং ঢগাং দেবীং শরণমহং প্রপদ্ঠে স্থুতরমি তরসে নমঃ কাঁলরাত্রীং ব্রহ্স্ততাং বৈষ্ঞবীং স্বন্দমাতরং। সরস্বতী মদিতিং দক্ষ ছুঠিতরং নমামঃ পাবনাৎ শিবাৎ। | খকু সং) বাহার অঙ্গের বর্ণ অগ্নির ন্যায় নুগা গীত, যিনি সব্বজ্ঞতা প্রতিভার সব্বদ। প্রগ্ঠোতিতা যিনি যথাযথ ফল লাভের জন্ঠ দানবগণ কর্তৃক উপাসিতা, আমি এই ছুন্তর ভব সাগর সন্তরণের নিমিত্ত সেই দুর দেবীর শরণ লইলাম। যিনি স্থাষ্ট স্থিতি গ্রলর করিতেছেন, যিনি সমস্ত বেদের প্রতি পাগ্ধ অথবা ব্রহ্মার আরাধ্যা, ধিনি বেষ্ণবী রূপে অবস্থিতি

করিতেছেন, যিনি বড়াননের ছননী রূপে মহেশ গেহিনী, যিনি সরস্বতী 3,7€€ রি

4) শার্ট 91114

পাটিপাসিিসসিন পিলাস্পািপিস্পিপাসটিলী সিসি টিপা সিসি

ন)

২২ হিন্দুর উপাসনা-তত্ব।

রূপে ব্রহ্মার পত্রী, িনি অদিতি রূপে কগ্ঠপের পত়ী হইয়া বিষ্ণু প্রভৃতি দ্বাদশ আদিত্য অন্যন্তি ইন্দ্রাদি দেব বুন্দের জননী; সেই সর্ধপাবন পাবনা দক্ষ-দুহিতা দুর্গা দেবীকে নমস্কার। (পণ্ডিত প্রবর শ্রীযুক্ত শশধন তর্ক চুড়ামণি মহাশয়ের বাখ্যা ) অথ হৈনাং পরত্র্ রূপিনীং ব্রহ্ম রন্ধে, ধ্যাত্বা ব্রদ্ষময়ো ভবতি ! অব্রাহ্মণো! ব্রাহ্মণো। ভবতি অশ্রোত্রিষো শ্রোত্রিয়ো ভবতি দর্দবম্মাৎ পাপানা বিমুক্তো ভবতি, বিমুচাতে এতদ্বৈতৎ। ( অর্থবর্ববেদ সং ) ধিনি বহু জন্মের উপার্জিত ভাগা বলে এই পরম ব্রদ্ম বূপিণী দক্ষিণাকে ব্রদ্ষরন্ধে, অনুভব করিতে পারেন তিনি ব্রহ্গম্ন হইয়া থাকেন, সুতরাং তিনি অন্রান্ষণ হইলেও তৎক্ষণাৎ ব্রাহ্মণত্ব প্রাপ্ত হয়েন। অশোত্রির হইলেও তিনি সমস্ত বেদার্থের পারদর্ণী এবং নিখিল পাপ রাশি হইতে বিমুক্ত হয়েন। কেবল ইহাই নভে, তিনি ভববন্ধন তাতে মুক্তিলাঁভ করিয়া নির্বাণ পদ প্রাপ্ত হইয়া থাকেন ( ব্যাথা। ) “উমাসহারং পরমেশ্বর গ্রভৃং ত্রিলোচনং নীলকণ্ঠং প্রশান্তং। ধাত্বা মুনির্গচ্ছতি ভূত যোনিং সমস্ত সাক্ষিং তমসঃ পরস্তাৎ |” ( কৈবল্যোপনিষৎ ) অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড রাজ্যের পরমেশ্বর সমস্ত লোকের সাক্ষি স্বরূপ জড়াতীত সর্মভূতেব নিদান নীলকণ্ঠ ত্রিলোচন দেবকে উমার সহিত ধান করিয়া মুনিগণ ব্রহ্মরূপতা! প্রাপ্ত হইয়া থাকেন। ব্রহ্মা দেবানাং প্রথমঃ সম্বভূব | বিশ্বস্ত কর্তা ভূবনন্ত গোপ্তা (মুণ্ডক ১১ ) দেবগণের মধ্যে বন্ধা প্রথম আবিভূতি হইয়াছিলেন তিনি বিশ্বের কর্তা ভূবনের রক্ষা কর্তা

শা সি পছিপা পািপান্পি সি পা পাটি

ঈশ্বরে স্বরূপ ২৩

স্পাস্পিণাস্পিীস্পীত্পস্পাস্ি্পাম্পিিত শিরাটিতা পাটি পিপিপি রিলিস টিপািপা আপোস শাল পািপাস্পিস্িপসিপাটি পাশা পাস্পাসিপা্পস্পিলাখি পাছি পা পা পাকি

হিরণ্যগর্ভং জনয়ামাস পূর্বং ( শ্বেত ৩৪ )

তিনি হিরণ্যগর্ভ (ব্রহ্ষা ) রূপে প্রথমতঃ প্রকাশিত হন। জনয়ামাস নব্দে উৎপন্ন করান অর্থাৎ সেই ব্রঙ্গ পদার্থ ব্রহ্গারূপে প্রতিভাত হন। বে উপনিষদের দোহাই দিয়া নিরাকার উপাসনা প্রবর্তিত হইতেছে দেখানেও তাহার রূপের কথা আছে। উপরে যে কয়েকটা মন্ত্র উদ্ধৃত করা গেল তদ্বারা ইহা উত্তমরূপে প্রমাণিত হইবে বাহুল্য বোধে মার বেশী উদ্ধৃত করিলাম না; পুরাণ তন্থ শাস্ত্র হইতে অনাবশ্তক বোধে কোনও প্রমান উদ্ধত করা হইল না; কারণ সকলেই জানেন কল শাস্ত্রে মাকারবান্‌ সগুণ ব্রন্মের কথা কুল ভাবে বিবৃত আছে।

এখন সাধক সম্প্রদায়ের সাক্ষ্যে আমরা কি জানিতে পারি তাহা দেখা বাউক। আজ বেশীদিনের কথা নহে প্রায় চারিশত বংসর অতীত হইল ত্রিপুরা জিলার অন্তর্গত মেহারে সর্বানন্দ ঠাকুর এক রাত্রে জগদন্বার দ* মহাবিষ্ভারূপ দর্শন করিয়াছিলেন তিনি নিরক্ষর মুর্খ ছিলেন, রূপ দশন মাত্র তাহার মুখ হইতে সংস্কৃত স্তোত্র উচ্চারিত হইতে লাগিল। সেই স্তোত্র আজিও সাধক সমাজে প্রচলিত আছে; তাঁহার জীবনীতে এইবূপ বণিত আছে-_

“অনন্তর সেই নিশীথ সময়ে সহস1 তীহার হৃদয়-পন্ম হইতে চন্দ্র কমা সদৃশ নির্মল তেজোময় এক অগ্রিপিগ্ডাকৃতি পদার্থ নিঃস্থত হইয়া সমুদয় বন ব্যাপ্ত হইল। তেজোময় অগ্থি পিগারৃতি পদার্থ ক্রমশ: গাঢ হইয়া আসিলে তাহাতে তিনি স্থুনিন্ম্ল ইষ্টদেবীর প্রতিবিষ্ব দেখিতে পাইলেন। অনন্তর পুনঃ পুনঃ তাহা! অবলোকন করিতে করিতে স্বীয় ইষ্টদেবীর প্রক্কৃত অবয়ব পমুদয় তাঁহার দৃষ্টি গোচর হইলে তিনি আনন্দ চিন্তে তীহার ধ্যান চিন্তা করিতে লাগিলেন। সেই মৃষ্ভিমতী দেবী বর্ণনাতীত মনোহর ৰূপ বিশিষ্টা, ভক্তবৎসলা, ঈষৎ হান্ানন ঘুক্তা, পদ্য

পাশা নত র্ঁ

২৪ হিন্দুর উপাসনা-তত্ব।

৬৩ প্পিসিপা উির্পাসিিসিপ তি এছ পপি শ্ািপাটিহাটি পি পি উপাসি পস্িপাি পিপরিপরস্পিাস্পাস্পািপাস্পস্পাস্িস্িস্পিশিশাটি শা পাম্পি পা পে সপ সিসি

স্রশ স্বচ্ছ মুখবিশিষ্টা, নীলপদ্ম সদৃশ সুন্দর নেত্রযুক্তা, সতত দয়ার হৃদয়বিশিষ্টা, সাঁধকগণের অভীষ্ট বরপ্রদায়িনী, ভক্তদিগের মঙ্গলা- কাজ্ষিণী, শান্তদিগের শান্তিদাঁয়িনী, জবাপুষ্পের স্তায় সুন্দর, আভাবুক্তা, কোটিচন্দ্রকিরণের ন্যায় শীতল জ্যোতিঃপূর্ণা, পদ্মমদৃশ মুখমৃক্তা, পদ্মসদূশ কোমলহস্তবিশিষ্টা, চন্্রসূ্যাসদূশ উজ্জণ চক্ুর্জ্যোতিঃসম্পন্না ত্রিলোকজননী, নিত্যা, ধন্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষপ্রদারিনী এবং সদ! আনন্দপ্রদায়িনী ; সেই দেবী সর্বানন্দকে বলিলেন।” ( সর্ধবিষ্ঠাবংণায় যুক্ত জগদন্ধ, তর্কবাগীশ মহাশয়ের কৃত সর্ধানন্দ তরঙ্গিণী নামক সংস্কৃত গ্রন্থের অনুবাদ |)

এই সর্বানন্দ ঠাকুর সিদ্ধাবস্থায় সর্ববিগ্ভা নামে খ্যাতিনাভ করিয়াছিলেন। আঙ্জিও তাহার বংশধরগণ ত্রিপুরা জিলার মেভাণ যশোহর জিলার্‌ বেন্দা ঘাটভোগ প্রভৃতি স্থানে বর্তমান আছেন।

সাধক গ্রবর হালি সহর নিবাসী রামপ্রাদ দেনের নাম বঙ্গংদণে অন্ন বিস্তর সকলেই অবগত আছেন তিনি কালীরূপের সাধক ছিলেন; পময় সময় তিনি যে ইষ্টদেবীর রূপ প্রত্যক্ষ করিতেন তাহা তাহার রচিত দঙ্গীতেই প্রকাঁশ। দক্ষিণেশ্বরের পিদ্ধপুরুষ রামরুষ্জ পরমহংসদেবের জাবনা পাঠে তিনি যে তীহার ইষ্টদেবতার রূপ প্রত্যক্ষ করিয়াছিলেন,তাহা স্পট বুঝিতে পারা যায়। তিনি রূপ প্রত্যক্ষ করিয়া এইরূপ উপদেশ দিয়াছিলেন__

ণ্যনি ব্রহ্ম তিনিই কালী ( আগ্ভাশক্তি )। যখন নিক্ফ্িয় তখন তাহাকে ব্রহ্ম বলে কই। যখন স্থষ্টি স্থিতি প্রন এই সব কাজ করেন তখন তাহাকে শক্তি কলে কই 1” ্‌

'তাই যতক্ষণ 'আমি” আছে যতক্ষণ ভেদবুদ্ধি আছে, ততক্ষণ নিপুণ বল্বার যো নাই। ততক্ষণ সপ্ুণ ব্রহ্ম মান্তে হবে। এই সপ্তণ ত্রচ্ধকে বেদ পুরাণ তন্ত্রে আদ্ভাশক্তি বা কালী বলে গেছে ।”

ঈশ্বরের স্বরূপ | ২৫

“তিনি আরুঞ্জের হ্যায় মানুষের মত দেহ ধারণ করে আমেন এও সত্য; নানরূপ ধরে ভক্তকে দেখা দেন এও সত্য বেদে তাকে সাকার নিরাকার ছুই বলেছে, সগ্ুণও বলেছে নিগুণও বলেছে ।”

বারা নিরাকার নিরাকার ক'রে তারা কিছু পায় না। তাদের না আছে বাহিরে না আছে ভিতরে |”

মহান ব্রৈলিঙ্গ স্বামীর জীবন চরিত পাঠে জানা যায় যে, উমাচরণ চট্টোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তিকে তিনি প্রত্যক্ষ ভাবে ঈশ্বরের রূপ দেখাইয়া ছিলেন। অচিরস্বর্গত নিবারণচন্ত্র দাঁদ মহাশয়ের লিখিত জীবনী হইতে নিয়ে কতক অংশ উদ্ধত করা গেল__

“স্বামীজীর উপদেশের পর উমাচরণ বাবু জিজ্ঞাসা করিলেন, সত্য সতাই কি ঈশ্বরকে দর্শন পাওয়া যায় ? স্বামীজী বলিলেন, সাধন! করিলে গুরুর কৃপা হইলেই পাওয়া বায়। তুমি কি ইহা প্রতাক্ষ দেখিতে টাও? উমাচরণ বাবু অত্যন্ত আগ্রহপূর্ণ হৃদয়ে বলিলেন, প্রভো তাহা হইলে কৃতার্থ হই। স্বামীজী বলিলেন, আমার আপনের নিকট বে কালী মৃত্তি আছে তাহাকে দেখিয়া আইম। উমাচরণ বাবু দেখিলেন যে পাষাণময়ী মা অচল! বিরাঁজমানা ; আসিয়া! বলিলেন, দর্শন করিলাম স্বামীজী বলিলেন, তাহাকে কি এইথানে দেখিতে চাও? উমাঁচরণ বাবু বলিলেন তাহা হইলে কৃতার্থ হই। স্বামীজা ধ্যানস্থ হইয়া মাকে ডাফিলেন ) উমাচরণ বাবু প্রত্যক্ষ দেখিলেন যে একটী কুমারী বালিকার স্টায় সেই পাষাণমর়ী ম! ধীরপদবিক্ষেপে স্বামীজীর নিকট উপস্থিত হইলেন। অস্পঞ্ট দীপালোকে চৈতন্তময়ীর গতি দর্শনে উমাচর্ণ বাবু অতিশয় ভীত চমতকৃত হইলেন। স্বামীজী উমাঁচরণ বাবুকে বলিলেন, যাও পুনব্বার দেখিয়া এস মার মুর্তি সেখানে আছে কিনা। উমাচরণ বাবু কম্পিত পদে ভয়বিকলচিত্তে গেলেন বটে কিন্ত মায়ের

২৬ হিন্দুর উপাসনা-তত্ব।

সপটিসশাসপির্পী ০৩ পাসিপাসিপা্পাসিপাসিপীিপস্িপািপাস্পীিপানিপাস্পস্পি্শিপপীস্পিিসপিশ পার্টি শর শি উপািলা সপ উপাসপাস্ি ০৯ পাটি সিকাছ পাটি পাউিলাখাতা পাটি পািপাসিপাসিপশিপা পসরা

মুনি ঠিআর সেখানে দেখিতে পাইলেন না। ভাহার টে ভয় হইল) দৌড়িয়া স্বামীজীর নিকট আসিলেন। স্বামীজী ঈষৎ হাস্ত করিয়া তাহাকে বসিতে বলিলেন মাকে নিজেব আসনে "যাইতে সঙ্কেত করিলেন। ছোট মেয়েটার মত মা আবার ধীর পদ সঞ্চারে নিজ আসনে পাষাণময়ী হইয়া বিরাজমান রভিলেন 1৮

নবদীপের ই্ীগোরাঙ্গ দেব তাভার নিজের লীলায় ব্রহ্মের সাকার সপ্ুণ রূপের কথা নানা ভাবে দেখাইয়া গিয়াছেন। গৌরাঙ্গ দেবকে সম্প্রদায় বিশেষে অবতার স্বীকার করেন না কিন্তু তিনি ঘে পরম গবস্তক্ত ছিলেন সে বিষয়ে মতদ্বৈধ নাই ভক্ত ভগবানে কোন প্রভেদ নাই কারণ ভক্তের যখন সোহ্হং জ্ঞান পূর্ণ মাত্রায় উপস্থিত হয় তখন তিনি ঈশ্বরপদবাচা হয়েন; সে অবস্থায় তাহাতে ঈশ্বরে কোন পার্থক্য থাঁকে না, তিনি অনন্ত সত্বার মিলিত হইয়া বান। ভাবে দেখিলেও শ্রীচৈতন্ত দেব যে ঈশ্বর বা ঈশ্বরতুলা মহাপুরুষ ছিলেন ততপ্রতি সন্দেহ করার কোন কারণ দেখা যায় না। তিশি প্রেম ভক্তি প্রচার করিয়া রাধাকুষ্জেব গুহা সাধন রহন্তগুলি নিজ জীবনে প্রতাক্ষ ভাবে দেখাইয়া গিয়াছেন

এই সকল জীবনুক্ত পুরুষের সাক্ষ্য অবিশ্বান করিবার কোন কারণ দেখিতে পাওয়া বায় না। ভারতে এরূপ সাধকের সংখ্যা খুব ধেশী না থাঁকিলেও তাহাদের একেবারে অসস্ভাব হয় নাই। যাহার অন্তরে প্রকৃত পিপাসা জন্মিয়াছে তিনি এখনও মহাপুরুষের সাক্ষাৎ পান। মাত্ৰ চুবিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী জীবনের প্রথম ভাগে অন্তমতাবলম্বী হইয়াও শেষ তাগে মত পরিহার পূর্বক ৬পুরী ধামে সাকার হ্বশ্বরের ( কৃষ্ণ রূপের ) মাধনায় জীবন অতিবাহিত করিয়াছিলেন। শাস্ত্র বাক্য সাধকের সাক্ষ্য ছাড়াও আর একটা প্রকুষ্ট প্রমাণ আছে। সাধন

ঈশ্বরের স্বরূপ ২৭

নটি পিছ পাটি পাপা পল পাটিিস্পি আসিত পোস্ট পিপাসা পিপল পাসিপা পাপ ৮১ িগাটি এই এাস্িটিপা্পীসিসিপিসিপ অর সপ টিটি

পথে শান নির্দিষ্ট উপারে অগ্রনর হইলে নিজ নিজ জীবনে সাকার কাপের সত্যতা উপলব্ধি করিতে পারা যায়, ইভা শান্্ের উপদেশ। ইহা অদ্পক্ষা আর কি পরুঈ প্রমাণ দেওয়! যাইতে পারে ?

ঈশ্বরের রূপ পরিগ্রহ সম্বন্ধে আব একটী আগত্তি 'শুনা যায়। আনোকে একপ বলেন ষে সর্বশক্তিমান পরমেশ্বর যখন ইচ্ছা মাত্রই সকল কার্সা সংসাধিত করিতে পারেন, তখন কোন অস্ত্র কি দৈতা দানব কি রাক্ষদ বধের জন্ত এত কষ্ট স্বীকার করিয়া পৃথিবীতে রামকৃষ্ণাদি বাপ জন্ম গ্রহণ কবার কারণ কি ছিল? এই সকল অবতার অবিশ্বাস কবিবার পক্ষে তীঙারা ইহা একটী অকাটা ঘুক্তি মনে করেন। মহ্ষাসুর বধের জন্য দুী দেবীর আবির্ভাব শুস্ত নিশুস্তের যদ্ধে আগ্ভাশক্তি কালীর আবির্ভাব তীগারা উল্লিখিত ঘুক্তিমূলে বিশ্বান করিতে প্রস্তত নচ্ন। ধাঁহারা এই তর্ক উপস্তিত করেন তাহাদেব গোড়ায় একটু ভূল মাচছে। '্টাহারা মুখে বলেন সর্বশক্তিমান কিন্ত দিকে মনে করেন ভগবানের অবস্থাও ঠিক আমাদেরই মত। আমাঁদের যাহাতে কষ্ট হয় ত্বাহাঁরও তাঁহাতে কষ্ট হইবে এই ধারণার বশবর্তী হইয়া রূপ আপত্তি উত্থাপন করেন। যিনি এই বিশ্ব বঙ্গাঙ্ডের মধো ওতপ্রোতভাবে থাকিয়া স্মষ্টি স্থিতি সংহার করিতেছেন, তাহার কষ্ট মামাদেব দ্টান্তে বুঝিতে যাওয়া বাতুলতা মাত্র। যিনি কালের কাল, তোমার আমার লক্ষ ব্সর ধাহার নিমেষ মাত্র, তিনি লীলার জন্ত মর্ত্য ধামে কিছু কাল মানব শরীর ধারণ করিয়া! বিচরণ করিলে তাহার কষ্ট হইবে ইহা মনে কৰা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক | তবে একথা অবগ্ঠ বল! বাইতে পারে যে রাম কৃষ্ণ দুর্গ। কালী রূপে অবতীর্ণ না. হইয়া অন্ত উপায়ে এই সকল কার্ধ্য সিদ্ধ করিতে পারিতেন। সংসারে কি উদ্দেশ্তেকি করিতেছেন, কেন মানুষকে মানুষ করিলেন, গাছকে গাছ করিলেন, মকল কথার উত্তর কে

২৮ হিন্দুর উপাপনা-তত্ব।

সাস্পিসপাসাি পিত্ত *

সপ ছি পল সি পাটি লাস পা্ি শি পাতা পাসিপাপাস্পািপিস্সিত পাসিপাস্পিসিীসিপ স্পা পাপন পস্সিসপিিসসপিসপস পি

দিবে? আমরাত কোন “কেনরই” উত্তর দিতে পারি না তবে এহ সকল রূপ পরিগ্রহ করিয়া “কেন” মর্তধাঁমে অবতীর্ণ হইলেন, তাহার কারণ খুজিতে যাই কেন? কি উদ্দেস্তে কোন কাজ করিতেছেন তাহা তিনি ভিন্ন কে বলিবে? কাজেই প্রতিকূল যুক্তি অতি অনার অগ্রাহ্হ। আমাদের নিজের ওজনে তাহাকে বুঝিতে যাওয়া ধৃষ্টতা মাত্র। আমাদের সামাবদ্ধ জ্ঞরনের দ্বারা তাহার কোন্‌ কার্ধ্যটা বুঝিতেছি? আর তুমি আমি তাহার অনন্ত লীলা খেলা কি বুবিব? তিনি জগতকে নিয়া অনাদি কাল হইতেই ধুলা থেল! করিতেছেন।

মন্ন্তরাণ্যসঙ্্যানি সর্গঃ সংহার এবচ।

ক্রীড়ন্নিবৈততৎ কুরুতে পরমেতী পুনঃ পুনঃ

তিনি অসংখ্য মন্বন্তর বার বার স্থষ্টি সংহার খেলার গ্ভায়

করিতেছেন

মানুষের ঈশ্বর জ্ঞান লাকার |

আমরা ইতি পূর্বে দেখিয়াছি যে শান্ত কথিত নিগুণ, নিরুপাধিক, নিরাকার ব্রহ্ম অজ্ঞের মানবের জ্ঞান বুদ্ধির অগোচর উপাসনার অতীত শাস্ত্র যেখানে